১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মসজিদ ও সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাধা দেয়ার অভিযোগ

  • Update Time : ১২:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানগর গ্রামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও গ্রামের সরকারি রাস্তায় চলাচলে নিরীহ লোকদের বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে ৬ আগষ্ট সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে পাঠানগর গ্রামবাসীর পক্ষে গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী আবদুল জব্বার ও আরশ আলী স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ প্রদান করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পাঠানগর গ্রামটি নতুন। স্থানীয় বাগময়না ও গন্ধর্বপুর গ্রাম থেকে লোকজন এসে এখানে বসবাস করছেন। পাঠানগর গ্রামের ঠিকানায় কারো কোন ভোটার আইডি কার্ড নেই। তবে ২০১৫/১৬ অর্থ বছরে রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মজলুল হক ও নারী ইউপি সদস্য রুপতেরা বেগমের মাধ্যমে সরকারি ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের অধীনে গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা মাটি ভরাট করা হয়। এ সময় পুরো রাস্তার কাজ শেষ হলেও আইয়ূব আলী নামের এক মালিকের আত্বীয় আবদুল লতিফ বাধা দেয়ায় রাস্তার প্রায় ১০০/১৫০ ফুট জায়গা বাকি থাকে। যে কারণে গ্রামের লোকজন চলাচলে ভোগান্তির শিকার হন।
এর মধ্যে কয়েক দিন ধরে পাঠানগর গ্রামের লোকজনকে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও রাস্তায় চলাচলে বাধা দেন একই গ্রামের মৃত আবদুল মতলিবের ছেলে সুজাত আলী ও তার লোকজন। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও মসজিদে জায়গা দিয়েছেন অভিযোগকারী আবদুল জব্বার। এছাড়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদে ৩ বার সরকারি বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।

 

এদিকে-২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পাঠানগর গ্রামের রাস্তায় মাটি ভরাট কাজের তথ্য পাওয়ার জন্য রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পৃথক আবেদন করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে মসজিদ ও সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাধা দেয়ার অভিযোগ

Update Time : ১২:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানগর গ্রামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও গ্রামের সরকারি রাস্তায় চলাচলে নিরীহ লোকদের বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে ৬ আগষ্ট সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে পাঠানগর গ্রামবাসীর পক্ষে গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী আবদুল জব্বার ও আরশ আলী স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ প্রদান করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পাঠানগর গ্রামটি নতুন। স্থানীয় বাগময়না ও গন্ধর্বপুর গ্রাম থেকে লোকজন এসে এখানে বসবাস করছেন। পাঠানগর গ্রামের ঠিকানায় কারো কোন ভোটার আইডি কার্ড নেই। তবে ২০১৫/১৬ অর্থ বছরে রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মজলুল হক ও নারী ইউপি সদস্য রুপতেরা বেগমের মাধ্যমে সরকারি ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের অধীনে গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা মাটি ভরাট করা হয়। এ সময় পুরো রাস্তার কাজ শেষ হলেও আইয়ূব আলী নামের এক মালিকের আত্বীয় আবদুল লতিফ বাধা দেয়ায় রাস্তার প্রায় ১০০/১৫০ ফুট জায়গা বাকি থাকে। যে কারণে গ্রামের লোকজন চলাচলে ভোগান্তির শিকার হন।
এর মধ্যে কয়েক দিন ধরে পাঠানগর গ্রামের লোকজনকে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও রাস্তায় চলাচলে বাধা দেন একই গ্রামের মৃত আবদুল মতলিবের ছেলে সুজাত আলী ও তার লোকজন। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও মসজিদে জায়গা দিয়েছেন অভিযোগকারী আবদুল জব্বার। এছাড়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদে ৩ বার সরকারি বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।

 

এদিকে-২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পাঠানগর গ্রামের রাস্তায় মাটি ভরাট কাজের তথ্য পাওয়ার জন্য রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পৃথক আবেদন করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ