জগন্নাথপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধার দাফন!
- Update Time : ০৯:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা দাবিদারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের রাণীগঞ্জ বাজার এলাকার বাসিন্দা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা দাবিদার মজমিল আলী (৭৫) ইন্তেকাল করেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, মজমিল আলীকে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সবাই জানতেন। তবে মৃত্যুর পর তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে মজমিল আলীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমার পিতা মজমিল আলী একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমার পিতাকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিক অধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী ও মেজর মোতালিবের চিঠি সহ বিভিন্ন কাগজ পত্র থাকা সত্বেও স্থানীয় কিছু সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধাদের অসহযোগিতার কারণে আমার পিতার নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়নি। এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। তবে আমার পিতাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের জন্য অনেক অপেক্ষা করে অবশেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই স্থানীয়ভাবে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল কাইয়ূম বলেন, মজমিল আলী মুক্তিযোদ্ধা না হওয়ায় তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ১৯৭১ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাণীগঞ্জ বাজারে শান্তি কমিটির আহবানে পাক বাহিনী কর্তৃক হত্যা যজ্ঞের ঘটনায় শতাধিক জনতা শহীদ হন এবং অনেকে আহত অবস্থায় বেঁচে গিয়ে ছিলেন। এ সময় মজমিল আলী পঙ্গু হয়ে ছিলেন। তবে তিনি কোথাও মুক্তিযুদ্ধ করেননি।




























