১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে ৪ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

  • Update Time : ০১:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথে স্বামীর অত্যাচার সইতে না পেরে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রহিমা বেগম (৩৮) নামে ৪ সন্তানের জননী। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। রহিমা ওই গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ ও সাথে থাকা একটি চিরকুট উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় রহিমার স্বামী আমির আলী।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল রহিমা-আমিরের। প্রায় সময় স্ত্রী রহিমাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন স্বামী আমির আলী। বুধবার সকালেও তাদের ঝগড়া হয়। এরপর সকাল ১১টার দিকে সকলের অগোছরে বসতঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাস নেন রহিমা। স্বামীসহ আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রহিমা বেগমের ছেলে শানুর আলী জানায়, আমাদের আয়-রোজগারের টাকা নিয়ে বাবা প্রায়ই মায়ের সাথে ঝগড়া করতেন। মাকে নির্যাতন করতেন। বুধবার সকালেও তাদের ঝগড়া হয়।
রহিমার সত্তরোর্ধ মা আলেছা বেগম বলেন, আমিরের অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে আমার মেয়ে মরেছে। আমি এর বিচার চাই।
থানার ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে ৪ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

Update Time : ০১:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথে স্বামীর অত্যাচার সইতে না পেরে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রহিমা বেগম (৩৮) নামে ৪ সন্তানের জননী। বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। রহিমা ওই গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ ও সাথে থাকা একটি চিরকুট উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় রহিমার স্বামী আমির আলী।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল রহিমা-আমিরের। প্রায় সময় স্ত্রী রহিমাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন স্বামী আমির আলী। বুধবার সকালেও তাদের ঝগড়া হয়। এরপর সকাল ১১টার দিকে সকলের অগোছরে বসতঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাস নেন রহিমা। স্বামীসহ আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রহিমা বেগমের ছেলে শানুর আলী জানায়, আমাদের আয়-রোজগারের টাকা নিয়ে বাবা প্রায়ই মায়ের সাথে ঝগড়া করতেন। মাকে নির্যাতন করতেন। বুধবার সকালেও তাদের ঝগড়া হয়।
রহিমার সত্তরোর্ধ মা আলেছা বেগম বলেন, আমিরের অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে আমার মেয়ে মরেছে। আমি এর বিচার চাই।
থানার ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ