০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কের ঘোষগাঁও সেতুটি বিপদ জনক : ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল

  • Update Time : ০১:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর- শিবগঞ্জ ভায়া বেগমপুর সড়কের নলজুর নদীর ঘোষগাঁও সেতুর এ্যাপ্রোচ ধ্বসে যাওয়ায় বিপদ জনক এ্যাপ্রোচ দিয়ে যানবাহনসহ লোকজন যাতায়াত করছেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির দু-পাশের এ্যাপ্রোচ দিয়ে ঝুকিপূর্নভাবে যানবাহন চলাচল করায় প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক ২০১৩ সালে ১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ১৫৯.১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গ্রার্ডার সেতুটি নির্মিত হওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলার দক্ষিন অঞ্চল আশারকান্দি, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি জেলা শহর থেকে এ সড়ক দিয়ে ওসমানীনগর উপজেলার বেগমপুর হয়ে রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াত সহজ হয়। সেতুটি নির্মিত হওয়ায় জনসাধারন উপকৃত হলেও সেতুটির পূর্বপাড়ের এ্যাপ্রোচের মাটি ধ্বসে নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। ফলে সেতুটির একপাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটির এ্যাপ্রোচের বিশাল গর্তের মধ্যে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও যে কোন মুহুর্তে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। সেতুটির পশ্চিম পাড়ে এ্যাপ্রোচের সাথে রানীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংযোগ স্থানে ব্যক্তি মালিকানাধীন ভুমি থাকায় সেতুটি দিয়ে পুরো দমে যানবাহন চলাচল শুরু না হলেও নদী ভাঙ্গন কবলিত তীরবর্তী স্থান দিয়ে ঝুকিপূর্নভাবে সিএনজি, অটোরিক্সা, মটর সাইকেল, প্রাইভেট কারসহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করে থাকে। প্রতিদিন সেতুটির পশ্চিম পাড়েরর এ্যাপ্রোচে এসব যানবাহন দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে থাকে। এছাড়াও বাদাউড়া ও নলজুর নদীর ভাঙ্গনের কবলে সেতুটির আশ-পাশ এলাকায় ঘর-বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্টান নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। এদিকে ঘোষগাঁও সেতুর এ্যাপ্রোচ ছাড়াও ঘোষগাঁও হতে বেগমপুর পর্যন্ত এ সড়কের প্রতিটি ছোট বড় ব্রীজ গুলোর এ্যাপ্রোচ ধেবে যাওয়ায় বিপদজনক অবস্থায় যানবাহনগুলো চলাচল করছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ঘোষগাঁও এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম রিজু জানান, ঘোষগাঁও সেতুটি নির্মিত হওয়ায় এ অঞ্চলের জনসাধারনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। ঘোষগাঁও সেতুটি এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্তের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানানো হয়েছে। এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, ঘোষগাঁও সেতুটি নির্মিত হওয়ার পর দ্বিতীয় বারের মতো এ্যাপ্রোচে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নদী ভাঙ্গনের কারনে সেতুটির এ্যাপ্রোচ স্থানে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেতুটির এ্যাপ্রোচ সংস্কারে ইতি মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কের ঘোষগাঁও সেতুটি বিপদ জনক : ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল

Update Time : ০১:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর- শিবগঞ্জ ভায়া বেগমপুর সড়কের নলজুর নদীর ঘোষগাঁও সেতুর এ্যাপ্রোচ ধ্বসে যাওয়ায় বিপদ জনক এ্যাপ্রোচ দিয়ে যানবাহনসহ লোকজন যাতায়াত করছেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির দু-পাশের এ্যাপ্রোচ দিয়ে ঝুকিপূর্নভাবে যানবাহন চলাচল করায় প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক ২০১৩ সালে ১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ১৫৯.১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গ্রার্ডার সেতুটি নির্মিত হওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলার দক্ষিন অঞ্চল আশারকান্দি, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি জেলা শহর থেকে এ সড়ক দিয়ে ওসমানীনগর উপজেলার বেগমপুর হয়ে রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াত সহজ হয়। সেতুটি নির্মিত হওয়ায় জনসাধারন উপকৃত হলেও সেতুটির পূর্বপাড়ের এ্যাপ্রোচের মাটি ধ্বসে নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। ফলে সেতুটির একপাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটির এ্যাপ্রোচের বিশাল গর্তের মধ্যে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও যে কোন মুহুর্তে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। সেতুটির পশ্চিম পাড়ে এ্যাপ্রোচের সাথে রানীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংযোগ স্থানে ব্যক্তি মালিকানাধীন ভুমি থাকায় সেতুটি দিয়ে পুরো দমে যানবাহন চলাচল শুরু না হলেও নদী ভাঙ্গন কবলিত তীরবর্তী স্থান দিয়ে ঝুকিপূর্নভাবে সিএনজি, অটোরিক্সা, মটর সাইকেল, প্রাইভেট কারসহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করে থাকে। প্রতিদিন সেতুটির পশ্চিম পাড়েরর এ্যাপ্রোচে এসব যানবাহন দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে থাকে। এছাড়াও বাদাউড়া ও নলজুর নদীর ভাঙ্গনের কবলে সেতুটির আশ-পাশ এলাকায় ঘর-বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্টান নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। এদিকে ঘোষগাঁও সেতুর এ্যাপ্রোচ ছাড়াও ঘোষগাঁও হতে বেগমপুর পর্যন্ত এ সড়কের প্রতিটি ছোট বড় ব্রীজ গুলোর এ্যাপ্রোচ ধেবে যাওয়ায় বিপদজনক অবস্থায় যানবাহনগুলো চলাচল করছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ঘোষগাঁও এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম রিজু জানান, ঘোষগাঁও সেতুটি নির্মিত হওয়ায় এ অঞ্চলের জনসাধারনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। ঘোষগাঁও সেতুটি এ্যাপ্রোচ বিধ্বস্তের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানানো হয়েছে। এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, ঘোষগাঁও সেতুটি নির্মিত হওয়ার পর দ্বিতীয় বারের মতো এ্যাপ্রোচে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নদী ভাঙ্গনের কারনে সেতুটির এ্যাপ্রোচ স্থানে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেতুটির এ্যাপ্রোচ সংস্কারে ইতি মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ