১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথের রুকশানাকে ৩৪ দিন পর মৌলভীবাজার থেকে উদ্ধার

  • Update Time : ০৯:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুন ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: পারিবারিক মতবিরোধের জের ধরে ‘আত্মগোপনে থাকা’ রুকশানা বেগম নামে বিশ্বনাথের এক গৃহবধুকে ছেলেসহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৌলভীবাজার পৌর শহরের ধড়কাপন এলাকা থেকে ‘নিখোঁজের’ ৩৪ দিন পর শনিবার বিশ্বনাথের ছেলেসহ রুকশানাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। রুকশানা সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার মাধবপুর গ্রামের শহিদ আলীর স্ত্রী। রুকশানা এক ছেলে সন্তানের জননী।

 

উদ্ধারের পর রুকশানা পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে রুকশানা ও তার স্বামী শহিদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যা চলছে। একপর্যায়ে গত ১০ রমজান রুকশানা স্বামীর উপর অভিমান করে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে পথিমধ্যে একজন পরিচিত লোককে পান। ওই লোকের পরামর্শে রুকশানা বাবার বাড়িতে না গিয়ে ছেলেকে নিয়ে মৌলভীবাজার এসে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে রুকশানার বাবা আতাউর রহমান বাদী হয়ে রুকশানার স্বামী শহিদ আলীকে বিবাদী করে ১৪ জুন বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (নং ৭৫৯)।

 

রুকশানা নিখোঁজের কয়েক দিন পর হঠাৎ রুকশানার স্বামী শহিদের মোবাইলে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। পরবর্তীতে শহিদ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মোবাইলে মালিকের বাড়ি মৌলভীবাজার এবং তার স্ত্রী রুকশানা সেখানে একটি বাড়িতে কাজ করেন। এমন খবরে শহিদ মৌলভীবাজার এসে একজন রিকশাচালকের সহায়তায় রুকশানার সন্ধান পান এবং মৌলভীবাজার মডেল থানায় পুলিশকে সাথে নিয়ে ওই বাড়ি থেকে রুকশানাকে উদ্ধার করেন।

 

মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহমদ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, রুকশানাকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথের রুকশানাকে ৩৪ দিন পর মৌলভীবাজার থেকে উদ্ধার

Update Time : ০৯:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুন ২০১৮

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: পারিবারিক মতবিরোধের জের ধরে ‘আত্মগোপনে থাকা’ রুকশানা বেগম নামে বিশ্বনাথের এক গৃহবধুকে ছেলেসহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৌলভীবাজার পৌর শহরের ধড়কাপন এলাকা থেকে ‘নিখোঁজের’ ৩৪ দিন পর শনিবার বিশ্বনাথের ছেলেসহ রুকশানাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। রুকশানা সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার মাধবপুর গ্রামের শহিদ আলীর স্ত্রী। রুকশানা এক ছেলে সন্তানের জননী।

 

উদ্ধারের পর রুকশানা পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে রুকশানা ও তার স্বামী শহিদের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যা চলছে। একপর্যায়ে গত ১০ রমজান রুকশানা স্বামীর উপর অভিমান করে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে পথিমধ্যে একজন পরিচিত লোককে পান। ওই লোকের পরামর্শে রুকশানা বাবার বাড়িতে না গিয়ে ছেলেকে নিয়ে মৌলভীবাজার এসে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে রুকশানার বাবা আতাউর রহমান বাদী হয়ে রুকশানার স্বামী শহিদ আলীকে বিবাদী করে ১৪ জুন বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (নং ৭৫৯)।

 

রুকশানা নিখোঁজের কয়েক দিন পর হঠাৎ রুকশানার স্বামী শহিদের মোবাইলে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। পরবর্তীতে শহিদ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মোবাইলে মালিকের বাড়ি মৌলভীবাজার এবং তার স্ত্রী রুকশানা সেখানে একটি বাড়িতে কাজ করেন। এমন খবরে শহিদ মৌলভীবাজার এসে একজন রিকশাচালকের সহায়তায় রুকশানার সন্ধান পান এবং মৌলভীবাজার মডেল থানায় পুলিশকে সাথে নিয়ে ওই বাড়ি থেকে রুকশানাকে উদ্ধার করেন।

 

মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহমদ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, রুকশানাকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ