১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪জনের মৃত্যুদন্ড

  • Update Time : ০৪:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ আগস্ট ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটের কানাইঘাটে ১২বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪জনের মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। এ আদেশ প্রদান করেন বিচারক শিশু আদালত ও অতিরিক্ত দায়রাজজ প্রথম আদালত, এ এম জুলফিকার। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা আবুল উদ্দিন (২৩), পিতা: ইমাম উদ্দিন, কামাল আহমদ(২০), পিতা: মৃত লিয়াকত আলী, সাদেক উদ্দিন(২৮) পিতা: সুরুজ আলী, সর্ব সাংক বড় খেয়ড় কানাইঘাট। পলাতক আসামী বাবুল আহমদ উরফে নরুল(৩০)।

 
ধর্ষণ দায়ে প্রত্যেককে ১লক্ষ টাকা করে জরিমানা ও ৪দিন লাশ গুম করে রাখার অপরাধে প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা করে জরিমান ও অনাদায়ে ১বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন বিচারক।

 
উল্লেখ্য কানাইঘাটের এরাগুল গ্রামের তেরা মিয়ার ১২ বছরের মেয়ে মাদ্রাসা ছাত্রী সুলতানা বেগম(২০)কে হত্যা করে এ ৪আসামী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন এপিপি এডভোকেট ফকরুল ইসলাম।

 

২০১৬ সালের ২৫ মে বান্ধবি ফারজানার বাড়িতে বেড়াতে যায় সুলতানা। ওই দিন ফারজানার ভাই আবুল উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা বাড়ির পাশে একটি টিলায় কাজ করছিলেন। এ সময় আবুল উদ্দিন তার বোন ফারজানাকে খাবার জন্য পানি আনতে বলেন। কিন্তু ফারজানা না গিয়ে সুলতানাকে পানি দিয়ে পাঠায়। আসামীরা শিশুটিকে একা পেয়ে গণধর্ষণ করে মরদেহ গুম করতে মাটি চাপা দেয়।

 

সুলতানা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সুলতানার স্বজনরা মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় সুলতানা ভাই একলিম উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দালিল করেন। আদালত চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় ঘোষণা দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেটে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪জনের মৃত্যুদন্ড

Update Time : ০৪:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ আগস্ট ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটের কানাইঘাটে ১২বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪জনের মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। এ আদেশ প্রদান করেন বিচারক শিশু আদালত ও অতিরিক্ত দায়রাজজ প্রথম আদালত, এ এম জুলফিকার। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা আবুল উদ্দিন (২৩), পিতা: ইমাম উদ্দিন, কামাল আহমদ(২০), পিতা: মৃত লিয়াকত আলী, সাদেক উদ্দিন(২৮) পিতা: সুরুজ আলী, সর্ব সাংক বড় খেয়ড় কানাইঘাট। পলাতক আসামী বাবুল আহমদ উরফে নরুল(৩০)।

 
ধর্ষণ দায়ে প্রত্যেককে ১লক্ষ টাকা করে জরিমানা ও ৪দিন লাশ গুম করে রাখার অপরাধে প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা করে জরিমান ও অনাদায়ে ১বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন বিচারক।

 
উল্লেখ্য কানাইঘাটের এরাগুল গ্রামের তেরা মিয়ার ১২ বছরের মেয়ে মাদ্রাসা ছাত্রী সুলতানা বেগম(২০)কে হত্যা করে এ ৪আসামী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন এপিপি এডভোকেট ফকরুল ইসলাম।

 

২০১৬ সালের ২৫ মে বান্ধবি ফারজানার বাড়িতে বেড়াতে যায় সুলতানা। ওই দিন ফারজানার ভাই আবুল উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা বাড়ির পাশে একটি টিলায় কাজ করছিলেন। এ সময় আবুল উদ্দিন তার বোন ফারজানাকে খাবার জন্য পানি আনতে বলেন। কিন্তু ফারজানা না গিয়ে সুলতানাকে পানি দিয়ে পাঠায়। আসামীরা শিশুটিকে একা পেয়ে গণধর্ষণ করে মরদেহ গুম করতে মাটি চাপা দেয়।

 

সুলতানা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সুলতানার স্বজনরা মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় সুলতানা ভাই একলিম উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দালিল করেন। আদালত চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় ঘোষণা দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ