নববর্ষের অনুষ্ঠান চলবে বিকাল পর্যন্ত
- Update Time : ১২:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আগামী ১৪ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষ। সারা দেশে চিরায়ত বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এরই মধ্যে। তবে, নিরাপত্তার জন্য এবার সময়সীমার রাশ টানা হচ্ছে। রাজধানীর রমনা বটমূলে নববর্ষের মূল অনুষ্ঠানসহ সারা দেশে উন্মুক্ত স্থানে এ অনুষ্ঠান চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে আয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একই সময়সীমা। তবে, রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরের জন্য ভিন্ন সময়সূচি। সেখানে নববর্ষের অনুষ্ঠান চলবে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। শুধু সময় নয়। রয়েছে আরো কিছু বিধিনিষেধ। বাজানো যাবে না ভুভুজেলা। দুর্বৃত্তদের অপ্রীতিকর কার্যকলাপ এড়াতে মুখোশ মুখে নয়, হাতে রাখতে বলা হয়েছে। ইভটিজিং রোধে থাকছে মোবাইল কোর্টও। গতকাল সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠানটি রমনা বটমূলে করবে ছায়ানট। এ ছাড়া রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠান হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ ও টিএসসির অনুষ্ঠান অবশ্যই ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। শুধু রবীন্দ্র সরোবরে চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে। দুষ্কৃতিকারীরা মুখোশ ব্যবহার করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য এটি মুখে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হিসেবে বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শন করা যাবে। রমনা বটমূলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। হাতিরঝিল, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ অন্যান্য এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। পথচারীদের বিরক্তির পাশাপাশি অনেক সময় ইভটিজিংয়ে ব্যবহার হওয়ায় ভুভুজেলা বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার জন্য রমনা লেক ও হাতিরঝিল এলাকায় ডুবুরি, দমকল বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। অনুষ্ঠানস্থলে ম্যাচ ও লাইটার নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। মোটরসাইকেল ব্যতীত একজনের বেশি ও ব্যাকপ্যাক বহন করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়াও আয়োজকদের নিজস্ব নিরাপত্তা থাকবে। সারা দেশে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মঙ্গল শোভাযাত্রা, মেলা প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতি উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। এসব অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সবার কার্যকর ভূমিকা থাকবে বলে আশা করছেন তিনি। ওই বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. জাবেদ পাটোয়ারী, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।




























