নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম : প্রধানমন্ত্রী
- Update Time : ০৭:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেবলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচনকমিশন একটি অংশগ্রহণমূলক অবাধ, সুষ্ঠু এবংনিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম হবে।জার্মানির পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নিলস অ্যানেন বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা একথা বলেন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালেপ্রধানমন্ত্রর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সকল রাজনৈতিক দল, প্রশাসনএবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমর্থন ও সহযোগিতায়একটি অংশগ্রহণমূলক অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষজাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম হবে।
ইহসানুল করিম বলেন, তাঁরা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, আগামীর নির্বাচন, রোহিঙ্গা ইস্যুএবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার বিভিন্নখাত নিয়ে আলোচনা করেন।
‘আমাদের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন এবংইতোমধ্যে এই কমিশন সারাদেশের জাতীয় এবংস্থানীয় সরকার পর্যায়ের ৬ হাজারেরও বেশিনির্বাচন সম্পন্ন করেছে। এসব নির্বাচনে কমিশনেরনিরপেক্ষতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই এবং এসবনির্বাচনে কখনো আমরা এবং কখনো তারা (বিরোধী দল) জয়ী হয়েছে’, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যউদ্বৃত করে একথা বলেন প্রেস সচিব।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রেরপুনঃপ্রবর্তনে তাঁর দলের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।দলটি সামরিক শাসনে ক্রমাগত ভুগান্তির সম্মুখীনহয়। সামরিক শাসনে এদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াএবং প্রতিষ্ঠানসমূহ ভেঙ্গে পড়েছিল।
জার্মান মন্ত্রী বলেন, এটাই তার বাংলাদেশে প্রথমসফর। তিনি আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ দেশেরসৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেছেন।তিনি এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশেরবন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জার্মান মন্ত্রী, ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উন্নয়ন এবংএটি বাস্তবায়নে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরেরজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় জার্মান কোম্পানীর মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীনএই প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জার্মান মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেবাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়শীপ্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি কারিগরি শিক্ষারবিষয়ে জার্মানির দীর্ঘ ঐতিহ্য থাকার বিষয়টিউল্লেখ করে এ বিষয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতাবাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময়ের আগ্রহ ব্যাক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিককারণে আশ্রয় প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু, সংখ্যায়তারা স্থানীয় জনগণকেও ছাপিয়ে গেছে এবংতাদের সনাক্তকরণের জন্য রেজিস্ট্রেশনের পরপরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ এইরোহিঙ্গা সমস্যার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানেরপ্রত্যাশী।
তাঁর সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকেসহযোগিতা অব্যাহত রাখবে জানিয়ে জার্মান মন্ত্রীবলেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সরকারের জন্যব্যাপক সমস্যা।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর জার্মান সফরের কথা স্মরণ করেজার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলকে তাঁরসুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণজানান।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান,প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্যসমন্বয়ক মো. আবুল কালম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীরসামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদজয়নুল আবেদীন, জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতইমতিয়াজ আহমেদ এবং বাংলাদেশের জার্মানিররাষ্ট্রদূত ড. টমাস প্রিন্জ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



























