০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানো গেছে বলে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে : ড. আতিউর রহমান

  • Update Time : ০৭:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার বছরগুলোতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক স্বার্থের সাথে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার সংমিশ্রণ ঘটানোর ওপর জোর দিয়েছে। এর ফলে প্রকৃত অর্থেই উৎপাদনমুখী খাতে অর্থায়ন এবং সচরাচর আর্থিক সেবার আওতায় বাইরে থাকা ভোক্তাদের কাছে সেবা পৌঁছাতে সমর্থ হয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীন চাহিদা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে, এবং এটিই মন্দা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রধান শক্তি হিসেবে হাজির হয়েছে। নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংক)-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার কাঠমুন্ডুতে হোটেল র্যা ডিসন ব্লু-তে ‘ডেভেলপমেন্টাল সেন্ট্রাল ব্যাংকিং: দি বাংলাদেশ স্টোরি’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি একথা বলেন। গত সাত-আট বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন পথ তৈরি ও উন্নয়ন এবং সামষ্টিক আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য ব্যাপকভিত্তিক আর্থিক অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদনমুখি খাতে অর্থায়ন উৎসাহিত করেছে বলে জানান ড. আতিউর।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি এবং মনিটারি পলিসির মাধ্যমে কি করা সম্ভব আর কি সম্ভব নয়- সে বিষয়ে সচেতন থেকেছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তির উদ্যোগগুলোতে বিশেষ মনযোগ দেয়া হয়েছে কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, এবং সবুজ অর্থায়নের ওপর। এর পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেন পল্লী অঞ্চলে যায়, প্রথাগত ও অপ্রথাগত আর্থিক সেবাদানকারিরা যেন একসঙ্গে কাজ করে, সর্বোপরি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়াগুলোকে ডিজিটালকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের ওপরও বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে।
সভায় নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর চিরঞ্জীবি নেপাল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানো গেছে বলে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে : ড. আতিউর রহমান

Update Time : ০৭:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার বছরগুলোতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক স্বার্থের সাথে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার সংমিশ্রণ ঘটানোর ওপর জোর দিয়েছে। এর ফলে প্রকৃত অর্থেই উৎপাদনমুখী খাতে অর্থায়ন এবং সচরাচর আর্থিক সেবার আওতায় বাইরে থাকা ভোক্তাদের কাছে সেবা পৌঁছাতে সমর্থ হয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীন চাহিদা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে, এবং এটিই মন্দা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রধান শক্তি হিসেবে হাজির হয়েছে। নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংক)-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার কাঠমুন্ডুতে হোটেল র্যা ডিসন ব্লু-তে ‘ডেভেলপমেন্টাল সেন্ট্রাল ব্যাংকিং: দি বাংলাদেশ স্টোরি’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি একথা বলেন। গত সাত-আট বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন পথ তৈরি ও উন্নয়ন এবং সামষ্টিক আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য ব্যাপকভিত্তিক আর্থিক অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদনমুখি খাতে অর্থায়ন উৎসাহিত করেছে বলে জানান ড. আতিউর।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি এবং মনিটারি পলিসির মাধ্যমে কি করা সম্ভব আর কি সম্ভব নয়- সে বিষয়ে সচেতন থেকেছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তির উদ্যোগগুলোতে বিশেষ মনযোগ দেয়া হয়েছে কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, এবং সবুজ অর্থায়নের ওপর। এর পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেন পল্লী অঞ্চলে যায়, প্রথাগত ও অপ্রথাগত আর্থিক সেবাদানকারিরা যেন একসঙ্গে কাজ করে, সর্বোপরি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়াগুলোকে ডিজিটালকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের ওপরও বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে।
সভায় নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর চিরঞ্জীবি নেপাল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ