০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদ নিয়ে টিকছে না ২০ দলীয় জোট

  • Update Time : ০৩:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ জুন ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :: সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল দেশের এ ৩টি সিটিতে আগামী ৩০ জুলাই’১৮ ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের আর মাত্র দেড়মাস বাকি থাকলেও জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের কোন আলামত পাওয়া যাচ্ছে না সিলেটে। গত সিসিক নির্বাচনে বিএনপি, জামাত, মজলিস সহ ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নির্বাচনী বৈতরণী পার হন।

 

 

কিন্তু সমাগত সিসিক নির্বাচনে সেরকম কোন উদ্যোগ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। কারণ হিসেবে বি এন পির অাভ্যন্তরীন কোন্দলকেই বড় করে দেখছেন বিজ্ঞজনরা। প্রধান বিরোধী দল খোদ বি এন পিতে মেয়র প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন। আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও দলের নগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। তাছাড়া সিলেট জেলা বি এন পির সাবেক সভাপতি এম এ হকের নামও শুনা যাচ্ছে মেয়র পদে।

 

 

মুলত বি এন পি প্রধান খালেদা জিয়ার কারান্তরীন হওয়া এবং দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশান্তর থাকায় বি এন পির অাভ্যন্তরীন সংকট ঘনীভূত হয়েছে।

 

 

প্রধান বড় দলের ঘর সামলাতেই যেখানে বেসামাল অবস্থা তখন অন্যান্য দলের সাথে লিয়াজু করার ফুরসত কোথায়? বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থিরা যখন দলের সিনিয়র নেতাদের আশির্বাদ নিতে সময় পার করছেন জোটবদ্ধ দল জামাত ও মজলিসের প্রার্থিরা তখন গণযোগাযোগ অব্যাহত রেখে চলেছেন।

 

 

জোটবদ্ধ নির্বাচনে যারা সিদ্ধহস্ত এবং কখনো আওয়ামিলিগ কখনো বি এন পির সাথে জোট করে দুইবার বাংলাদেশের ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেছিলো সেই জামাতে ইসলামী আলাদাভাবে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে নগর জামাতের আমীর এড.এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

২০ দলীয় জোটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য শরীকদল খেলাফত মজলিসও সিসিক মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলের নগর সাধারণ সম্পাদক কে এম আবদুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মেয়র প্রার্থির সমর্থনে মহানগরীর ৭টি সাংগঠনিক থানায় কর্মী সমাবেশ ও ২৭ টি ওয়ার্ডে ইফতার মাহফিল আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা তাদের প্রস্তুতির জানান দিয়েছেন।

 

 

জোটবদ্ধ নির্বাচন যদি শেষ পর্যন্ত না হয় তাহলে বি এন পি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী কে এম আবদুল্লাহ আল মামুন দলীয় প্রতীক দেয়াল ঘড়ি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবং জামাত মনোনীত প্রার্থী এড.জুবায়ের স্ততন্ত্র প্রার্থিদের কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদ নিয়ে টিকছে না ২০ দলীয় জোট

Update Time : ০৩:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ জুন ২০১৮

বিশেষ প্রতিনিধি :: সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল দেশের এ ৩টি সিটিতে আগামী ৩০ জুলাই’১৮ ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের আর মাত্র দেড়মাস বাকি থাকলেও জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের কোন আলামত পাওয়া যাচ্ছে না সিলেটে। গত সিসিক নির্বাচনে বিএনপি, জামাত, মজলিস সহ ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নির্বাচনী বৈতরণী পার হন।

 

 

কিন্তু সমাগত সিসিক নির্বাচনে সেরকম কোন উদ্যোগ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। কারণ হিসেবে বি এন পির অাভ্যন্তরীন কোন্দলকেই বড় করে দেখছেন বিজ্ঞজনরা। প্রধান বিরোধী দল খোদ বি এন পিতে মেয়র প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন। আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও দলের নগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। তাছাড়া সিলেট জেলা বি এন পির সাবেক সভাপতি এম এ হকের নামও শুনা যাচ্ছে মেয়র পদে।

 

 

মুলত বি এন পি প্রধান খালেদা জিয়ার কারান্তরীন হওয়া এবং দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশান্তর থাকায় বি এন পির অাভ্যন্তরীন সংকট ঘনীভূত হয়েছে।

 

 

প্রধান বড় দলের ঘর সামলাতেই যেখানে বেসামাল অবস্থা তখন অন্যান্য দলের সাথে লিয়াজু করার ফুরসত কোথায়? বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থিরা যখন দলের সিনিয়র নেতাদের আশির্বাদ নিতে সময় পার করছেন জোটবদ্ধ দল জামাত ও মজলিসের প্রার্থিরা তখন গণযোগাযোগ অব্যাহত রেখে চলেছেন।

 

 

জোটবদ্ধ নির্বাচনে যারা সিদ্ধহস্ত এবং কখনো আওয়ামিলিগ কখনো বি এন পির সাথে জোট করে দুইবার বাংলাদেশের ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেছিলো সেই জামাতে ইসলামী আলাদাভাবে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে নগর জামাতের আমীর এড.এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

২০ দলীয় জোটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য শরীকদল খেলাফত মজলিসও সিসিক মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলের নগর সাধারণ সম্পাদক কে এম আবদুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মেয়র প্রার্থির সমর্থনে মহানগরীর ৭টি সাংগঠনিক থানায় কর্মী সমাবেশ ও ২৭ টি ওয়ার্ডে ইফতার মাহফিল আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা তাদের প্রস্তুতির জানান দিয়েছেন।

 

 

জোটবদ্ধ নির্বাচন যদি শেষ পর্যন্ত না হয় তাহলে বি এন পি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী কে এম আবদুল্লাহ আল মামুন দলীয় প্রতীক দেয়াল ঘড়ি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবং জামাত মনোনীত প্রার্থী এড.জুবায়ের স্ততন্ত্র প্রার্থিদের কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ