০৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ৬০০ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • Update Time : ০৩:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬০০ অভিবাসন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। তাদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি শ্রমিক পাচারে জড়িত বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন। একবারে এতো জনকে বদলি করা প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি জানিয়েছেন, পাচারচক্রে জড়িত আছে গুটিকয়েক ব্যক্তি। এসব কর্মকর্তা ‘অভিবাসন বন্ধুদের’ সঙ্গে যোগসাজশে তারা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের পাচার করে। তবে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে কতজন পাচারচক্রে জড়িত উপ-প্রধানমন্ত্রী সে সংখ্যা প্রকাশ করেন নি। ড. আহমাদ জাহিদ আরো বলেন, বাকি কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে স্থানান্তরের সরকারি নীতি মোতাবেক। এ খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার দৈনিক স্টার ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমস। খবরে বলা হয়, কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশি শ্রমিক পাচারে চারটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন বিষয়ক মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী এ ইস্যুতে যেভাবে কাজ করছেন তাতে আমি সন্তুষ্ট। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, নিজেদের দায়িত্বে নিবেদিতপ্রাণ আরো কয়েক হাজার অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তা আছেন। তারা তাদের কাজে একনিষ্ঠ। উল্লেখ্য, এশিয়ার শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া হলো খুবই আকর্ষণীয় দেশ। জুনে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মালয়েশিয়াতে বৈধ কাজের অনুমতি নিয়ে অবস্থান করছেন ১৭ লাখ ৮০ হাজার অভিবাসী শ্রমিক। এর বেশির ভাগই ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও বাংলাদেশের। শ্রম বিষয়ক বিভিন্ন সূত্র বলেছে, এর বাইরে ১০ লাখের বেশি বিদেশি শ্রমিক আছেন। তবে তাদের কাজ করার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাচার করে নেয়ার অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এর মধ্যে দু’জন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। দুজন বিদেশি নাগরিক। জাহিদ হামিদ বলেন, এক্ষেত্রে আমরা পুলিশ ও মালয়েশিয়ার দুর্নীতি বিষয়ক কমিশনকে তদন্তে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছি। আইনের এভাবে লঙ্ঘন আমরা সহ্য করবো না। কারণ, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জাতীয় নিরাপত্তা। উল্লেখ্য, প্রতিদিন কুয়ালালামপুর ও ঢাকার মধ্যে চলাচল করে ৩৮টি ফ্লাইট। ধারণা করা হয়, প্রতিজন শ্রমিককে পাচার করে নিতে সিন্ডিকেট হাতিয়ে নেয় ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার রিঙ্গিত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ৬০০ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

Update Time : ০৩:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

ডেস্ক রিপোর্ট :: কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬০০ অভিবাসন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। তাদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি শ্রমিক পাচারে জড়িত বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন। একবারে এতো জনকে বদলি করা প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি জানিয়েছেন, পাচারচক্রে জড়িত আছে গুটিকয়েক ব্যক্তি। এসব কর্মকর্তা ‘অভিবাসন বন্ধুদের’ সঙ্গে যোগসাজশে তারা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের পাচার করে। তবে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে কতজন পাচারচক্রে জড়িত উপ-প্রধানমন্ত্রী সে সংখ্যা প্রকাশ করেন নি। ড. আহমাদ জাহিদ আরো বলেন, বাকি কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে স্থানান্তরের সরকারি নীতি মোতাবেক। এ খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার দৈনিক স্টার ও দ্য স্ট্রেইটস টাইমস। খবরে বলা হয়, কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশি শ্রমিক পাচারে চারটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন বিষয়ক মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী এ ইস্যুতে যেভাবে কাজ করছেন তাতে আমি সন্তুষ্ট। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, নিজেদের দায়িত্বে নিবেদিতপ্রাণ আরো কয়েক হাজার অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তা আছেন। তারা তাদের কাজে একনিষ্ঠ। উল্লেখ্য, এশিয়ার শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়া হলো খুবই আকর্ষণীয় দেশ। জুনে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মালয়েশিয়াতে বৈধ কাজের অনুমতি নিয়ে অবস্থান করছেন ১৭ লাখ ৮০ হাজার অভিবাসী শ্রমিক। এর বেশির ভাগই ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও বাংলাদেশের। শ্রম বিষয়ক বিভিন্ন সূত্র বলেছে, এর বাইরে ১০ লাখের বেশি বিদেশি শ্রমিক আছেন। তবে তাদের কাজ করার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাচার করে নেয়ার অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এর মধ্যে দু’জন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। দুজন বিদেশি নাগরিক। জাহিদ হামিদ বলেন, এক্ষেত্রে আমরা পুলিশ ও মালয়েশিয়ার দুর্নীতি বিষয়ক কমিশনকে তদন্তে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছি। আইনের এভাবে লঙ্ঘন আমরা সহ্য করবো না। কারণ, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জাতীয় নিরাপত্তা। উল্লেখ্য, প্রতিদিন কুয়ালালামপুর ও ঢাকার মধ্যে চলাচল করে ৩৮টি ফ্লাইট। ধারণা করা হয়, প্রতিজন শ্রমিককে পাচার করে নিতে সিন্ডিকেট হাতিয়ে নেয় ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার রিঙ্গিত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ