০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল

  • Update Time : ০৯:৫৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আল হেলাল, সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের দুর্নীতিবাজ ডিসি ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করেছেন সুনামগঞ্জের সচেতন নাগরিকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উক্ত কর্মসুচি পালন উপলক্ষ্যে তাৎক্ষনিকভাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক গীতিকবি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আফতাব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক কাজী জাহান, জেলা গীতিকার ফোরামের সভাপতি বাউল শাহজাহান সিরাজ, জেলা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির সাধারণ সম্পাদক জুলাইযোদ্ধা শেখ এমদাদুল হক, শিক্ষক নেতা শামসুল আলম রাসেল, বিএনপি নেতা আব্দুল করিম পাটান, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি ও সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল হেলাল, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও সংস্থার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসান চৌধুরী, দৈনিক খবরপত্র প্রতিনিধি হোসাইন মাহমুদ শাহীন, সাংবাদিক নেতা ছুরত আলী, অতি গুরুতর আহত জুলাইযোদ্ধা মোঃ জহুর আলী, সাংবাদিক শফিকুল বারী, জুলাইযোদ্ধা রহমত আলী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জহীর আহমদ সোহেলসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিগন। সভায় বক্তারা, ইতিমধ্যে বদলীর আদেশ পাওয়া সুনামগঞ্জের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ইলিয়াস মিয়াকে মব সন্ত্রাসের গডফাদার, সংস্কৃতিবিরোধী উগ্র দাম্ভিক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর, বাপপুত ও চাচা ভাতিজার পারিবারিক অপ্রয়োজনীয় পিআইসি বাণিজ্যের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটতরাজের মূলহুতা, দেখার হাওর ও টাংগুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরে ফসলহানীর জন্য একমাত্র দায়ী প্রশাসনিক অফিসার, গরু-মাটি-বালি ও পাথর চোর সিন্ডিকেটের সহযোগী জুলুমবাজ কর্মকর্তা, ঐতিহাসিক সুনামগঞ্জ শত্রুমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে শহরে বিজয় র্যা লী এবং সর্বশেষ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বর্ষবরন অনুষ্ঠানে বাধাপ্রদানকারী দুর্নীতিবাজ স্বৈরাচার জেলা প্রশাসকসহ নজিরবিহিন অনিয়ম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত একজন ঘুষখোর কর্মকর্তা বলে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা এরকম একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে সুনামগঞ্জ হতে বদলীর আদেশ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বক্তারা আরো বলেন, ড. ইলিয়াস মিয়া বাপপুতের ও চাচা ভাতিজার পারিবারিক পিআইসির অনুমোদনদাতা হিসেবে অপ্রয়োজনীয় ২৫০টি পিআইসি বাণিজ্যের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটতরাজের মূলহুতা। তিনি পিআইসির মনিটরিং কমিটিতে সদস্যপদ প্রদান ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসি দিয়ে পোষ্য সাংবাদিক সৃজনের দোকানদারী করেন। তার ব্যর্থতা ও গাফিলতির কারণে দেখার হাওর ও টাংগুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরে পানি প্রবেশ করে ফসলহানী হয়েছে। জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীসহ অনেক মজলুম মানুষের সাথে তিনি অসদাচরন করে নিজেকে একজন ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা হিসেবে প্রমাণ করেছেন। জেলার ৫ প্রধান লোককবির মধ্যমণি গানের সম্রাট বাউল কামাল পাশা,বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম ও জ্ঞানের সাগর দূর্বিণ শাহ এর সমর্থক ভক্ত আশেকান বাউল শিল্পী ও তাদের পরিচালিত সাংস্কৃতিক সংগঠনকে গত দেড়বছরে চরমভাবে অবমূল্যায়ন করেছেন। মহামান্য হাইকোর্টে আদালত অবমাননা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামী হয়েছেন তিনি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশনে সাংসদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করেও তার দুর্দন্ড দাপট প্রভাবের কারণে বিগত দিনে ন্যায়বিচার পাননি তার বিরুদ্ধে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী জেলার ৮৫ জন সাংবাদিককে পাসকার্ড প্রদান থেকে বিরত থেকে তিনি জেলা রিটার্নিং অফিসারের পদটিকেও তার ক্ষমতার অপব্যবহারের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন। মহামান্য হাইকোর্টে শ্রীপুর দেবোত্তর এস্টেট এর দায়েরকৃত মামলার আদেশ লঙ্গনক্রমে তাহিরপুরে খাস কালেকশনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়কারীদের অন্যতম সুবিধাভোগী চাঁদাবাজ তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অবমাননাকারী নাট্যকর্মীদের পূণর্বাসন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতির পদটিকে স্বৈরাচারী কায়দায় ব্যবহার করেছেন। সুনামগঞ্জে স্মরণকালের মাটি, বালি ও পাথরসহ খনিজ সম্পদ লুটতরাজকারী সিন্ডিকেট বাহিনীর প্রধান হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। বক্তারা বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ঐতিহাসিক সুনামগঞ্জ শত্রুমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে শহরে বিজয় র্যা লী করতে অন্যায়ভাবে বিধিনিষেধ প্রদান করেন তিনি। সর্বশেষ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বর্ষবরন অনুষ্ঠানে বাধাপ্রদান করে নিজেকে একজন স্বৈরাচার জেলা প্রশাসক ও উগ্রবাদের ধারক বাহক হিসেবে প্রমাণিত করেন। সচেতন সুনামগঞ্জবাসী বলেন, ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (পরিচিতি নং ১৫৯০৭) পিতা এম.এ মালেক, গ্রাম নতুন সাহেবের চর,ওয়ার্ড নং ০৪, ডাকঘর ও ইউনিয়ন : আকোটেরচর, উপজেলা সদরপুর,জেলা ফরিদপুর, পদবী বিদায়ী জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ এর বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগের আলোকে শাস্তিমূলক বদলী করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর পক্ষ থেকে আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বক্তারা আরো বলেন, ডিসি ইলিয়াস মিয়া সুনামগঞ্জে সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করে কতিপয় সংবাদকর্মীকে নগদ টাকা,পিআইসি মনিটরিং কমিটির সদস্যপদ প্রদান,বিভিন্ন উপজেলায় সাংবাদিক পরিবারকে পিআইসির ভাগভাটোয়ারায় লাভবান করা, বিনাটেন্ডারে ডিসি পার্ক সুবিধা প্রদান, সরকারি বিজ্ঞাপন দান,জেলা শিল্পকলার কমিটিতে সদস্যপদ প্রদানসহ অনৈতিক সুবিধা দিয়ে তার গুনগান প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। সুবিধাভোগী সংবাদকর্মীদেরকে প্রকৃত ত্যাগী বঞ্চিত উপেক্ষিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে আমোদ প্রমোদ করতেন। এক সাংবাদিককে আরেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মারমুখি আচরন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল

Update Time : ০৯:৫৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আল হেলাল, সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের দুর্নীতিবাজ ডিসি ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করেছেন সুনামগঞ্জের সচেতন নাগরিকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উক্ত কর্মসুচি পালন উপলক্ষ্যে তাৎক্ষনিকভাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাউল দল সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক গীতিকবি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আফতাব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক কাজী জাহান, জেলা গীতিকার ফোরামের সভাপতি বাউল শাহজাহান সিরাজ, জেলা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির সাধারণ সম্পাদক জুলাইযোদ্ধা শেখ এমদাদুল হক, শিক্ষক নেতা শামসুল আলম রাসেল, বিএনপি নেতা আব্দুল করিম পাটান, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি ও সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল হেলাল, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও সংস্থার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসান চৌধুরী, দৈনিক খবরপত্র প্রতিনিধি হোসাইন মাহমুদ শাহীন, সাংবাদিক নেতা ছুরত আলী, অতি গুরুতর আহত জুলাইযোদ্ধা মোঃ জহুর আলী, সাংবাদিক শফিকুল বারী, জুলাইযোদ্ধা রহমত আলী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জহীর আহমদ সোহেলসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিগন। সভায় বক্তারা, ইতিমধ্যে বদলীর আদেশ পাওয়া সুনামগঞ্জের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ইলিয়াস মিয়াকে মব সন্ত্রাসের গডফাদার, সংস্কৃতিবিরোধী উগ্র দাম্ভিক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর, বাপপুত ও চাচা ভাতিজার পারিবারিক অপ্রয়োজনীয় পিআইসি বাণিজ্যের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটতরাজের মূলহুতা, দেখার হাওর ও টাংগুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরে ফসলহানীর জন্য একমাত্র দায়ী প্রশাসনিক অফিসার, গরু-মাটি-বালি ও পাথর চোর সিন্ডিকেটের সহযোগী জুলুমবাজ কর্মকর্তা, ঐতিহাসিক সুনামগঞ্জ শত্রুমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে শহরে বিজয় র্যা লী এবং সর্বশেষ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বর্ষবরন অনুষ্ঠানে বাধাপ্রদানকারী দুর্নীতিবাজ স্বৈরাচার জেলা প্রশাসকসহ নজিরবিহিন অনিয়ম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত একজন ঘুষখোর কর্মকর্তা বলে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা এরকম একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে সুনামগঞ্জ হতে বদলীর আদেশ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বক্তারা আরো বলেন, ড. ইলিয়াস মিয়া বাপপুতের ও চাচা ভাতিজার পারিবারিক পিআইসির অনুমোদনদাতা হিসেবে অপ্রয়োজনীয় ২৫০টি পিআইসি বাণিজ্যের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটতরাজের মূলহুতা। তিনি পিআইসির মনিটরিং কমিটিতে সদস্যপদ প্রদান ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসি দিয়ে পোষ্য সাংবাদিক সৃজনের দোকানদারী করেন। তার ব্যর্থতা ও গাফিলতির কারণে দেখার হাওর ও টাংগুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরে পানি প্রবেশ করে ফসলহানী হয়েছে। জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীসহ অনেক মজলুম মানুষের সাথে তিনি অসদাচরন করে নিজেকে একজন ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা হিসেবে প্রমাণ করেছেন। জেলার ৫ প্রধান লোককবির মধ্যমণি গানের সম্রাট বাউল কামাল পাশা,বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম ও জ্ঞানের সাগর দূর্বিণ শাহ এর সমর্থক ভক্ত আশেকান বাউল শিল্পী ও তাদের পরিচালিত সাংস্কৃতিক সংগঠনকে গত দেড়বছরে চরমভাবে অবমূল্যায়ন করেছেন। মহামান্য হাইকোর্টে আদালত অবমাননা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামী হয়েছেন তিনি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশনে সাংসদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করেও তার দুর্দন্ড দাপট প্রভাবের কারণে বিগত দিনে ন্যায়বিচার পাননি তার বিরুদ্ধে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী জেলার ৮৫ জন সাংবাদিককে পাসকার্ড প্রদান থেকে বিরত থেকে তিনি জেলা রিটার্নিং অফিসারের পদটিকেও তার ক্ষমতার অপব্যবহারের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন। মহামান্য হাইকোর্টে শ্রীপুর দেবোত্তর এস্টেট এর দায়েরকৃত মামলার আদেশ লঙ্গনক্রমে তাহিরপুরে খাস কালেকশনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়কারীদের অন্যতম সুবিধাভোগী চাঁদাবাজ তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অবমাননাকারী নাট্যকর্মীদের পূণর্বাসন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতির পদটিকে স্বৈরাচারী কায়দায় ব্যবহার করেছেন। সুনামগঞ্জে স্মরণকালের মাটি, বালি ও পাথরসহ খনিজ সম্পদ লুটতরাজকারী সিন্ডিকেট বাহিনীর প্রধান হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। বক্তারা বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ঐতিহাসিক সুনামগঞ্জ শত্রুমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে শহরে বিজয় র্যা লী করতে অন্যায়ভাবে বিধিনিষেধ প্রদান করেন তিনি। সর্বশেষ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বর্ষবরন অনুষ্ঠানে বাধাপ্রদান করে নিজেকে একজন স্বৈরাচার জেলা প্রশাসক ও উগ্রবাদের ধারক বাহক হিসেবে প্রমাণিত করেন। সচেতন সুনামগঞ্জবাসী বলেন, ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (পরিচিতি নং ১৫৯০৭) পিতা এম.এ মালেক, গ্রাম নতুন সাহেবের চর,ওয়ার্ড নং ০৪, ডাকঘর ও ইউনিয়ন : আকোটেরচর, উপজেলা সদরপুর,জেলা ফরিদপুর, পদবী বিদায়ী জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ এর বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগের আলোকে শাস্তিমূলক বদলী করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানকে সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর পক্ষ থেকে আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বক্তারা আরো বলেন, ডিসি ইলিয়াস মিয়া সুনামগঞ্জে সাংবাদিকদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করে কতিপয় সংবাদকর্মীকে নগদ টাকা,পিআইসি মনিটরিং কমিটির সদস্যপদ প্রদান,বিভিন্ন উপজেলায় সাংবাদিক পরিবারকে পিআইসির ভাগভাটোয়ারায় লাভবান করা, বিনাটেন্ডারে ডিসি পার্ক সুবিধা প্রদান, সরকারি বিজ্ঞাপন দান,জেলা শিল্পকলার কমিটিতে সদস্যপদ প্রদানসহ অনৈতিক সুবিধা দিয়ে তার গুনগান প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। সুবিধাভোগী সংবাদকর্মীদেরকে প্রকৃত ত্যাগী বঞ্চিত উপেক্ষিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে আমোদ প্রমোদ করতেন। এক সাংবাদিককে আরেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মারমুখি আচরন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ