০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে ছাত্রীকে ফোনে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানী চেষ্টার অভিযোগে, শিক্ষক বহিস্কার

  • Update Time : ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাউশী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম জাহিদুর রহমান। তিনি বাউশী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক। ঘটনার পর তাকে স্কুল থেকে বহিস্কার করেছে ম্যানেজিং কমিটি। জানা যায়, দশম শ্রেণির ঐ ছাত্রী স্কুলের পাঠ শেষে অন্যান্য ছাত্রীদের সাথে অভিযুক্ত জাহিদের কাছে প্রাইভেট পড়তো। শুক্রবার প্রাইভেটের কথা বলে ফোনে ডেকে ছাত্রীকে স্কুলের পাশের ওই বাসায় নেয় সে। একা অবস্থায় কৌশলে ওই ছাত্রীকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দেয় জাহিদ। এরপর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়। কোনোরকমে তার হাত থেকে পালিয়ে গিয়ে ইজ্জত রক্ষা করে সেই ছাত্রী। পরবর্তিতে ঘটনাটি পরিবারের লোকজনের কাছে জানান ওই ছাত্রী। ছাত্রীর অভিভাবক জানান, সপ্তাহের অন্যান্য দিন প্রাইভেট পড়ালেও শুক্রবারে আমার মেয়েকে পড়াতো না জাহিদ। অসৎ উদ্দেশ্যেই সে ওইদিন প্রাইভেটের কথা বলে ফোনে ডেকে নিয়ে আমার মেয়ের ইজ্জত লুটের চেষ্টা করে। অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদুর রহমান শুক্রবারে সেই ছাত্রীকে না পড়ানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘গত শুক্রবারে আমি তাকে ফোন দিয়ে আসতে বলিনি। সে স্বেচ্ছায় আমার বাসায় আসে।’তার সাথে আরেকটা মেয়ে আসার কথা ছিল।’
‘আপনি তাকে ফোন দেননি, তাহলে কিভাবে জানলেন সে আসবে এবং তার সাথে অন্য আরেকটি মেয়ে আসবে?’ -এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদ।
স্কুল থেকে বের করে দেয়ার কারণ কি- জানতে চাইতে তিনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটি আমাকে জানিয়েছেন স্কুলে আমার আর প্রয়োজন নেই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিজন চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জাহিদকে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে অসুস্থতাজনিত কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব গণমাধ্যমকে জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এখন শুনলাম। আমি স্কুলে যাব এবং প্রধান শিক্ষকের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলবো।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিতাভ পরাগ তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান, ‘এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে ছাত্রীকে ফোনে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানী চেষ্টার অভিযোগে, শিক্ষক বহিস্কার

Update Time : ০১:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাউশী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম জাহিদুর রহমান। তিনি বাউশী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক। ঘটনার পর তাকে স্কুল থেকে বহিস্কার করেছে ম্যানেজিং কমিটি। জানা যায়, দশম শ্রেণির ঐ ছাত্রী স্কুলের পাঠ শেষে অন্যান্য ছাত্রীদের সাথে অভিযুক্ত জাহিদের কাছে প্রাইভেট পড়তো। শুক্রবার প্রাইভেটের কথা বলে ফোনে ডেকে ছাত্রীকে স্কুলের পাশের ওই বাসায় নেয় সে। একা অবস্থায় কৌশলে ওই ছাত্রীকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দেয় জাহিদ। এরপর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়। কোনোরকমে তার হাত থেকে পালিয়ে গিয়ে ইজ্জত রক্ষা করে সেই ছাত্রী। পরবর্তিতে ঘটনাটি পরিবারের লোকজনের কাছে জানান ওই ছাত্রী। ছাত্রীর অভিভাবক জানান, সপ্তাহের অন্যান্য দিন প্রাইভেট পড়ালেও শুক্রবারে আমার মেয়েকে পড়াতো না জাহিদ। অসৎ উদ্দেশ্যেই সে ওইদিন প্রাইভেটের কথা বলে ফোনে ডেকে নিয়ে আমার মেয়ের ইজ্জত লুটের চেষ্টা করে। অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদুর রহমান শুক্রবারে সেই ছাত্রীকে না পড়ানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘গত শুক্রবারে আমি তাকে ফোন দিয়ে আসতে বলিনি। সে স্বেচ্ছায় আমার বাসায় আসে।’তার সাথে আরেকটা মেয়ে আসার কথা ছিল।’
‘আপনি তাকে ফোন দেননি, তাহলে কিভাবে জানলেন সে আসবে এবং তার সাথে অন্য আরেকটি মেয়ে আসবে?’ -এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদ।
স্কুল থেকে বের করে দেয়ার কারণ কি- জানতে চাইতে তিনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটি আমাকে জানিয়েছেন স্কুলে আমার আর প্রয়োজন নেই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিজন চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জাহিদকে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে অসুস্থতাজনিত কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব গণমাধ্যমকে জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এখন শুনলাম। আমি স্কুলে যাব এবং প্রধান শিক্ষকের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলবো।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিতাভ পরাগ তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান, ‘এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ