০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ১ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • Update Time : ১২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মীরপুর ইউনিয়নের আধূয়া গ্রামে দু-পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত হওয়ার ঘটনায় আব্দুল মুক্তারের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামি রিপন মিয়ার ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই কবির উদ্দিন আসামি আরমুছ আলীর পুত্র রিপন মিয়া (৩২) কে ৫দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলে মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানী শেষে ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি আব্দূন নূর, ফয়জুল ইসলাম, ইমরান মিয়া ও আপ্তাব আলী আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে আদালত শুনানী শেষে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের পর পুলিশ আধুয়া গ্রামের অভিযান চালিয়ে মৃত আর্শ্বাদ উল্ল্যার পুত্র আব্দূন নূর, মৃত গৌছ আলীর পুত্র ফয়জুল ইসলাম, আরমুছ আলীর পুত্র ইমরান মিয়া ও রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামি জবারক আলীর পুত্র আপ্তাব আলী গত ২জানুয়ারী আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন। এদিকে আব্দুল মুক্তার জানান, আসামী রিপন মিয়া এলাকার চিহিৃত অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী। প্রতিপক্ষ ফয়জুল ইসলামের কিছু লোক আদালত থেকে জামিনে এসে পুনরায় আমাদের মালিকানাধীন ভূমির উপর দিয়ে গরু নিয়ে আসা করছে। এবং আমাদের লোকদের উপর হামলা ও বাড়িঘর লুটপাটসহ ক্ষতিগ্রস্থ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এব্যাপারে সুনামগঞ্জের নির্বাহী আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের আধুয়া গ্রামের আব্দুল মুক্তারের পক্ষের জমশেদ মিয়াসহ ২৮পরিবারের মালিকানাধীন ভুমি দিয়ে প্রতিপক্ষ ফয়জুল ইসলাম ও তার লোকজন জোর পূর্বক মাঠে গরু আনা নেয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে দু-পক্ষের সংঘর্ষে জমশেদ মিয়ার পক্ষের লোকজন গুলিবিদ্ধসহ দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৪০জন আহত হন। এদের মধ্যে আব্দুল মুক্তারের পক্ষের আহত সুবরাজ আলীর (৫৫) বাম চোঁখ উপড়ে যায়। সংঘর্ষের ঘটনায় আধূয়া গ্রামের তরিক উল্ল্যার পুত্র আব্দুল মুক্তার বাদি হয়ে একই গ্রামের মৃত গৌছ আলীর পুত্র ফয়জুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ১৮জনের বিরুদ্ধে এবং মৃত গৌছ আলীর পুত্র নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে আব্দুল মন্নানের পুত্র ফয়ছল আহমদকে প্রধান আসামি করে ২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় ১ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

Update Time : ১২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মীরপুর ইউনিয়নের আধূয়া গ্রামে দু-পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত হওয়ার ঘটনায় আব্দুল মুক্তারের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামি রিপন মিয়ার ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই কবির উদ্দিন আসামি আরমুছ আলীর পুত্র রিপন মিয়া (৩২) কে ৫দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলে মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানী শেষে ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি আব্দূন নূর, ফয়জুল ইসলাম, ইমরান মিয়া ও আপ্তাব আলী আদালতে জামিনের প্রার্থনা করলে আদালত শুনানী শেষে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের পর পুলিশ আধুয়া গ্রামের অভিযান চালিয়ে মৃত আর্শ্বাদ উল্ল্যার পুত্র আব্দূন নূর, মৃত গৌছ আলীর পুত্র ফয়জুল ইসলাম, আরমুছ আলীর পুত্র ইমরান মিয়া ও রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামি জবারক আলীর পুত্র আপ্তাব আলী গত ২জানুয়ারী আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন। এদিকে আব্দুল মুক্তার জানান, আসামী রিপন মিয়া এলাকার চিহিৃত অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী। প্রতিপক্ষ ফয়জুল ইসলামের কিছু লোক আদালত থেকে জামিনে এসে পুনরায় আমাদের মালিকানাধীন ভূমির উপর দিয়ে গরু নিয়ে আসা করছে। এবং আমাদের লোকদের উপর হামলা ও বাড়িঘর লুটপাটসহ ক্ষতিগ্রস্থ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এব্যাপারে সুনামগঞ্জের নির্বাহী আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের আধুয়া গ্রামের আব্দুল মুক্তারের পক্ষের জমশেদ মিয়াসহ ২৮পরিবারের মালিকানাধীন ভুমি দিয়ে প্রতিপক্ষ ফয়জুল ইসলাম ও তার লোকজন জোর পূর্বক মাঠে গরু আনা নেয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে দু-পক্ষের সংঘর্ষে জমশেদ মিয়ার পক্ষের লোকজন গুলিবিদ্ধসহ দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৪০জন আহত হন। এদের মধ্যে আব্দুল মুক্তারের পক্ষের আহত সুবরাজ আলীর (৫৫) বাম চোঁখ উপড়ে যায়। সংঘর্ষের ঘটনায় আধূয়া গ্রামের তরিক উল্ল্যার পুত্র আব্দুল মুক্তার বাদি হয়ে একই গ্রামের মৃত গৌছ আলীর পুত্র ফয়জুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ১৮জনের বিরুদ্ধে এবং মৃত গৌছ আলীর পুত্র নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে আব্দুল মন্নানের পুত্র ফয়ছল আহমদকে প্রধান আসামি করে ২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ