০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেঞ্চুগঞ্জে এবার ‘সিজার’ হলো গাভীর!

  • Update Time : ০৮:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :: এবার ‘সিজার’ হলো গাভীর। ২০ সেপ্টেম্বর ফেঞ্চুগঞ্জের মনিপুর চা শ্রমিক রবি দাসের গর্ভবতী গাভীটি মৃত্যুর যন্ত্রনায় ছটফট করছিল। প্রসব সময় পার হলেও প্রসব না হওয়াতে গাভীটিন বেঁচে থাকা না থাকায় সৃষ্টি হয় দোটানা। সংকটে পড়ে তার জীবন। এ সংবাদটি ফেঞ্চুগঞ্জের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রাজিব দাস ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সার্জেন ড. রমা পদ দে-কে জানানো হয়।
ড. রমা পদ দে বলেন- ‘খবর পেয়ে আমরা রবি দাসের বাড়িতে যাই। গাভীটির অবস্থা তখন খুব নাজুক ছিল। গাভীর গর্ভের বাচ্চার কোন স্পন্দন পাচ্ছিলাম না আমরা। আমরা গাভী বাঁচাবার লড়াই চালালাম। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত আলো বাঁধা হয়ে দাঁড়াল। তবুও আমরা সাহস করে তার শরীরে অস্ত্রোপচার করে (সিজার অপারেশনের মাধ্যমে) করে বাচ্চা বের করার সিদ্ধান্ত নিলাম। পরে অল্প আলোতেই টানা চার ঘন্টা চেষ্টার পর সিজার সম্পন্ন হলো গাভীটির।
তিনি জানান, বাচ্চাটি আগেই মরে যাওয়াতে গাভীর নানা সমস্যা হচ্ছিল। এ অবস্থায় গাভী মারা যাবার সম্ভাবনাই বেশি ছিলো।
ড. রমা পদ দে জানান, আমরা পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও ঔষুধ ব্যবহার করেছি। সঠিক হিসাব না দিতে পারলেও গর্ভে বাচ্চা মারা যাওয়ায় বা উলটে যাওয়ায় গাভীসহ মারা যাবার সংখ্যা অনেক। এরকম সিজার ‘কাইসারিয়ান সেকশন’ করে প্রসবকালীন পশুর মৃত্যুরোধ করা সম্ভব। কিন্তু পশুর মালিকরা পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার (অপারেশন পরবর্তী যত্ম) নিতে দক্ষ নয় যে কারণে চিকিৎসকগণ এ পদ্ধতি এড়াতে চান। চিকিৎসকদের দক্ষতা, তড়িৎ ব্যবস্থা ও পশু মালিকদের সচেতনতাই পশু সম্পদ গড়তে সক্ষম।
সোমবার এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে রবি দাস জানালেন তার গাভীটি সুস্থ আছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ফেঞ্চুগঞ্জে এবার ‘সিজার’ হলো গাভীর!

Update Time : ০৮:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বিশেষ প্রতিনিধি :: এবার ‘সিজার’ হলো গাভীর। ২০ সেপ্টেম্বর ফেঞ্চুগঞ্জের মনিপুর চা শ্রমিক রবি দাসের গর্ভবতী গাভীটি মৃত্যুর যন্ত্রনায় ছটফট করছিল। প্রসব সময় পার হলেও প্রসব না হওয়াতে গাভীটিন বেঁচে থাকা না থাকায় সৃষ্টি হয় দোটানা। সংকটে পড়ে তার জীবন। এ সংবাদটি ফেঞ্চুগঞ্জের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রাজিব দাস ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সার্জেন ড. রমা পদ দে-কে জানানো হয়।
ড. রমা পদ দে বলেন- ‘খবর পেয়ে আমরা রবি দাসের বাড়িতে যাই। গাভীটির অবস্থা তখন খুব নাজুক ছিল। গাভীর গর্ভের বাচ্চার কোন স্পন্দন পাচ্ছিলাম না আমরা। আমরা গাভী বাঁচাবার লড়াই চালালাম। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত আলো বাঁধা হয়ে দাঁড়াল। তবুও আমরা সাহস করে তার শরীরে অস্ত্রোপচার করে (সিজার অপারেশনের মাধ্যমে) করে বাচ্চা বের করার সিদ্ধান্ত নিলাম। পরে অল্প আলোতেই টানা চার ঘন্টা চেষ্টার পর সিজার সম্পন্ন হলো গাভীটির।
তিনি জানান, বাচ্চাটি আগেই মরে যাওয়াতে গাভীর নানা সমস্যা হচ্ছিল। এ অবস্থায় গাভী মারা যাবার সম্ভাবনাই বেশি ছিলো।
ড. রমা পদ দে জানান, আমরা পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও ঔষুধ ব্যবহার করেছি। সঠিক হিসাব না দিতে পারলেও গর্ভে বাচ্চা মারা যাওয়ায় বা উলটে যাওয়ায় গাভীসহ মারা যাবার সংখ্যা অনেক। এরকম সিজার ‘কাইসারিয়ান সেকশন’ করে প্রসবকালীন পশুর মৃত্যুরোধ করা সম্ভব। কিন্তু পশুর মালিকরা পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার (অপারেশন পরবর্তী যত্ম) নিতে দক্ষ নয় যে কারণে চিকিৎসকগণ এ পদ্ধতি এড়াতে চান। চিকিৎসকদের দক্ষতা, তড়িৎ ব্যবস্থা ও পশু মালিকদের সচেতনতাই পশু সম্পদ গড়তে সক্ষম।
সোমবার এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে রবি দাস জানালেন তার গাভীটি সুস্থ আছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ