০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে খালেদা জিয়া, নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

  • Update Time : ০৩:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সোমবার উখিয়ায় বালুখালি পানবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বালুখালি-২, হাকিমপাড়া ও শফি উল্লাহকাটা ঢালা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

 

 

তিনি রবিবার চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে এসে রাত্রিযাপন করছেন। বিশাল গাড়িবহর নিয়ে দুপুর সোয়া ১২টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ হতে যাত্রা করে কক্সবাজার পৌঁছুতে তার সময় লাগে প্রায় ৯ ঘন্টা । ১৫২ কিলোমিটার সড়কের স্থানে স্থানে খালেদা জিয়াকে এক নজর দেখতে ও সংবর্ধনা জানাতে আসা জনারণ্যের চাপে বহরের গাড়ীগুলোকে ধীর গতিতে অগ্রসর হতে হয়েছে। পথের কয়েকটি স্থানে মঞ্চ পাতা থাকলেও কোথাও বক্তব্য দেননি তিনি। তাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়ির চাকায় ত্রুটি দেখা দিলে লোহাগড়ায় তা বদলে নেয়া হয়। তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

রবিবার ফেনীতে বহরে দফায় দফা্য় হামলার ঘটনার পটভুমিতে কক্সবাজার রোডে দলের নেতাদের ছিলো বাড়তি নিরাপত্তামুলক প্রস্তুতি। কক্সবাজারের পুরো শহরজুড়ে রাস্তায় ছিল দলের নেতাকর্মীরা।

 

 

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে থেকে দেখা গেছে, রাস্তায় দলীয় নেতা-কর্মীদের শো-ডাউনের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ গৃহবধু থেকে শুরু করে সব বয়সের নারী-পুরুষ খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রতীক্ষায় কাটিয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা। স্কুলের ছেলে-মেয়েরাও ছুটির পর পথে এসে ঠাঁই দাড়িয়ে থেকেছে। মানুষের চাপে ওইসব রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানচলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। চট্রগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে মানুষের অখন্ড স্রোত ছিলো ফিরিঙ্গি বাজার, নতুন চাক্তাই, কর্ণফুলির নতুন সেতু হয়ে দীর্ঘ পথের দুই ধার জুড়ে কয়েক কিলোমিটার। পটিয়া হাইওয়ে মোড়ে, বাইলা পাড়া ব্রিজ, শান্তিরহাট, মনোসা বাদামতল, শাহচার আউলিয়া মাজার গেট, চন্দনাইশ থানার গাছবাড়িয়া কলেজ মার্কেট, হাসিমপুর বাগিচা, দোহাজারী, কেরানীর হাট,সাতকানীয়া রাস্তার মাথা, পদুয়া বাজার, লোহাগড়া, আমিরাবাদ, আদুনগর, চুনতিবাজার, আজিজনগর, হারবাং, বড়ইতলী বাজার, চকোরিয়া, দুলাহাজরা, খুটাখালী, ঈদগা বাজার, রামু মোড়, বাংলাবাজার, টেকনাফ লিংক রোড প্রভৃতি স্থানে মানুষের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

 

 

প্লাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার, তোরনে ছাওয়া ছিল এই সব এলাকা। দলের নেতা কর্মীদের শোডাউনে তাদের হাতে ছিলো খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও স্থানীয় এমপি প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ছবিও। নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনার আবহ। কোথাও কোথাও সড়কের পাশে মঞ্চ পেতে বক্তৃতা দিচ্ছেন স্থানীয় নেতারা। যেনো নির্বাচনী প্রচারণার মহড়া। শাহ আমানত সেতু পার হয়ে কক্সবাজারের পথে শিকলবাহা এলাকায় সুসজ্জিত দুটি হাতি এনে খালেদা জিয়ার মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেন অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা। এসময় গাড়ি থেকে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার মহাসড়কে বিভিন্ন কালভার্ট সেতু ফুল দিয়ে সাজানো হয়। রঙ বেরঙের পোশাক পড়েও নেতাকর্মীরা গোলাপ ছিটিয়ে খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানায়।

 

 

রবিবার রাত আটটার কিছু আগে কক্সবাজার শহরে প্রবেশ করে সোয়া আটটার দিকে সার্কিট হাউজে প্রবেশ করেন তিনি। এসময় বিশাল একটি মিছিল তার গাড়িবহরের সঙ্গে ছিল। শনিবার ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে শেষ বিকেলে ফেনীতে বহরের কয়েকটি গাড়ি হামলার মুখে পড়লেও খালেদা জিয়া ও তাকে বহনকারী গাড়িটি ছিল অক্ষত। এরপর গতকাল রবিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সফরের দ্বিতীয় দিন পার করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

 

সোমবার সকাল ১১টায় উখিয়ায় বালুখালি পানবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বালুখালি-২, হাকিমপাড়া ও শফি উল্লাহকাটা ঢালা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করবেন খালেদা জিয়া। ওই দিন বিকেলে কক্সবাজার হয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তার রাত্রি যাপন করার কথা রয়েছে।

 

এদিকে তার সফরসূচি সফল ও তদারকি করতে শুক্রবারই কক্সবাজারে এসেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানঁ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ও জাতীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। এছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার সাথে রয়েছেন মির্জা ফখরুলসহ একডজন কেন্দ্রীয় নেতা। মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খাঁন কক্সবাজারে এসে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের সাথে দফায় দফায় মিটিংয়ে বসে সবকিছু তদারকি করছেন।

 

খালেদা জিয়ার ত্রান পাবে ১০ হাজার পরিবার

 

রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

 

 

৩ দিন আগে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কক্সবাজার পৌঁছে। ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে নিত্যপণ্য, প্রসূতি মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও শিশুখাদ্য রয়েছে।

 

 

সোমবার সকাল ১১টায় উখিয়ার ৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন খালেদা জিয়া। নেতারা জানান, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিতেই এ সফর। এজন্য দলীয় কোনো সভা-সমাবেশ হয়নি। খালেদা জিয়ার সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার জেলা বিএনপির নেতৃত্বে ১৪টি পৃথক কমিটি করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কক্সবাজারে খালেদা জিয়া, নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

Update Time : ০৩:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সোমবার উখিয়ায় বালুখালি পানবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বালুখালি-২, হাকিমপাড়া ও শফি উল্লাহকাটা ঢালা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

 

 

তিনি রবিবার চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে এসে রাত্রিযাপন করছেন। বিশাল গাড়িবহর নিয়ে দুপুর সোয়া ১২টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ হতে যাত্রা করে কক্সবাজার পৌঁছুতে তার সময় লাগে প্রায় ৯ ঘন্টা । ১৫২ কিলোমিটার সড়কের স্থানে স্থানে খালেদা জিয়াকে এক নজর দেখতে ও সংবর্ধনা জানাতে আসা জনারণ্যের চাপে বহরের গাড়ীগুলোকে ধীর গতিতে অগ্রসর হতে হয়েছে। পথের কয়েকটি স্থানে মঞ্চ পাতা থাকলেও কোথাও বক্তব্য দেননি তিনি। তাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়ির চাকায় ত্রুটি দেখা দিলে লোহাগড়ায় তা বদলে নেয়া হয়। তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

রবিবার ফেনীতে বহরে দফায় দফা্য় হামলার ঘটনার পটভুমিতে কক্সবাজার রোডে দলের নেতাদের ছিলো বাড়তি নিরাপত্তামুলক প্রস্তুতি। কক্সবাজারের পুরো শহরজুড়ে রাস্তায় ছিল দলের নেতাকর্মীরা।

 

 

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে থেকে দেখা গেছে, রাস্তায় দলীয় নেতা-কর্মীদের শো-ডাউনের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ গৃহবধু থেকে শুরু করে সব বয়সের নারী-পুরুষ খালেদা জিয়াকে দেখার জন্য রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রতীক্ষায় কাটিয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা। স্কুলের ছেলে-মেয়েরাও ছুটির পর পথে এসে ঠাঁই দাড়িয়ে থেকেছে। মানুষের চাপে ওইসব রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানচলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। চট্রগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে মানুষের অখন্ড স্রোত ছিলো ফিরিঙ্গি বাজার, নতুন চাক্তাই, কর্ণফুলির নতুন সেতু হয়ে দীর্ঘ পথের দুই ধার জুড়ে কয়েক কিলোমিটার। পটিয়া হাইওয়ে মোড়ে, বাইলা পাড়া ব্রিজ, শান্তিরহাট, মনোসা বাদামতল, শাহচার আউলিয়া মাজার গেট, চন্দনাইশ থানার গাছবাড়িয়া কলেজ মার্কেট, হাসিমপুর বাগিচা, দোহাজারী, কেরানীর হাট,সাতকানীয়া রাস্তার মাথা, পদুয়া বাজার, লোহাগড়া, আমিরাবাদ, আদুনগর, চুনতিবাজার, আজিজনগর, হারবাং, বড়ইতলী বাজার, চকোরিয়া, দুলাহাজরা, খুটাখালী, ঈদগা বাজার, রামু মোড়, বাংলাবাজার, টেকনাফ লিংক রোড প্রভৃতি স্থানে মানুষের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

 

 

প্লাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার, তোরনে ছাওয়া ছিল এই সব এলাকা। দলের নেতা কর্মীদের শোডাউনে তাদের হাতে ছিলো খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও স্থানীয় এমপি প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ছবিও। নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনার আবহ। কোথাও কোথাও সড়কের পাশে মঞ্চ পেতে বক্তৃতা দিচ্ছেন স্থানীয় নেতারা। যেনো নির্বাচনী প্রচারণার মহড়া। শাহ আমানত সেতু পার হয়ে কক্সবাজারের পথে শিকলবাহা এলাকায় সুসজ্জিত দুটি হাতি এনে খালেদা জিয়ার মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেন অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা। এসময় গাড়ি থেকে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার মহাসড়কে বিভিন্ন কালভার্ট সেতু ফুল দিয়ে সাজানো হয়। রঙ বেরঙের পোশাক পড়েও নেতাকর্মীরা গোলাপ ছিটিয়ে খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানায়।

 

 

রবিবার রাত আটটার কিছু আগে কক্সবাজার শহরে প্রবেশ করে সোয়া আটটার দিকে সার্কিট হাউজে প্রবেশ করেন তিনি। এসময় বিশাল একটি মিছিল তার গাড়িবহরের সঙ্গে ছিল। শনিবার ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে শেষ বিকেলে ফেনীতে বহরের কয়েকটি গাড়ি হামলার মুখে পড়লেও খালেদা জিয়া ও তাকে বহনকারী গাড়িটি ছিল অক্ষত। এরপর গতকাল রবিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সফরের দ্বিতীয় দিন পার করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

 

সোমবার সকাল ১১টায় উখিয়ায় বালুখালি পানবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বালুখালি-২, হাকিমপাড়া ও শফি উল্লাহকাটা ঢালা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করবেন খালেদা জিয়া। ওই দিন বিকেলে কক্সবাজার হয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তার রাত্রি যাপন করার কথা রয়েছে।

 

এদিকে তার সফরসূচি সফল ও তদারকি করতে শুক্রবারই কক্সবাজারে এসেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানঁ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ও জাতীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। এছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার সাথে রয়েছেন মির্জা ফখরুলসহ একডজন কেন্দ্রীয় নেতা। মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খাঁন কক্সবাজারে এসে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের সাথে দফায় দফায় মিটিংয়ে বসে সবকিছু তদারকি করছেন।

 

খালেদা জিয়ার ত্রান পাবে ১০ হাজার পরিবার

 

রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

 

 

৩ দিন আগে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কক্সবাজার পৌঁছে। ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে নিত্যপণ্য, প্রসূতি মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও শিশুখাদ্য রয়েছে।

 

 

সোমবার সকাল ১১টায় উখিয়ার ৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন খালেদা জিয়া। নেতারা জানান, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিতেই এ সফর। এজন্য দলীয় কোনো সভা-সমাবেশ হয়নি। খালেদা জিয়ার সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার জেলা বিএনপির নেতৃত্বে ১৪টি পৃথক কমিটি করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ