০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মানুষের খাদ্য ধানের চেয়ে গরুর খাদ্য খড়ের গুরুত্ব অধিক

  • Update Time : ০২:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মে ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সাদিকুর রাহমান :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কয়েকদিন ধরে আকাশে রোদ্রের দেখা মেলেনি। কখনো আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন আবার মাঝে মাঝে গুটি গুটি বৃষ্টি ছিল কয়েকদিন। সবমিলিয়ে কৃষকরা তাদের ধান এবং খড় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।

 

অনেকের ঘড়ে বস্তাবন্দী ধানে গেঁড়া দেখা গেছে এবং খড় থেকে ধুয়া বের হচ্চে। আকাশে সূর্যের দেখা পাওয়াতে কৃষকরা তাদের ধান এবং খড় শুকানির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বাড়িতে কৃষাণীরা ধান রোদ্রে দিচ্ছেন আর মাঠে কৃষকরা তাদের গবাদিপশুর খাদ্য খড় শুকাচ্ছেন।

 

একজন কৃষকের সাথে দেখা হলে তিনি জানান, মানুষের খাদ্য যেমন তেমন গরু ছাগলের খাদ্যের গুরুত্ব অধিক। মানুষের খাদ্য নিয়ে চিন্তার কারণ নেই কেননা এবার বৈশাখ মাসে ভালোই ধান পেয়েছি বছর ঘুরবে তবে যদি গরুর খাদ্য যোগাড় করে না রাখি বর্ষাকালে গরু পালা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

 

হাওরে সরজমিনে পরিদর্শনকালে অন্যান্য কৃষকরাও খড়ের গুরুত্ব অধিক দিয়ে খড় শুকাতে ব্যস্ত দেখাগেছে।

 

কয়েক দিন পর আকাশে রোদ্রের দেখা পেয়ে কৃষকরা বুকভরা মনের আনন্দে খড় শুকাচ্ছেন।

 

সবমিলিয়ে আজ রোববারও আকাশের অবস্থা ভালো থাকায় কৃষক- কৃষাণীরা বসে নয় ঘরে, তাদের সোনার ধান ও খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বুকভরা মনের অানন্দ ও অাশা নিয়ে।

 

কৃষক- কৃষণীরা বছরগুরে পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে, নিজের খেতের-জমিনে চাষ করেছিলেন সোনালী ধান। কৃষকরা নিজের কষ্টের শ্রম-ঘামের ফলানো সেই ধান ও খড় নিজ গোলায় তুলতে অাপ্রান চেষ্ঠা চালিয়ে কাজ করে যাচ্চেন।

 

কৃষক পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চারাও খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত দেখাযায় হাওরে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে মানুষের খাদ্য ধানের চেয়ে গরুর খাদ্য খড়ের গুরুত্ব অধিক

Update Time : ০২:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মে ২০১৮

সাদিকুর রাহমান :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কয়েকদিন ধরে আকাশে রোদ্রের দেখা মেলেনি। কখনো আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন আবার মাঝে মাঝে গুটি গুটি বৃষ্টি ছিল কয়েকদিন। সবমিলিয়ে কৃষকরা তাদের ধান এবং খড় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।

 

অনেকের ঘড়ে বস্তাবন্দী ধানে গেঁড়া দেখা গেছে এবং খড় থেকে ধুয়া বের হচ্চে। আকাশে সূর্যের দেখা পাওয়াতে কৃষকরা তাদের ধান এবং খড় শুকানির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বাড়িতে কৃষাণীরা ধান রোদ্রে দিচ্ছেন আর মাঠে কৃষকরা তাদের গবাদিপশুর খাদ্য খড় শুকাচ্ছেন।

 

একজন কৃষকের সাথে দেখা হলে তিনি জানান, মানুষের খাদ্য যেমন তেমন গরু ছাগলের খাদ্যের গুরুত্ব অধিক। মানুষের খাদ্য নিয়ে চিন্তার কারণ নেই কেননা এবার বৈশাখ মাসে ভালোই ধান পেয়েছি বছর ঘুরবে তবে যদি গরুর খাদ্য যোগাড় করে না রাখি বর্ষাকালে গরু পালা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

 

হাওরে সরজমিনে পরিদর্শনকালে অন্যান্য কৃষকরাও খড়ের গুরুত্ব অধিক দিয়ে খড় শুকাতে ব্যস্ত দেখাগেছে।

 

কয়েক দিন পর আকাশে রোদ্রের দেখা পেয়ে কৃষকরা বুকভরা মনের আনন্দে খড় শুকাচ্ছেন।

 

সবমিলিয়ে আজ রোববারও আকাশের অবস্থা ভালো থাকায় কৃষক- কৃষাণীরা বসে নয় ঘরে, তাদের সোনার ধান ও খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বুকভরা মনের অানন্দ ও অাশা নিয়ে।

 

কৃষক- কৃষণীরা বছরগুরে পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে, নিজের খেতের-জমিনে চাষ করেছিলেন সোনালী ধান। কৃষকরা নিজের কষ্টের শ্রম-ঘামের ফলানো সেই ধান ও খড় নিজ গোলায় তুলতে অাপ্রান চেষ্ঠা চালিয়ে কাজ করে যাচ্চেন।

 

কৃষক পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চারাও খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত দেখাযায় হাওরে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ