০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অাশারকান্দি ইউনিয়নে রিলিফের চাল বিক্রির অভিযোগ

  • Update Time : ০৯:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী, ইউপি সচিব তুফাজ্জুল হোসেন, ইউপি সদস্য বকুল চন্দ্র দাস ও গোলাম মোস্তফা আলালের বিরুদ্ধে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বিতরণের জন্য সরকারি রিলিফের চাল বিতরণে অনিয়ম ও কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

এ ব্যাপারে রোববার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় আশারকান্দি ইউনিয়নের ২৮ জন গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ প্রদান করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী, ইউপি সচিব ও ২/১ জন ইউপি সদস্য মিলে রিলিফের চাল বিতরণে অনিয়ম করে কালো বাজারে বিক্রি করেছেন।

 

 

জন প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও তারা ৭/৮ কেজি করে কিছু মানুষের মধ্যে বিতরণ করে বাকি চাল কালো বাজারে বিক্রি দিয়েছেন। যাহা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
এছাড়া কয়েক দিন আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আশারকান্দি ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম ও আরেক ইউপি সদস্য আফিয়া খানম জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিভিন্ন অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যা তদন্তাধীন আছে।

 

 

এর আগে আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সেই প্রতিবাদী নারী ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানীকে জুতাপেটা করে ছিলেন ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম।

 

 

এ ঘটনার পর যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানী আরেক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আশারকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযুক্ত জাবেদ চৌধুরী বলেন, গ্রামবাসীর নাম করে ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউপি সদস্য সেলিনা বেগমের বিতর্কিত কর্মকা-ে আমরা ইউনিয়নের সকল জন প্রতিনিধিরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে আমরা অনাস্থা দেব।

 

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নারী ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম বলেন, চাল কম পেয়ে জনগণ অভিযোগ দিয়েছেন। এখানে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তবে ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তাদের অনুগত ২/১ মেম্বার সরকারি রিলিফের চাল কম দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি করছেন। আমি শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদ করছি। এতে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, এসব অভিযোগের তদন্তভার দেয়া হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও)। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

অাশারকান্দি ইউনিয়নে রিলিফের চাল বিক্রির অভিযোগ

Update Time : ০৯:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী, ইউপি সচিব তুফাজ্জুল হোসেন, ইউপি সদস্য বকুল চন্দ্র দাস ও গোলাম মোস্তফা আলালের বিরুদ্ধে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বিতরণের জন্য সরকারি রিলিফের চাল বিতরণে অনিয়ম ও কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

এ ব্যাপারে রোববার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয় আশারকান্দি ইউনিয়নের ২৮ জন গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ প্রদান করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরী, ইউপি সচিব ও ২/১ জন ইউপি সদস্য মিলে রিলিফের চাল বিতরণে অনিয়ম করে কালো বাজারে বিক্রি করেছেন।

 

 

জন প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও তারা ৭/৮ কেজি করে কিছু মানুষের মধ্যে বিতরণ করে বাকি চাল কালো বাজারে বিক্রি দিয়েছেন। যাহা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
এছাড়া কয়েক দিন আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আশারকান্দি ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম ও আরেক ইউপি সদস্য আফিয়া খানম জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিভিন্ন অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যা তদন্তাধীন আছে।

 

 

এর আগে আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সেই প্রতিবাদী নারী ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানীকে জুতাপেটা করে ছিলেন ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম।

 

 

এ ঘটনার পর যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানী আরেক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্যানেল চেয়ারম্যান জাবেদ চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আশারকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযুক্ত জাবেদ চৌধুরী বলেন, গ্রামবাসীর নাম করে ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউপি সদস্য সেলিনা বেগমের বিতর্কিত কর্মকা-ে আমরা ইউনিয়নের সকল জন প্রতিনিধিরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে আমরা অনাস্থা দেব।

 

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নারী ইউপি সদস্য সেলিনা বেগম বলেন, চাল কম পেয়ে জনগণ অভিযোগ দিয়েছেন। এখানে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তবে ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও তাদের অনুগত ২/১ মেম্বার সরকারি রিলিফের চাল কম দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি করছেন। আমি শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদ করছি। এতে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, এসব অভিযোগের তদন্তভার দেয়া হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও)। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ