০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে সাজানো অগ্নিকাণ্ড নিয়ে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান

  • Update Time : ০৯:০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক আহত হওয়ার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে সাজানো অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিয়ে অপপ্রচারে বিভান্ত না হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

জানাগেছে, মাদ্রাসার জমি নিলাম নিয়ে সম্প্রতি-শ্রীধরপাশা গ্রামের আবদুল মালিক পক্ষের ফয়সল মিয়া ও জাবেদ আলমের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বন্দুকের গুলিতে ফয়সল পক্ষের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিহত সহ কমপক্ষে ৭০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা ও পাল্টা মামলা চলছে। এর মধ্যে হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে এসে প্রতিশোধ নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠে। এরই জের ধরে গত ১১ নভেম্বর শনিবার জাবেদ আলম পক্ষের কদ্দুছ মিয়ার লোকজনের অতর্কিত হামলায় ফয়সল পক্ষের সাহিদ আহমদ নামের এক যুবক গুরুতর আহত হন। আহতকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে কদ্দুছ মিয়ার লোকজন তাদের পক্ষের মতিন মিয়ার ছোট একটি ঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ নিয়ে গত ১২ নভেম্বর রোববার সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় “জগন্নাথপুরে বাড়ীতে হামলা বসতঘরে লুটপাট অগ্নিসংযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের অপপ্রচারে এলাকায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। জাবেদ আলমের পক্ষে সংবাদ লিখতে গিয়ে প্রতিবেদক সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। এতে হাস্যকর হলেও সত্য মতিন মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ মতিন মিয়ার নেতৃত্বে করা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া

সিলেটের দৈনিক ওই পত্রিকার জগন্নাথপুর প্রতিনিধি থাকা সত্বেও সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিনের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতেই প্রতীয়মান হয় সংবাদটি মিথ্যা। সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয়, আ.লীগ নেতা কুতুব উদ্দিন ও এনাম আহমদ সহ অনেকে অগ্নিসংযোগে অংশ নেন। অথচ আ.লীগ নেতা কুতুব উদ্দিন কোন পক্ষের সাথে জড়িত নন এবং মামলায় আসামি থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আছেন আবদুল মালিকের লোকজন। সুতরাং তারা এ সাজানো অগ্নিকান্ডের সাথে জড়িত নন।

তাই মিথ্যা ও বানোয়াট এ সংবাদের অপপ্রচারে বিভান্ত না হওয়ার জন্য শ্রীধরপাশা গ্রামবাসীর পক্ষে আবদুল জাহির, আবদাল মিয়া, মতিউর রহমান ও নুর আলী খান সকলের প্রতি আহবান জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে সাজানো অগ্নিকাণ্ড নিয়ে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান

Update Time : ০৯:০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক আহত হওয়ার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে সাজানো অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিয়ে অপপ্রচারে বিভান্ত না হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

জানাগেছে, মাদ্রাসার জমি নিলাম নিয়ে সম্প্রতি-শ্রীধরপাশা গ্রামের আবদুল মালিক পক্ষের ফয়সল মিয়া ও জাবেদ আলমের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বন্দুকের গুলিতে ফয়সল পক্ষের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিহত সহ কমপক্ষে ৭০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা ও পাল্টা মামলা চলছে। এর মধ্যে হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে এসে প্রতিশোধ নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠে। এরই জের ধরে গত ১১ নভেম্বর শনিবার জাবেদ আলম পক্ষের কদ্দুছ মিয়ার লোকজনের অতর্কিত হামলায় ফয়সল পক্ষের সাহিদ আহমদ নামের এক যুবক গুরুতর আহত হন। আহতকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে কদ্দুছ মিয়ার লোকজন তাদের পক্ষের মতিন মিয়ার ছোট একটি ঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ নিয়ে গত ১২ নভেম্বর রোববার সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় “জগন্নাথপুরে বাড়ীতে হামলা বসতঘরে লুটপাট অগ্নিসংযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের অপপ্রচারে এলাকায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। জাবেদ আলমের পক্ষে সংবাদ লিখতে গিয়ে প্রতিবেদক সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। এতে হাস্যকর হলেও সত্য মতিন মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ মতিন মিয়ার নেতৃত্বে করা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া

সিলেটের দৈনিক ওই পত্রিকার জগন্নাথপুর প্রতিনিধি থাকা সত্বেও সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিনের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতেই প্রতীয়মান হয় সংবাদটি মিথ্যা। সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয়, আ.লীগ নেতা কুতুব উদ্দিন ও এনাম আহমদ সহ অনেকে অগ্নিসংযোগে অংশ নেন। অথচ আ.লীগ নেতা কুতুব উদ্দিন কোন পক্ষের সাথে জড়িত নন এবং মামলায় আসামি থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আছেন আবদুল মালিকের লোকজন। সুতরাং তারা এ সাজানো অগ্নিকান্ডের সাথে জড়িত নন।

তাই মিথ্যা ও বানোয়াট এ সংবাদের অপপ্রচারে বিভান্ত না হওয়ার জন্য শ্রীধরপাশা গ্রামবাসীর পক্ষে আবদুল জাহির, আবদাল মিয়া, মতিউর রহমান ও নুর আলী খান সকলের প্রতি আহবান জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ