১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মুসল্লিরা খতমে তারাবী ও ফজরের নামাজ অাদায়ে লায়লাতুল কদর পালিত

  • Update Time : ০২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুন ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক টানা বৃষ্টি অপেক্ষা করে মুসল্লিরা খতমে তারাবী ও ফজরের নামাজের মধ্যদিয়ে জিন্দা- মুর্দার মাগফেরাত কামনায় মহিমান্বিত রজনী লায়লাতুল কদর পালিত হয়েছে।

 

মহিমান্বিত রজনী লায়লাতুল কদর এর রাত উপজেলার সব মসজিদে মসজিদে অতি বৃষ্টি অপেক্ষা করে নামাজ পড়তে মুসল্লিমদদের উপস্থিতিতে মসজিদের বারান্দাগুলোতে ছিলনা কোন জায়গায় খালি।

 

ইসলামে যে রাতকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলা হয়েছে, ভুল-ভ্রান্তি-গুনাহ মাফ চেয়ে মুসলিম উম্মাহ। তাই বিনিদ্র রাত কাটিয়ে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট।

 

এই রাতে পবিত্র কোরআন শরীফ অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন দেশের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময়ে এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, শবে কদরের রাতে ইবাদত করলে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। এই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।

 

২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন।

 

রাতটিকে কেন্দ্র করে জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেটসহ সারাদেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ নামাজ, জিকির ও তসবিহ তাহলিলে সামিল হন মুসল্লীরা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি  কামনায় প্রায় প্রতিটি মসজিদেই সারা রাত ইবাদত-বন্দেগিতে রাতটি পার করেছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।

 

জগন্নাথপুর উপজেলার দরগাহে হযরত শাহ সৈয়দ শামছুদ্দিন রহ. জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব শায়খুল হাদিস অাল্লামা অাব্দুর রাজ্জাক শায়খে সৈয়দপুরী, দেশ-বিদেশের জিন্দা- মুর্দার মাগফিত কামনা, দেশ- জাতীর শান্তি ও কল্যান কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে মুসল্লিরা খতমে তারাবী ও ফজরের নামাজ অাদায়ে লায়লাতুল কদর পালিত

Update Time : ০২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুন ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক টানা বৃষ্টি অপেক্ষা করে মুসল্লিরা খতমে তারাবী ও ফজরের নামাজের মধ্যদিয়ে জিন্দা- মুর্দার মাগফেরাত কামনায় মহিমান্বিত রজনী লায়লাতুল কদর পালিত হয়েছে।

 

মহিমান্বিত রজনী লায়লাতুল কদর এর রাত উপজেলার সব মসজিদে মসজিদে অতি বৃষ্টি অপেক্ষা করে নামাজ পড়তে মুসল্লিমদদের উপস্থিতিতে মসজিদের বারান্দাগুলোতে ছিলনা কোন জায়গায় খালি।

 

ইসলামে যে রাতকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলা হয়েছে, ভুল-ভ্রান্তি-গুনাহ মাফ চেয়ে মুসলিম উম্মাহ। তাই বিনিদ্র রাত কাটিয়ে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট।

 

এই রাতে পবিত্র কোরআন শরীফ অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন দেশের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময়ে এক হাজার মাস ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, শবে কদরের রাতে ইবাদত করলে তার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। এই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।

 

২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবেন।

 

রাতটিকে কেন্দ্র করে জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেটসহ সারাদেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ নামাজ, জিকির ও তসবিহ তাহলিলে সামিল হন মুসল্লীরা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি  কামনায় প্রায় প্রতিটি মসজিদেই সারা রাত ইবাদত-বন্দেগিতে রাতটি পার করেছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।

 

জগন্নাথপুর উপজেলার দরগাহে হযরত শাহ সৈয়দ শামছুদ্দিন রহ. জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব শায়খুল হাদিস অাল্লামা অাব্দুর রাজ্জাক শায়খে সৈয়দপুরী, দেশ-বিদেশের জিন্দা- মুর্দার মাগফিত কামনা, দেশ- জাতীর শান্তি ও কল্যান কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ