০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

  • Update Time : ০৬:২৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশ প্রদান করা হয়। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক কর্মসূচিতে (যেমন সেমিনার, প্রশিক্ষণ বা ব্যাংক-হাসপাতালে গমন) অংশ নেওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হয় এবং প্রশাসনিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।এই পরিস্থিতি এড়াতেই নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই ৪০ মিনিট সময় যেন বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশনার বাইরে রাখা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, হাসপাতাল ও জেলখানার মতো জরুরি সেবায় রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের। এছাড়া ভিভিআইপি প্রটোকল বা আকস্মিক বড় কোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলার মতো জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য হবে। পরিপত্রে আরও কঠোরভাবে বলা হয়েছে যে, কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি বা দাপ্তরিক কাজ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অফিস চলাকালীন কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না। তবে এর আগে ২০২১ ও ২০১৯ সালেও এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

Update Time : ০৬:২৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও আন্তঃদপ্তর সমন্বয় বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশ প্রদান করা হয়। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসার পথে বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক কর্মসূচিতে (যেমন সেমিনার, প্রশিক্ষণ বা ব্যাংক-হাসপাতালে গমন) অংশ নেওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হয় এবং প্রশাসনিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।এই পরিস্থিতি এড়াতেই নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই ৪০ মিনিট সময় যেন বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশনার বাইরে রাখা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, হাসপাতাল ও জেলখানার মতো জরুরি সেবায় রোস্টার ডিউটিতে নিয়োজিত কর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের। এছাড়া ভিভিআইপি প্রটোকল বা আকস্মিক বড় কোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলার মতো জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য হবে। পরিপত্রে আরও কঠোরভাবে বলা হয়েছে যে, কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি বা দাপ্তরিক কাজ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অফিস চলাকালীন কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না। তবে এর আগে ২০২১ ও ২০১৯ সালেও এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ