০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে টাকা ও ব্যক্তিত্বের লড়াই

  • Update Time : ০৩:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে টাকা ও ব্যক্তিত্বের লড়াই চলছে নিরবে। মনোনয়ন লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার বিজয় হয় দেখতে অপেক্ষায় জনতা।

 

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে সুনামগঞ্জ ৩ আসন। জাতীয় রাজনীতিতে এ আসনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ ও ফারুক রশীদ চৌধুরী মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বর্তমানে দুইটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন এমএ মান্নান। যে কারণে এ আসনটি জাতীয় রাজনীতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও এ নির্বাচনী এলাকা ঐতিহ্যবাহী। এছাড়া জগন্নাথপুর প্রবাসী অধ্যূষিত উপজেলা হওয়ায় জাতীয় অর্থনীতিতে জগন্নাথপুরের প্রবাসীদের অনেক অবদান রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে অাসছে এ আসন থেকে এমপি পদে নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন জোর লবিং। সমর্থকরাও তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরাও আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে তারা ঝাপিয়ে পড়বেন।

 

 

সুনামগঞ্জ-৩ অাসনে অাগামি জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত জাতীয় নেতা আবদুস সামাদ আজাদের পুত্র আজিজুস সামাদ আজাদ ডন ও যুক্তরাজ্য আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ লে. কর্ণেল অব. সৈয়দ আলী আহমদ, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি এমএ মালেক খান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ অালী খলকু (এম এ খলকু)। খেলাফত মজলিস নেতা হাফিজ মাওলানা এনামুল হাসান। জমিয়ত নেতা সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, জমিয়ত নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা ইমরান আহমদ। যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহীদুর রাহমান (শহীদ)। এছাড়াও আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদিউজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফয়েজ আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফারুক আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনছার উদ্দিন, প্রবাসী বিএনপি নেতা ইসতাব উদ্দিন আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আবুল কাহার, প্রবাসী বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা হাজি সোহেল আহমদ খান টুনুর নামও শোনা যাচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

 

এর মধ্যে আ.লীগের এমএ মান্নানের বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামে। তিনি এ আসনে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত এমপি হয়ে সততার সাথে দুইটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন সজ্জন মানুষ হওয়ায় আবারো আগামী সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং তিনি আবারো দলীয় প্রার্থী হলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

 

আজিজুস সামাদ ডনের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার ভূরাখালি গ্রামে। তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত জাতীয় নেতা আবদুস সামাদ আজাদের পুত্র হওয়ায় এবং বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এমএ মান্নানের সাথে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্ধিতা করায় তিনিও পিছিয়ে নেই। আগামী সংসদ নির্বাচনে আজিজুস সামাদ ডনও আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন এবং তিনি নৌকা প্রতীক পেলে অনায়াসে নির্বাচিত হবেন বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্য আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী নির্বাচনে তিনি আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানান।

 

লে. কর্ণেল অব. সৈয়দ আলী আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। ইতোপূর্বে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে এ আসনে নির্বাচন করে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছেন। স্থানীয়ভাবে তাঁর গ্রহন যোগ্যতা বেশি রয়েছে। তিনি বিএনপির প্রার্থী হলে আ.লীগ-বিএনপির নির্বাচন জমজমাট হয়ে উঠবে এবং তিনি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানান।

 

বিএনপির এমএ মালেক খানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার হাসান-ফাতেমাপুর গ্রামে। তিনি ইতোপূর্বে অসংখ্য নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে পাননি। তিনি অসংখ্য বার নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়ে মাঠে কাজ করলেও পরে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি অনেকবার মাঠে কাজ করার কারণে স্থানীয়ভাবে অনেকে তাঁকে এমপি সাহেব বলে সম্বোধন করেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় প্রার্থী হলে সহজে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

কয়ছর এম আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ছিলিমপুর গ্রামে। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনিও এ আসনে দলীয় প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারেন বলে অনেকে জানিয়েছেন।

 

মোহাম্মদ অালী খলকু (এম এ খলকু) এর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার ৮নং অাশারকান্দি ইউনিয়নের ফেছি গ্রামে। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দলের কাজ করছেন। এবারের নির্বাচনে তিনি নতুন মুখ হলেও দেশ-বিদেশে রয়েছে তাহার যতেষ্ঠ পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা। তবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় অল্পদিনে তিনি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী সহ সবার কাছে অালোচনায় এসেছেন।জোট থেকে ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে তিনি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানান।

 

খেলাফত মজলিস নেতা হাফিজ মাওলানা এনামুল হাসানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি ছাত্র মজলিসের সাংগঠনিক সর্বশেষ ক্লাসের অন্যতম নেতা ছিলেন ও ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাহার নির্বাচনী এলাকায় পরিচ্ছন্ন অাদর্শবান নেতা হিসেবে সর্বদলীয় মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীল হিসেবে কাজ করছেন। খেলাফত মজলিস সিলেট বিভাগে যে কয়টি অাসনে জোটের প্রার্থী মনোনয়নের দাবি করে কাজ করছে তার মধ্যে সুনামগঞ্জ-৩ অাসনও একটি অন্যতম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ- ৩ অাসনে এনামুল হাসান ২০দলীয় জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে তাঁর দল খেলাফত মজলিস ও সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী মাাঝপাড়া গ্রামে। তিনি এ আসনের সাবেক ১৪ মাসের এমপি ছিলেন। যে কারণে নির্বাচনী এলাকায় তাঁর পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে তিনি চার দলীয় জোটের একক প্রার্থী হলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

 

জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা ইমরান আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী মক্রমপুর গ্রামে। তিনি নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন কর্মসুচি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মাঠে কাজ করছেন। ২০দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্হানীয় নেতাকর্মীদের সাথে তাহার রয়েছে সু-সম্পর্ক। জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে তাহার যতেষ্ট পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হয়ে ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

 

শাহীদুর রাহমান (শহীদ) এর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার বড়ফেছি গ্রামে। তিনি বর্তমানে লন্ডন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন এবং সততার সাথে যুক্তরাজ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আগামী নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ৩ আসনে তিনি নতুন মুখ। তবে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় তিনি এগিয়ে রয়েছেন। তিনি জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানিয়েছেন।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদিউজ্জামানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার কাতিয়া গ্রামে। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের মিনার প্রতীক নিয়ে এ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

 

আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলামের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার হাসন ফাতেমাপুর গ্রামে। ইতোপূর্বে তিনি এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। তাঁর সমর্থকরা জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

এদিকে যুবদল নেতা হাজি সুহেল আহমদ খাঁন টুনু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর তাহার ফেইসবুকে ট্যাটাসে এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরীকে আগামী নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু চ্যালেঞ্জ অব্যাহত রেখে, খালেদা জিয়াসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে, এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরীর কাছ থেকে বিএনপিকে রক্ষার জন্য খোলা চিঠি দিয়ে, দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে একটা গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে হাজি সুহেল আহমদ খান টুনুর ময়দানি সময় দানে দলের সক্রিয় অনেক কর্মীরাও আগামী নির্বাচনে তাহাকে প্রার্থী চান। এবারের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সকল প্রার্থীদের এক দাবি, বিএনপি পরিবারের প্রার্থী চাই।

 

সুনামগঞ্জ-৩ অাসনের বিএনপি ও জোটের অন্যান দলের নেতাকর্মীরা এ প্রতিবেদক কে জানান, গত জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে জগন্নাথপুর -দক্ষিণ সুনামগঞ্জ- ৩ অাসনে জোটের কোন অান্দোলনে পাশা সাহেবকে মাঠে দেখিনি।

 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কোন প্রার্থী কোন দলের হয়ে মুল প্রতিদ্বন্ধিতায় অংশ নেবেন তা সময়ের অপেক্ষা বলে স্থানীয় একাধিক ভোটাররা জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে টাকা ও ব্যক্তিত্বের লড়াই

Update Time : ০৩:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

ইয়াকুব মিয়া :: একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে টাকা ও ব্যক্তিত্বের লড়াই চলছে নিরবে। মনোনয়ন লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার বিজয় হয় দেখতে অপেক্ষায় জনতা।

 

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে সুনামগঞ্জ ৩ আসন। জাতীয় রাজনীতিতে এ আসনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব আবদুস সামাদ আজাদ ও ফারুক রশীদ চৌধুরী মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বর্তমানে দুইটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন এমএ মান্নান। যে কারণে এ আসনটি জাতীয় রাজনীতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও এ নির্বাচনী এলাকা ঐতিহ্যবাহী। এছাড়া জগন্নাথপুর প্রবাসী অধ্যূষিত উপজেলা হওয়ায় জাতীয় অর্থনীতিতে জগন্নাথপুরের প্রবাসীদের অনেক অবদান রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে অাসছে এ আসন থেকে এমপি পদে নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন জোর লবিং। সমর্থকরাও তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরাও আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে তারা ঝাপিয়ে পড়বেন।

 

 

সুনামগঞ্জ-৩ অাসনে অাগামি জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত জাতীয় নেতা আবদুস সামাদ আজাদের পুত্র আজিজুস সামাদ আজাদ ডন ও যুক্তরাজ্য আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ লে. কর্ণেল অব. সৈয়দ আলী আহমদ, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি এমএ মালেক খান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ অালী খলকু (এম এ খলকু)। খেলাফত মজলিস নেতা হাফিজ মাওলানা এনামুল হাসান। জমিয়ত নেতা সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, জমিয়ত নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা ইমরান আহমদ। যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহীদুর রাহমান (শহীদ)। এছাড়াও আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদিউজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফয়েজ আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফারুক আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনছার উদ্দিন, প্রবাসী বিএনপি নেতা ইসতাব উদ্দিন আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আবুল কাহার, প্রবাসী বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা হাজি সোহেল আহমদ খান টুনুর নামও শোনা যাচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

 

এর মধ্যে আ.লীগের এমএ মান্নানের বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামে। তিনি এ আসনে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত এমপি হয়ে সততার সাথে দুইটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন সজ্জন মানুষ হওয়ায় আবারো আগামী সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং তিনি আবারো দলীয় প্রার্থী হলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

 

আজিজুস সামাদ ডনের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার ভূরাখালি গ্রামে। তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত জাতীয় নেতা আবদুস সামাদ আজাদের পুত্র হওয়ায় এবং বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এমএ মান্নানের সাথে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্ধিতা করায় তিনিও পিছিয়ে নেই। আগামী সংসদ নির্বাচনে আজিজুস সামাদ ডনও আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন এবং তিনি নৌকা প্রতীক পেলে অনায়াসে নির্বাচিত হবেন বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্য আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী নির্বাচনে তিনি আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে পারেন বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানান।

 

লে. কর্ণেল অব. সৈয়দ আলী আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। ইতোপূর্বে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে এ আসনে নির্বাচন করে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছেন। স্থানীয়ভাবে তাঁর গ্রহন যোগ্যতা বেশি রয়েছে। তিনি বিএনপির প্রার্থী হলে আ.লীগ-বিএনপির নির্বাচন জমজমাট হয়ে উঠবে এবং তিনি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানান।

 

বিএনপির এমএ মালেক খানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার হাসান-ফাতেমাপুর গ্রামে। তিনি ইতোপূর্বে অসংখ্য নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে পাননি। তিনি অসংখ্য বার নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়ে মাঠে কাজ করলেও পরে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি অনেকবার মাঠে কাজ করার কারণে স্থানীয়ভাবে অনেকে তাঁকে এমপি সাহেব বলে সম্বোধন করেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় প্রার্থী হলে সহজে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

কয়ছর এম আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ছিলিমপুর গ্রামে। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনিও এ আসনে দলীয় প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারেন বলে অনেকে জানিয়েছেন।

 

মোহাম্মদ অালী খলকু (এম এ খলকু) এর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার ৮নং অাশারকান্দি ইউনিয়নের ফেছি গ্রামে। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দলের কাজ করছেন। এবারের নির্বাচনে তিনি নতুন মুখ হলেও দেশ-বিদেশে রয়েছে তাহার যতেষ্ঠ পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা। তবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় অল্পদিনে তিনি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী সহ সবার কাছে অালোচনায় এসেছেন।জোট থেকে ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে তিনি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানান।

 

খেলাফত মজলিস নেতা হাফিজ মাওলানা এনামুল হাসানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি ছাত্র মজলিসের সাংগঠনিক সর্বশেষ ক্লাসের অন্যতম নেতা ছিলেন ও ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাহার নির্বাচনী এলাকায় পরিচ্ছন্ন অাদর্শবান নেতা হিসেবে সর্বদলীয় মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীল হিসেবে কাজ করছেন। খেলাফত মজলিস সিলেট বিভাগে যে কয়টি অাসনে জোটের প্রার্থী মনোনয়নের দাবি করে কাজ করছে তার মধ্যে সুনামগঞ্জ-৩ অাসনও একটি অন্যতম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ- ৩ অাসনে এনামুল হাসান ২০দলীয় জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে তাঁর দল খেলাফত মজলিস ও সমর্থকদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

 

জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী মাাঝপাড়া গ্রামে। তিনি এ আসনের সাবেক ১৪ মাসের এমপি ছিলেন। যে কারণে নির্বাচনী এলাকায় তাঁর পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে তিনি চার দলীয় জোটের একক প্রার্থী হলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

 

জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা ইমরান আহমদের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী মক্রমপুর গ্রামে। তিনি নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন কর্মসুচি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মাঠে কাজ করছেন। ২০দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্হানীয় নেতাকর্মীদের সাথে তাহার রয়েছে সু-সম্পর্ক। জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে তাহার যতেষ্ট পরিচিতি ও গ্রহন যোগ্যতা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হয়ে ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

 

শাহীদুর রাহমান (শহীদ) এর বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার বড়ফেছি গ্রামে। তিনি বর্তমানে লন্ডন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন এবং সততার সাথে যুক্তরাজ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আগামী নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ৩ আসনে তিনি নতুন মুখ। তবে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণায় তিনি এগিয়ে রয়েছেন। তিনি জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানিয়েছেন।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বদিউজ্জামানের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার কাতিয়া গ্রামে। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের মিনার প্রতীক নিয়ে এ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

 

আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলামের বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলার হাসন ফাতেমাপুর গ্রামে। ইতোপূর্বে তিনি এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। তাঁর সমর্থকরা জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

এদিকে যুবদল নেতা হাজি সুহেল আহমদ খাঁন টুনু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর তাহার ফেইসবুকে ট্যাটাসে এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরীকে আগামী নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু চ্যালেঞ্জ অব্যাহত রেখে, খালেদা জিয়াসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে, এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরীর কাছ থেকে বিএনপিকে রক্ষার জন্য খোলা চিঠি দিয়ে, দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে একটা গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে হাজি সুহেল আহমদ খান টুনুর ময়দানি সময় দানে দলের সক্রিয় অনেক কর্মীরাও আগামী নির্বাচনে তাহাকে প্রার্থী চান। এবারের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সকল প্রার্থীদের এক দাবি, বিএনপি পরিবারের প্রার্থী চাই।

 

সুনামগঞ্জ-৩ অাসনের বিএনপি ও জোটের অন্যান দলের নেতাকর্মীরা এ প্রতিবেদক কে জানান, গত জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে জগন্নাথপুর -দক্ষিণ সুনামগঞ্জ- ৩ অাসনে জোটের কোন অান্দোলনে পাশা সাহেবকে মাঠে দেখিনি।

 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কোন প্রার্থী কোন দলের হয়ে মুল প্রতিদ্বন্ধিতায় অংশ নেবেন তা সময়ের অপেক্ষা বলে স্থানীয় একাধিক ভোটাররা জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ