০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়াইঘাটে টানা বর্ষণ উপেক্ষা করে জাফলং ও বিছনাকান্দিতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড়

  • Update Time : ০১:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

শাহ আলম, গোয়াইনঘাট থেকে :: বেহাল সড়ক আর টানা বর্ষণ উপেক্ষা করেও পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটন স্পট জাফলং ও বিছনাকান্দিতে। ঈদ পরবর্তী দিন থেকেই ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় করেছেন এ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। একদিকে সড়কের বেহাল দশা অন্য দিকে প্রতিকুল আবহাওয়া। তারপরও যেন থেমে নেই পর্যটকদের বাঁধ ভাঙা উল্লাস। ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে কেউ সপরিবারে কেউবা আবার বন্ধু-বান্ধব সাথে নিয়ে ছুটে এসেছেন এ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। পাশাপাশি সোয়াম ফরেষ্ট রাতারগুল, জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা, পান্তুমাইয়ের ফাটাছড়া ঝর্ণাধারায় ও বিপুল সংখ্যক পর্যটক লক্ষ করা গেছে।আর এসকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য্যে খুব সহজেই আকৃষ্ট করে ভ্রমন পর্যটকদের। এর মধ্যে অন্যতম ও দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিচিতি রয়েছে প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের। প্রকৃতি এখানে প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে পর্যটকদের। কিন্তু বেহাল সড়ক আর টানা বৃষ্টির কারণে পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দে যেন খানিকটা ভাটা পড়েছে।গতকাল সোমবার বিকেলে জাফলং পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে আর বেহাল সড়কের কাঁদা জল মাড়িয়ে কয়েক হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটেছে জাফলংয়ে। জাফলংয়ের প্রধান আকর্ষন ছিল মায়াবী ঝর্ণা। সেখানে ও পর্যটকদের কমতি নেই। ঝর্ণার স্বচ্ছ জলে গাঁ ভিজিয়ে উল্লাস করছেন ভ্রমণপিপাসুরা। ক্যামেরায় ও হাতে থাকা স্মার্ট ফোনে ছবি তুলে ক্যামেরাবন্দি করছেন।গাজীপুর থেকে জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণায় দেখা হয় সেলিম ও জাহানারা নামের এক নব দম্পতির সাথে। তিনি বলেন, ঈদের ছুটি কাটাতে এবারই প্রথম তাদের জাফলংয়ে আসা। রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে একটু খারাপ লাগছিল। তবে জাফলংয়ের সকল সৌন্দর্য দেখার পর সব কষ্টগুলা কমেছে।গোয়াইনঘাটের ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, প্রতি বছরই গোয়াইনঘাটের পর্যটনগুলোতে উপচেপড়া ভিড় থাকে। পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ও নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারে সে লক্ষে গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশ, ট্যুরিষ্ট পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও রোভার স্কাউটরা নিয়োজিত রয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

গোয়াইঘাটে টানা বর্ষণ উপেক্ষা করে জাফলং ও বিছনাকান্দিতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড়

Update Time : ০১:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮

শাহ আলম, গোয়াইনঘাট থেকে :: বেহাল সড়ক আর টানা বর্ষণ উপেক্ষা করেও পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটন স্পট জাফলং ও বিছনাকান্দিতে। ঈদ পরবর্তী দিন থেকেই ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় করেছেন এ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। একদিকে সড়কের বেহাল দশা অন্য দিকে প্রতিকুল আবহাওয়া। তারপরও যেন থেমে নেই পর্যটকদের বাঁধ ভাঙা উল্লাস। ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে কেউ সপরিবারে কেউবা আবার বন্ধু-বান্ধব সাথে নিয়ে ছুটে এসেছেন এ পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। পাশাপাশি সোয়াম ফরেষ্ট রাতারগুল, জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা, পান্তুমাইয়ের ফাটাছড়া ঝর্ণাধারায় ও বিপুল সংখ্যক পর্যটক লক্ষ করা গেছে।আর এসকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য্যে খুব সহজেই আকৃষ্ট করে ভ্রমন পর্যটকদের। এর মধ্যে অন্যতম ও দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিচিতি রয়েছে প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের। প্রকৃতি এখানে প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে পর্যটকদের। কিন্তু বেহাল সড়ক আর টানা বৃষ্টির কারণে পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দে যেন খানিকটা ভাটা পড়েছে।গতকাল সোমবার বিকেলে জাফলং পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে আর বেহাল সড়কের কাঁদা জল মাড়িয়ে কয়েক হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটেছে জাফলংয়ে। জাফলংয়ের প্রধান আকর্ষন ছিল মায়াবী ঝর্ণা। সেখানে ও পর্যটকদের কমতি নেই। ঝর্ণার স্বচ্ছ জলে গাঁ ভিজিয়ে উল্লাস করছেন ভ্রমণপিপাসুরা। ক্যামেরায় ও হাতে থাকা স্মার্ট ফোনে ছবি তুলে ক্যামেরাবন্দি করছেন।গাজীপুর থেকে জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণায় দেখা হয় সেলিম ও জাহানারা নামের এক নব দম্পতির সাথে। তিনি বলেন, ঈদের ছুটি কাটাতে এবারই প্রথম তাদের জাফলংয়ে আসা। রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে একটু খারাপ লাগছিল। তবে জাফলংয়ের সকল সৌন্দর্য দেখার পর সব কষ্টগুলা কমেছে।গোয়াইনঘাটের ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, প্রতি বছরই গোয়াইনঘাটের পর্যটনগুলোতে উপচেপড়া ভিড় থাকে। পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ও নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারে সে লক্ষে গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশ, ট্যুরিষ্ট পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও রোভার স্কাউটরা নিয়োজিত রয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ