১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আটটি জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্ট

  • Update Time : ০৬:০১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারি ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিকের জন্য আটটি জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলকভাবে পালনের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৮ জানুয়রি) শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। দিবসগুলো হলো— ৭ মার্চ (সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ দেওয়ার দিন), ১৭ এপ্রিল (মুজিবনগর দিবস), ১৪ ডিসেম্বর (শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস), ২৬ মার্চ (স্বাধীনতা দিবস), ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস), ১০ জানুয়ারি (বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস), ১৫ আগস্ট (জাতীয় শোক দিবস) এবং ৩ নভেম্বর (জেলহত্যা দিবস ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিবস)।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোজাম্মেল হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
রিটে এসব দিবস পালনে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বাতিল চাওয়া হয়েছিল। রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার আবেদনও জানানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রে এই আটটি দিবস পালন করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আটটি জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলক পালনের রিট আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্ট

Update Time : ০৬:০১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারি ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিকের জন্য আটটি জাতীয় দিবস বাধ্যতামূলকভাবে পালনের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৮ জানুয়রি) শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। দিবসগুলো হলো— ৭ মার্চ (সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ দেওয়ার দিন), ১৭ এপ্রিল (মুজিবনগর দিবস), ১৪ ডিসেম্বর (শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস), ২৬ মার্চ (স্বাধীনতা দিবস), ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস), ১০ জানুয়ারি (বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস), ১৫ আগস্ট (জাতীয় শোক দিবস) এবং ৩ নভেম্বর (জেলহত্যা দিবস ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিবস)।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোজাম্মেল হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
রিটে এসব দিবস পালনে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বাতিল চাওয়া হয়েছিল। রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার আবেদনও জানানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রে এই আটটি দিবস পালন করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ