১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী

  • Update Time : ০৫:০১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী ফাহিমা (১৪)।
ভোলার চরফ্যাশনে প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী ফাহিমা (১৪)। ফাহিমা দক্ষিণ মাদ্রাজ এরব হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার জেডিসি’র ফল প্রত্যাশী এবং হাজারীগঞ্জ ১নং ওয়ার্ডের আবদুর রব এর মেয়ে। আজ শুক্রবার দুপুরে বিয়ের দিন ধার্য থাকলেও ফাহিমার প্রতিবাদের কারণে ভেস্তে গেছে অসম এই বিয়ে।
জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিয়ের দিনক্ষণ ধার্র  বিষয়টি জানতে পেরে ঐ ছাত্রী মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো. সামসুদ্দিনের সহায়তায় বিয়ে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনসহ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়। দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন এবং সমাজ সেবা অফিসার উপন্যাস চন্দ্র দাস থানা পুলিশসহ কনের বাড়ি গিয়ে বিয়ে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন জানান, ছাত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে তাদের বাড়ি গিয়ে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করলে ছাত্রীর মা তাছনুর বেগম মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে মুছলেকা দিয়েছেন।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী

Update Time : ০৫:০১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী ফাহিমা (১৪)।
ভোলার চরফ্যাশনে প্রশাসনের সহযোগিতায় নিজের বিয়ে ঠেকালো মাদ্রাসা ছাত্রী ফাহিমা (১৪)। ফাহিমা দক্ষিণ মাদ্রাজ এরব হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার জেডিসি’র ফল প্রত্যাশী এবং হাজারীগঞ্জ ১নং ওয়ার্ডের আবদুর রব এর মেয়ে। আজ শুক্রবার দুপুরে বিয়ের দিন ধার্য থাকলেও ফাহিমার প্রতিবাদের কারণে ভেস্তে গেছে অসম এই বিয়ে।
জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিয়ের দিনক্ষণ ধার্র  বিষয়টি জানতে পেরে ঐ ছাত্রী মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো. সামসুদ্দিনের সহায়তায় বিয়ে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনসহ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়। দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন এবং সমাজ সেবা অফিসার উপন্যাস চন্দ্র দাস থানা পুলিশসহ কনের বাড়ি গিয়ে বিয়ে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন জানান, ছাত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে তাদের বাড়ি গিয়ে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করলে ছাত্রীর মা তাছনুর বেগম মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে মুছলেকা দিয়েছেন।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ