০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র আনিসুল হক আর নেই

  • Update Time : ০৪:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেয়র আনিসুল হক। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একইদিন বাদ আসর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। আজ শুক্রবার লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর তার প্রথম নামাজে জানাজা পড়া হবে। আনিসুল হকের বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। মৃত্যুকালে তার শিয়রে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী রুবানা হক ও সন্তানেরা। বৃহস্পতিবার রুবানা হক জানিয়েছিলেন, তার স্বামী শারীরিক অবস্থান অবনতি ঘটেছে।

 

এর আগে নাতির জন্ম উপলক্ষে গত ২৯শে জুলাই যুক্তরাজ্যে যান আনিসুল হক ও রুবানা হক। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আনিসুল হক। ১৩ই আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিস্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা চলছিল। অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটলে তাকে ৩১শে অক্টোবর আইসিইউ থেকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু গত মঙ্গলবার ফের তার অবস্থার অবনতি হয়। পুনরায় তাকে নেয় হয় আইসিইউতে। এর দু’দিনের মাথায় মারা গেলেন তিনি।

 

২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন আনিসুল হক। রাজনৈতিক অঙ্গনে আসার অনেক আগ থেকেই পরিচিত মুখ তিনি। টিভি উপস্থাপক এবং তৈরি পোশাক খাতের সফল ব্যবসায়ী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। ২০০৫-০৬ সালে বিজিএমইএর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৮ সালে এফবিসিসিআইএর সভাপতির দায়িত্ব পান।  ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মোহাম্মাদি গ্রুপের চেয়ারমেন ছিলেন তিনি। একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার স্ত্রী রুবানা হক।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মেয়র আনিসুল হক আর নেই

Update Time : ০৪:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেয়র আনিসুল হক। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একইদিন বাদ আসর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। আজ শুক্রবার লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর তার প্রথম নামাজে জানাজা পড়া হবে। আনিসুল হকের বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। মৃত্যুকালে তার শিয়রে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী রুবানা হক ও সন্তানেরা। বৃহস্পতিবার রুবানা হক জানিয়েছিলেন, তার স্বামী শারীরিক অবস্থান অবনতি ঘটেছে।

 

এর আগে নাতির জন্ম উপলক্ষে গত ২৯শে জুলাই যুক্তরাজ্যে যান আনিসুল হক ও রুবানা হক। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আনিসুল হক। ১৩ই আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিস্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা চলছিল। অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটলে তাকে ৩১শে অক্টোবর আইসিইউ থেকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু গত মঙ্গলবার ফের তার অবস্থার অবনতি হয়। পুনরায় তাকে নেয় হয় আইসিইউতে। এর দু’দিনের মাথায় মারা গেলেন তিনি।

 

২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন আনিসুল হক। রাজনৈতিক অঙ্গনে আসার অনেক আগ থেকেই পরিচিত মুখ তিনি। টিভি উপস্থাপক এবং তৈরি পোশাক খাতের সফল ব্যবসায়ী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। ২০০৫-০৬ সালে বিজিএমইএর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৮ সালে এফবিসিসিআইএর সভাপতির দায়িত্ব পান।  ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মোহাম্মাদি গ্রুপের চেয়ারমেন ছিলেন তিনি। একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার স্ত্রী রুবানা হক।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ