১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবীগঞ্জে ঘরে বাবার লাশ, পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে ছেলে!

  • Update Time : ০৩:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: নিজের বাবা হারানো যন্ত্রনা সহ্য করা আসলেই কঠিন। যে হারিয়েছে সেই বুঝে, পিতা হারানোর যন্ত্রনা। কিন্তু এমন পরিস্থিতি সামলে নিয়ে ভাঙ্গা মন নিয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বাবা জালাল উদ্দিন (৫৭) এর লাশ বাড়িতে রেখে কেন্দ্রে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে হলো ছেলে আবু সাহেদকে। বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

জালাল উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বুধবার সকাল ১১টায় সদরঘাট নতুন বাজার জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, জালাল উদ্দিনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, গ্রাম ও আশপাশের এলাকার মানুষ অংশ নেন।তবে সেসময় তাঁর ছেলে আবু সাহেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দিনারপুর কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে ইংরেজি (আবশ্যিক) ২য় পত্রের পরীক্ষা দিচ্ছিল। আবু সাহেদ দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বুধবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সাহেদ পরীক্ষার উত্তরপত্রে লিখছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আবু সাহেদ বলে, ‘আমি হলাম সেই সন্তান যে তার বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়েছে!

দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, সাহেদ খুব ন¤্র-ভদ্র ছেলে। ছাত্র হিসেবেও সে মেধাবী, এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমার গভীর শোকাহত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

নবীগঞ্জে ঘরে বাবার লাশ, পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে ছেলে!

Update Time : ০৩:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: নিজের বাবা হারানো যন্ত্রনা সহ্য করা আসলেই কঠিন। যে হারিয়েছে সেই বুঝে, পিতা হারানোর যন্ত্রনা। কিন্তু এমন পরিস্থিতি সামলে নিয়ে ভাঙ্গা মন নিয়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বাবা জালাল উদ্দিন (৫৭) এর লাশ বাড়িতে রেখে কেন্দ্রে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে হলো ছেলে আবু সাহেদকে। বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

জালাল উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। বুধবার সকাল ১১টায় সদরঘাট নতুন বাজার জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, জালাল উদ্দিনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, গ্রাম ও আশপাশের এলাকার মানুষ অংশ নেন।তবে সেসময় তাঁর ছেলে আবু সাহেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দিনারপুর কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে ইংরেজি (আবশ্যিক) ২য় পত্রের পরীক্ষা দিচ্ছিল। আবু সাহেদ দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বুধবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সাহেদ পরীক্ষার উত্তরপত্রে লিখছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আবু সাহেদ বলে, ‘আমি হলাম সেই সন্তান যে তার বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়েছে!

দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, সাহেদ খুব ন¤্র-ভদ্র ছেলে। ছাত্র হিসেবেও সে মেধাবী, এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমার গভীর শোকাহত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ