১২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ডাক্তারের অবহেলায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

  • Update Time : ০১:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারি ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ডাক্তারের অবহেলায় সুরাইয়া নুর তানজিনা নামের দেড় মাসের কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে জগন্নাথপুর পৌরসভার কর্মচারী স্থানীয় হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা তাজ নুরের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগী তানজিনাকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করেন এবং হাসপাতাল বেডে তাকে অক্সিজেন লাগানো হয়। রাত ৭ টার দিকে অক্সিজেন লাগানা অবস্থায় শিশুটি ছটফট করলেও তার স্বজনরা ডাক্তারদের ডেকে আনতে পারেননি বলে স্বজনরা অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগ ডাক্তার আসতে দেরি করা ও অবহেলায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাবেক পৌর কাউন্সিলর সুহেল আমিন বলেন, আমি নিজে শিশুটির ছটফট দেখে অনেকবার যোগাযোগ করার পরও ডাক্তার আসতে অনেক দেরি করেন। শিশুটি মরে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামসুদ্দিন বলেন, আমি ছুটিতে ঢাকায় রয়েছি। এখানে যাই হোক অন্য ডাক্তার দেখবেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে ডাক্তারের অবহেলায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

Update Time : ০১:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারি ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ডাক্তারের অবহেলায় সুরাইয়া নুর তানজিনা নামের দেড় মাসের কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে জগন্নাথপুর পৌরসভার কর্মচারী স্থানীয় হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা তাজ নুরের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগী তানজিনাকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করেন এবং হাসপাতাল বেডে তাকে অক্সিজেন লাগানো হয়। রাত ৭ টার দিকে অক্সিজেন লাগানা অবস্থায় শিশুটি ছটফট করলেও তার স্বজনরা ডাক্তারদের ডেকে আনতে পারেননি বলে স্বজনরা অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগ ডাক্তার আসতে দেরি করা ও অবহেলায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাবেক পৌর কাউন্সিলর সুহেল আমিন বলেন, আমি নিজে শিশুটির ছটফট দেখে অনেকবার যোগাযোগ করার পরও ডাক্তার আসতে অনেক দেরি করেন। শিশুটি মরে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামসুদ্দিন বলেন, আমি ছুটিতে ঢাকায় রয়েছি। এখানে যাই হোক অন্য ডাক্তার দেখবেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ