০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে সংঘর্ষে মহিলা-শিশুসহ আহত ২৫

  • Update Time : ০৭:৫০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বন্ধুয়া গ্রামে নোয়াব আলী ও ইর্শ্বাদ আলী’র মধ্যে পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন । প্রায় আধাঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে অন্তসত্ত্বা মহিলা ও শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত প্রায় ২৫ জন আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার মুব্বীদের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এব্যাপারে নোয়াব আলী পক্ষের আবদুল মতিন বলেন (শুক্রবার) সকালে আবদুল কাদির মাছ মারার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তারা (কাদির) ওপর হামলা করেন ইর্শ্বাদ আলী পক্ষের লোকজন। এসময় কাদিরের চিৎকার শুনে আমরা তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তারা আমাদের ওপরও হামলা চালায়।

এব্যপারে ইর্শ্বাদ আলীর ভাতিজা ফরিদ মিয়া বলেন, (শুক্রবার) সকালে দুদু মিয়া ও তার পুত্র এমরান ঘাস (গবাদি পশুর খাদ্য) তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তাদের ওপর হামলা করেন নোয়াব আলী পক্ষের লোকজন। এসময় তাদের চিৎকার শুনে আমরা এগিয়ে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। এতে উভয়পক্ষের আহতরা হলেন, নোয়াব আলী (৭০), পিয়ারা বেগম (৫০), আমির আলী (৩০), আব্দুল কাদির (২০), আলকাছ মিয়া (২৫), কটন মিয়া (৪০), নূর উদ্দিন (৩৫), আব্দুল লতিফ (৪০), গেদা মিয়া (৩০), মক্তার আলী (৪০), রুকিয়া বেগম (৩০), অন্তসত্ত্বা খয়রুন নেছা (২৬), আনছার আলী (১৮), শিফা বেগম (৩০), দুদু মিয়া (৪৫), বাছা মিয়া (৩০), ঝর্ণা বেগম (১০), রুমি বেগম (১০), তাজির আলী (৩৫), এমরান মিয়া (১৫), মনফর আলী (৫০), বিরু মিয়া (৪০) প্রমুখ। গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে সংঘর্ষে মহিলা-শিশুসহ আহত ২৫

Update Time : ০৭:৫০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বন্ধুয়া গ্রামে নোয়াব আলী ও ইর্শ্বাদ আলী’র মধ্যে পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন । প্রায় আধাঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে অন্তসত্ত্বা মহিলা ও শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত প্রায় ২৫ জন আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার মুব্বীদের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এব্যাপারে নোয়াব আলী পক্ষের আবদুল মতিন বলেন (শুক্রবার) সকালে আবদুল কাদির মাছ মারার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তারা (কাদির) ওপর হামলা করেন ইর্শ্বাদ আলী পক্ষের লোকজন। এসময় কাদিরের চিৎকার শুনে আমরা তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তারা আমাদের ওপরও হামলা চালায়।

এব্যপারে ইর্শ্বাদ আলীর ভাতিজা ফরিদ মিয়া বলেন, (শুক্রবার) সকালে দুদু মিয়া ও তার পুত্র এমরান ঘাস (গবাদি পশুর খাদ্য) তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তাদের ওপর হামলা করেন নোয়াব আলী পক্ষের লোকজন। এসময় তাদের চিৎকার শুনে আমরা এগিয়ে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। এতে উভয়পক্ষের আহতরা হলেন, নোয়াব আলী (৭০), পিয়ারা বেগম (৫০), আমির আলী (৩০), আব্দুল কাদির (২০), আলকাছ মিয়া (২৫), কটন মিয়া (৪০), নূর উদ্দিন (৩৫), আব্দুল লতিফ (৪০), গেদা মিয়া (৩০), মক্তার আলী (৪০), রুকিয়া বেগম (৩০), অন্তসত্ত্বা খয়রুন নেছা (২৬), আনছার আলী (১৮), শিফা বেগম (৩০), দুদু মিয়া (৪৫), বাছা মিয়া (৩০), ঝর্ণা বেগম (১০), রুমি বেগম (১০), তাজির আলী (৩৫), এমরান মিয়া (১৫), মনফর আলী (৫০), বিরু মিয়া (৪০) প্রমুখ। গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ