০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১

  • Update Time : ০৪:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের ওসমানীনগরে সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আব্দুল সামাদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সিকন্দরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল সামাদ (২২) ওই এলাকার কিত্তেকমরপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কিত্তেকমরপুর গ্রামের আব্দুল সামাদ ও রফিকুল ইসলামের মধ্যে পারিবারিক রাস্তা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। উভয় পক্ষের বাড়ির পাশাপাশি হওয়ায় কথাকাটাকাটি এবং রাস্তা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজের শেষে একই গ্রামে মাসুক মিয়ার বাড়িতে শালিশ বৈঠক বসে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাকির আহমেদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক মেম্বার মিনার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করে উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন গুরুতর আহত হন। ধারাল চাকুর আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল সামাদকে তাৎক্ষণিক বালাগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল হাসান ভূইয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ওসমানী মেডিকেল হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১

Update Time : ০৪:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের ওসমানীনগরে সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আব্দুল সামাদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সিকন্দরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল সামাদ (২২) ওই এলাকার কিত্তেকমরপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের কিত্তেকমরপুর গ্রামের আব্দুল সামাদ ও রফিকুল ইসলামের মধ্যে পারিবারিক রাস্তা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। উভয় পক্ষের বাড়ির পাশাপাশি হওয়ায় কথাকাটাকাটি এবং রাস্তা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজের শেষে একই গ্রামে মাসুক মিয়ার বাড়িতে শালিশ বৈঠক বসে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাকির আহমেদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক মেম্বার মিনার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করে উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন গুরুতর আহত হন। ধারাল চাকুর আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল সামাদকে তাৎক্ষণিক বালাগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল হাসান ভূইয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ওসমানী মেডিকেল হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ