০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেট সিটিকে পরিষ্কার রাখতে হাতে ঝাড়ু নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন মেয়র আরিফুল হক

  • Update Time : ০৬:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটে সিটিকে পরিষ্কার-পরিছন্ত রাখতে হাতে ঝাড়ু– নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বুধবার সকালে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা বার এর যৌথ উদোগে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন। এর আগেও কয়েক বার মেয়র নিজের উদ্যোগে রাস্তায় ঝাড়ু দিয়ে আলোচনা ঝড় তুলেছিলেন।

 

 

গণমাধ্যমসহ স্যোসাল  মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার হয় তার ছবি। মেয়র এতিমধ্যে সিলেটের উন্ননে উদ্যোগ নিলেও রাজনৈতিক মামলার কারণে দীর্ঘ দিন জেল হাজতে থাকতে হয় তাকে।

 

 

ফলে তমকে যায় উন্নয়নের উদ্যোগ। তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ছিল নগরীর ছড়া-খাল উদ্ধার, পাতাল বিদ্যুৎ লাইন নির্মান করা। যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন উদ্যোগে ছিল। তিনি চীনের আমন্ত্রনে চীন সরফ কালে একটি কোম্পানীর সাথে কথা বলেছিলন বলে জানা গেছে। কিন্ত সব পরিকল্পনা বেস্তে রাজনৈতিক মামলার কারণে।

 

 

এরই মধ্যে ব্যাপক সুনামও অর্জন করেন মেয়র আরিফ। সিলেটে নগরীর অন্যতম ক্বীনব্রীজে লেজার লাইট নির্মান করে সুন্দর্যবর্ধণ, নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ফুয়ারা নির্মনা ও সংস্কার, ফুটপাত দখল মুক্ত, রাস্তায় ডিভাইডার নির্মান করে রিক্সা চলাচলে নিজে তদারকি করতেও দেখা গেছে মেয়রকে।

 

 

 

নগর ভবন সর্ম্পূন্ন রাজনীতিমুক্ত রেখেছি: মেয়র আরিফ

 

 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, পরিষ্কার পরিচন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবো। নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রসহ সবকিছু পরিচ্ছন্ন রাখবো। সবাই মিলে গড়বো সুন্দর সিলেট নগরী।

 

 

বুধবার দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন শেষে জেলা বার মিলনায়তনে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় তিনি একথা বলেন।
সভায় মেয়র আরিফ বলেন, প্রিয় সিলেট নগরীকে একটি মডেল নগরী হিসেবে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি। নগরীর রাস্তাঘাট, ড্রেইন-কালভার্ট, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে। প্রতিদিন নগরীর প্রতিটি স্থান পরিস্কার করা হচ্ছে। পুরো নগরী সুন্দর তথা পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে মেয়র আরিফ বলেন, আমরা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করতে পারি। কিন্তু সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। মেয়র বলেন, নগর ভবনকে আমি রাজনীতিমুক্ত রেখেছি। নগরীর প্রতিটি নাগরিক এখান থেকে তাদের কাক্সিক্ষত সেবা গ্রহণ করছেন।
আদালত প্রাঙ্গণে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সভায় জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে মেয়র আরিফের কাছে দাবি জানানো হলে তিনি বলেন, এব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এব্যাপারে দক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। অপর এক দাবির জবাবে মেয়র বলেন, আদালত এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে। এটার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য লোকও দিবে নগরভবন। তবে এটা তথ্যাবধান করতে হবে বার কর্তৃপক্ষকে। আদালত প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করার জন্য প্রতিদিনই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মী সেখানে পাঠানো হবে বলেও অাশ্বাস দেন মেয়র আরিফ।

 

 

জেলা বারের সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ লালা’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট কাজী আব্দুল হান্নান, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিব, কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, মো. রাজিক মিয়া, আব্দুর রকিব তুহিন, জিপি খাদেমুল মিল্লাত মোহাম্মদ জালাল, এডিশনাল পিপি শামছুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী নূও আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুহুল আমিন, কন্জারভেন্সি শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ.ন.ম মনছুফ, জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু ও মো. আকমল খান, সহসমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম মিয়া, লাইব্রেরি সম্পাদক বিকাশ রঞ্জন অধিকারী, সহসম্পাদক দিলরুবা বেগম কাকলী ও হোসাইন আহমদ শিপন, নির্বাহী সদস্য আব্দুল গফফার, দীনা ইয়াসমিন, মিছবাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেট সিটিকে পরিষ্কার রাখতে হাতে ঝাড়ু নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন মেয়র আরিফুল হক

Update Time : ০৬:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটে সিটিকে পরিষ্কার-পরিছন্ত রাখতে হাতে ঝাড়ু– নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বুধবার সকালে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা বার এর যৌথ উদোগে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন। এর আগেও কয়েক বার মেয়র নিজের উদ্যোগে রাস্তায় ঝাড়ু দিয়ে আলোচনা ঝড় তুলেছিলেন।

 

 

গণমাধ্যমসহ স্যোসাল  মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার হয় তার ছবি। মেয়র এতিমধ্যে সিলেটের উন্ননে উদ্যোগ নিলেও রাজনৈতিক মামলার কারণে দীর্ঘ দিন জেল হাজতে থাকতে হয় তাকে।

 

 

ফলে তমকে যায় উন্নয়নের উদ্যোগ। তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ছিল নগরীর ছড়া-খাল উদ্ধার, পাতাল বিদ্যুৎ লাইন নির্মান করা। যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন উদ্যোগে ছিল। তিনি চীনের আমন্ত্রনে চীন সরফ কালে একটি কোম্পানীর সাথে কথা বলেছিলন বলে জানা গেছে। কিন্ত সব পরিকল্পনা বেস্তে রাজনৈতিক মামলার কারণে।

 

 

এরই মধ্যে ব্যাপক সুনামও অর্জন করেন মেয়র আরিফ। সিলেটে নগরীর অন্যতম ক্বীনব্রীজে লেজার লাইট নির্মান করে সুন্দর্যবর্ধণ, নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ফুয়ারা নির্মনা ও সংস্কার, ফুটপাত দখল মুক্ত, রাস্তায় ডিভাইডার নির্মান করে রিক্সা চলাচলে নিজে তদারকি করতেও দেখা গেছে মেয়রকে।

 

 

 

নগর ভবন সর্ম্পূন্ন রাজনীতিমুক্ত রেখেছি: মেয়র আরিফ

 

 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, পরিষ্কার পরিচন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবো। নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রসহ সবকিছু পরিচ্ছন্ন রাখবো। সবাই মিলে গড়বো সুন্দর সিলেট নগরী।

 

 

বুধবার দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন শেষে জেলা বার মিলনায়তনে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় তিনি একথা বলেন।
সভায় মেয়র আরিফ বলেন, প্রিয় সিলেট নগরীকে একটি মডেল নগরী হিসেবে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি। নগরীর রাস্তাঘাট, ড্রেইন-কালভার্ট, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে। প্রতিদিন নগরীর প্রতিটি স্থান পরিস্কার করা হচ্ছে। পুরো নগরী সুন্দর তথা পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে মেয়র আরিফ বলেন, আমরা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করতে পারি। কিন্তু সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। মেয়র বলেন, নগর ভবনকে আমি রাজনীতিমুক্ত রেখেছি। নগরীর প্রতিটি নাগরিক এখান থেকে তাদের কাক্সিক্ষত সেবা গ্রহণ করছেন।
আদালত প্রাঙ্গণে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সভায় জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে মেয়র আরিফের কাছে দাবি জানানো হলে তিনি বলেন, এব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এব্যাপারে দক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। অপর এক দাবির জবাবে মেয়র বলেন, আদালত এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে। এটার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য লোকও দিবে নগরভবন। তবে এটা তথ্যাবধান করতে হবে বার কর্তৃপক্ষকে। আদালত প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করার জন্য প্রতিদিনই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মী সেখানে পাঠানো হবে বলেও অাশ্বাস দেন মেয়র আরিফ।

 

 

জেলা বারের সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ লালা’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট কাজী আব্দুল হান্নান, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিব, কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, মো. রাজিক মিয়া, আব্দুর রকিব তুহিন, জিপি খাদেমুল মিল্লাত মোহাম্মদ জালাল, এডিশনাল পিপি শামছুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী নূও আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুহুল আমিন, কন্জারভেন্সি শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ.ন.ম মনছুফ, জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু ও মো. আকমল খান, সহসমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম মিয়া, লাইব্রেরি সম্পাদক বিকাশ রঞ্জন অধিকারী, সহসম্পাদক দিলরুবা বেগম কাকলী ও হোসাইন আহমদ শিপন, নির্বাহী সদস্য আব্দুল গফফার, দীনা ইয়াসমিন, মিছবাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ