ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেন হবে নিজস্ব অর্থায়নে- অর্থমন্ত্রী
- Update Time : ০২:২১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: পদ্মা সেতুর মতো ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেন প্রকল্পের কাজও সরকার নিজস্ব অর্থায়নে করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোর লেন প্রকল্পে কিছু সমস্যা হয়েছে। চীন এ প্রকল্পকে ব্লাক লিস্টে দিয়েছে। চীন অর্থায়ন করবে না। তাই এই প্রকল্প এখন আমরা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করব।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (বিডিএফ) আসন্ন বৈঠক উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বুধবার দুদিনব্যাপী এ বৈঠকের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিদেশি নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমে আসছে। এক সময় আমাদের জিডিপির একটা বড় অংশই থাকত ফরেন এইড। এখন সেটা কমে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। আমাদের নিজস্ব সম্পদ বেড়েছে। আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছি। আর সে কারণেই আমরা পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থে বাস্তবায়ন করছি। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পে চীনের অর্থায়ন নিয়ে সমস্যা হয়েছে। এর কাজও আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থে করব।
সার্ভিস লেনসহ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করতে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর চীন সরকারের মনোনীত কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়।
চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ট্যাং কিয়াওলিয়াং এবং সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান ওই চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, কাঁচপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ২২৬ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। মহাসড়কের উভয় পাশে সার্ভিস লেন থাকবে।
চীন সরকারের অর্থায়নে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি প্রকল্পটি ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে বলে তখন বলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী প্রকল্পের জন্য একটি কারিগরি ও নেগোসিয়েশন কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিকভাবে ব্যয় ১৭ হাজার কোটি টাকা ধরা হলেও বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কমিটি পরে প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করবে বলেও জানানো হয়েছিল।
প্রকল্পের আওতায় ছোট আকারের ৬০টি সেতু, চারটি ফ্লাইওভার ও ২৭টি বক্স কালভার্ট নির্মাণের কথা রয়েছে।




























