০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৬ অাহত ৩

  • Update Time : ১১:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার স্বনির্ভর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে অপহৃত চার কর্মীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের জন্য ইউপিডিএফের একটি গ্রুপ তাদের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছিল। এমন সময় অপর একটি গ্রুপ অতর্কিত গুলি বর্ষণ করে। এতে ঘটনাস্থলে ৬ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মারা যায়। নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- ইউপিডিএফের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি তপন চাকমা, সহ-সম্পাদক এল্টন চাকমা ও পথচারী জিতায়ন চাকমা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে সোহেল চাকমা, সমর বিকাশ চাকমা ও  সখিডন চাকমাকে। ইউপিডিএফ নেতারা এ ঘটনার জন্য তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপকে দায়ী করেছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিপুল পরিমাণ সদস্য সেখানে অবস্থান করছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী ঘর থেকে বের হতে পারছে না।

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপিডিএফের দুই গ্রুপের মধ্যে এ গোলাগুলি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ছয়জন মারা গেছে। তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের নাম পরিচয় জানাতে পারেননি ওসি।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক জানান, ইউপিডিএফের প্রসিত গ্রুপ ও ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এই গোলাগুলিতে জড়িয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৬ অাহত ৩

Update Time : ১১:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার স্বনির্ভর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে অপহৃত চার কর্মীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের জন্য ইউপিডিএফের একটি গ্রুপ তাদের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছিল। এমন সময় অপর একটি গ্রুপ অতর্কিত গুলি বর্ষণ করে। এতে ঘটনাস্থলে ৬ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মারা যায়। নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- ইউপিডিএফের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি তপন চাকমা, সহ-সম্পাদক এল্টন চাকমা ও পথচারী জিতায়ন চাকমা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে সোহেল চাকমা, সমর বিকাশ চাকমা ও  সখিডন চাকমাকে। ইউপিডিএফ নেতারা এ ঘটনার জন্য তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপকে দায়ী করেছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের বিপুল পরিমাণ সদস্য সেখানে অবস্থান করছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী ঘর থেকে বের হতে পারছে না।

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপিডিএফের দুই গ্রুপের মধ্যে এ গোলাগুলি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ছয়জন মারা গেছে। তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের নাম পরিচয় জানাতে পারেননি ওসি।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক জানান, ইউপিডিএফের প্রসিত গ্রুপ ও ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এই গোলাগুলিতে জড়িয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ