০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে পানির নিচে সড়ক, চোখে কালো চশমা পড়ে আছে কর্তৃপক্ষ

  • Update Time : ১১:৫২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ এপ্রিল ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। যে কারণে জন দুর্ভোগের শেষ নেই। বিশেষ করে জগন্নাথপুর পৌর সদরের পৌর পয়েন্ট থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভবনের সামন পর্যন্ত ভাঙাচোরা সড়কের গর্তে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

এছাড়া পৌর পয়েন্ট থেকে রাণীগঞ্জ রোডের হবিবনগর গ্রাম পর্যন্ত সড়কটি করুন দশায় পরিণত হয়েছে। তা দেখার যেন কেউ নেই। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এ দুই সড়কের মাত্র এক হাজার ফুট সড়কের বেহাল দশার কারণে দিনদিন জন ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বারবার শিরোনাম হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কানে তুলো ও চোখে কালো চশমা পড়ে আছে।

তারা যেন কোন ভাবেই তা কর্ণপাত করতে চায়না। প্রতিনিয়ত এসব সড়ক দিয়ে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত। সড়কের সামান্য ভাঙনের কারণে জন দুর্ভোগের অন্ত নেই। কেন এবং কার স্বার্থে এতো জন ভোগান্তি। জনতা জানতে চায়। কেন সামান্য সড়কের সংস্কার হচ্ছে না বছরের পর বছর ধরে। কেন জনতাকে কষ্ট দিয়ে তামাশা করা হচ্ছে।

এ যেন ইচ্ছে করে জনগণকে কষ্ট দেয়া হচ্ছে। জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের আয়না হচ্ছে পৌর পয়েন্ট। যে কোন মানুষ দেশের যে কোন স্থান থেকে জগন্নাথপুর আসলেই পৌর পয়েন্টে নামতে হয়। এখানেই নেমেই সড়কের বেহাল দশা দেখে মানুষ জগন্নাথপুর বাসীকে মন্দ বলেন।

আর কতদিন জগন্নাথপুর বাসীকে অপমান সহ্য করতে হবে। কবে এ সড়কের কাজ হবে। তা কেউ জানেন না। যদিও সড়কটি সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খোজে পাওয়া যায়না। জগন্নাথপুর বাজারের ব্যবসায়ী সহ ভূক্তভোগী জনতা আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে সড়কের কাজ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তেলা হবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তাছাড়া উপজেলার প্রায় সকল রাস্তাঘাটের করুণ দশার কারণে জন ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে পানির নিচে সড়ক, চোখে কালো চশমা পড়ে আছে কর্তৃপক্ষ

Update Time : ১১:৫২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ এপ্রিল ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। যে কারণে জন দুর্ভোগের শেষ নেই। বিশেষ করে জগন্নাথপুর পৌর সদরের পৌর পয়েন্ট থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভবনের সামন পর্যন্ত ভাঙাচোরা সড়কের গর্তে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

এছাড়া পৌর পয়েন্ট থেকে রাণীগঞ্জ রোডের হবিবনগর গ্রাম পর্যন্ত সড়কটি করুন দশায় পরিণত হয়েছে। তা দেখার যেন কেউ নেই। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এ দুই সড়কের মাত্র এক হাজার ফুট সড়কের বেহাল দশার কারণে দিনদিন জন ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বারবার শিরোনাম হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কানে তুলো ও চোখে কালো চশমা পড়ে আছে।

তারা যেন কোন ভাবেই তা কর্ণপাত করতে চায়না। প্রতিনিয়ত এসব সড়ক দিয়ে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত। সড়কের সামান্য ভাঙনের কারণে জন দুর্ভোগের অন্ত নেই। কেন এবং কার স্বার্থে এতো জন ভোগান্তি। জনতা জানতে চায়। কেন সামান্য সড়কের সংস্কার হচ্ছে না বছরের পর বছর ধরে। কেন জনতাকে কষ্ট দিয়ে তামাশা করা হচ্ছে।

এ যেন ইচ্ছে করে জনগণকে কষ্ট দেয়া হচ্ছে। জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের আয়না হচ্ছে পৌর পয়েন্ট। যে কোন মানুষ দেশের যে কোন স্থান থেকে জগন্নাথপুর আসলেই পৌর পয়েন্টে নামতে হয়। এখানেই নেমেই সড়কের বেহাল দশা দেখে মানুষ জগন্নাথপুর বাসীকে মন্দ বলেন।

আর কতদিন জগন্নাথপুর বাসীকে অপমান সহ্য করতে হবে। কবে এ সড়কের কাজ হবে। তা কেউ জানেন না। যদিও সড়কটি সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খোজে পাওয়া যায়না। জগন্নাথপুর বাজারের ব্যবসায়ী সহ ভূক্তভোগী জনতা আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে সড়কের কাজ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তেলা হবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তাছাড়া উপজেলার প্রায় সকল রাস্তাঘাটের করুণ দশার কারণে জন ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ