১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বেড়িবাধ রক্ষায় গভীর ডহর ভরাট

  • Update Time : ০৩:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বেড়িবাধ রক্ষায় এক ইউপি সদস্যের উদ্যোগে গভীর ডহর ভরাট করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানা যায়।

মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওর বেড়িবাধের দাস নোয়াগাঁও এলাকায় পিআইসি নং ১৪ এলাকার গভীর ভাঙনে নির্মাণাধীন বেড়িবাধ অংশের পাশে থাকা ৩০০ ফুট এরিয়া নিয়ে প্রায় ২০ ফুট গভীর কুড়েরপাড় ডহর নামের একটি গভীর খাদে মাটি ভরাট করা হচ্ছে।

এ সময় স্থানীয়রা জানান, বেড়িবাধ রক্ষা করতে হলে এ ডহর ভরাট করতে হবে। তা না হলে এখানে বেড়িবাধ ঠিকবে না। পানির চাপে বাধ ভেঙে হাওর তলিয়ে যাবে। স্থানীয় জনতার চাপের মুখে বাধ্য হয়ে এ ডহরটি ভরাট করছেন বেড়ি বাধের কাজ পাওয়া পিআইসি কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস।

জানতে চাইলে ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস বলেন, এ গভীর ডহর ভরাটে সরকারি কোন বরাদ্দ পাইনি। শুধু বাধের নিরাপত্তার জন্য ডহরটি ভরাট করতে হচ্ছে। এতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ডহর ভরাটের টাকা পেতে আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বেড়িবাধ রক্ষায় গভীর ডহর ভরাট

Update Time : ০৩:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বেড়িবাধ রক্ষায় এক ইউপি সদস্যের উদ্যোগে গভীর ডহর ভরাট করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানা যায়।

মঙ্গলবার সরজমিনে দেখা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওর বেড়িবাধের দাস নোয়াগাঁও এলাকায় পিআইসি নং ১৪ এলাকার গভীর ভাঙনে নির্মাণাধীন বেড়িবাধ অংশের পাশে থাকা ৩০০ ফুট এরিয়া নিয়ে প্রায় ২০ ফুট গভীর কুড়েরপাড় ডহর নামের একটি গভীর খাদে মাটি ভরাট করা হচ্ছে।

এ সময় স্থানীয়রা জানান, বেড়িবাধ রক্ষা করতে হলে এ ডহর ভরাট করতে হবে। তা না হলে এখানে বেড়িবাধ ঠিকবে না। পানির চাপে বাধ ভেঙে হাওর তলিয়ে যাবে। স্থানীয় জনতার চাপের মুখে বাধ্য হয়ে এ ডহরটি ভরাট করছেন বেড়ি বাধের কাজ পাওয়া পিআইসি কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস।

জানতে চাইলে ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস বলেন, এ গভীর ডহর ভরাটে সরকারি কোন বরাদ্দ পাইনি। শুধু বাধের নিরাপত্তার জন্য ডহরটি ভরাট করতে হচ্ছে। এতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ডহর ভরাটের টাকা পেতে আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ