ক্যাটাগরি বাংলাদেশের সংবাদ

  • কেশবপুরে রাস্তা পাকা করনের কাজ শুরু

    কেশবপুরে রাস্তা পাকা করনের কাজ শুরু

    স্টাফ রিপোর্টার :: জগন্নাথপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কেশবপর উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তা পাকা করনের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা পাকা করনের কাজের উদ্ভোধন করেন ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাজিবুর রহমান।

    এসময় স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাদশা মিয়া, বেলাল অাহমদ, কামাল অাহমদ, স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্হিত ছিলেন।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না

    শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না

    অনলাইন ডেস্ক :: সংবর্ধিত বা পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর নামে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ২০১৭ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিতে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া যাবে না। সংবর্ধনা বা পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না।

    এছাড়া সংবর্ধিত বা পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না বলেও এতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী আগামী ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৫ দিন ছুটি থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বিএনপি মেনে নেবে আশা নাসিমের

    রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বিএনপি মেনে নেবে আশা নাসিমের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত বিএনপি মেনে নেবে এমনটাই আশা করছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

    রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযোদ্ধা হলে জাতীয় পার্টি (জেপি) আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আপনারা পরামর্শ দিয়েছেন, ভালো কথা। রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠনে যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দল মেনে নেবে। আশা করি আপনারাও মেনে নেবেন। এ নিয়ে কোনো ধরনের ঝামেলা করবেন না।

    ২০১৯ সালের নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে নাসিম বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত কোনো ধরনের নেতিবাচক রাজনীতি করবেন না। জ্বালাও পোড়াও করবেন না। নির্বাচন হবে শেখ হাসিনার অধীনে। আপনার জনগণের প্রতি আস্থা রেখে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

    তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। তাই জনগণের প্রতি অস্থা আছে। জনগণের প্রতি আস্থা রেখেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ’৭০ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছিলেন।

    এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনগণ যে রায় দেবে তা আমরা মেনে নেব বলেও জানান তিনি।
    জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জেপির মহাসচিব শেখ সহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • স্টার প্লাস, জি বাংলার পারিবারিক বন্ধনকে ধ্বংস করছে

    স্টার প্লাস, জি বাংলার পারিবারিক বন্ধনকে ধ্বংস করছে

     

    অনলাইন ডেস্ক :: নাট্যব্যক্তিত্ব ও ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনের (এফটিপিও) আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ বলেছেন, স্টার প্লাস, জি বাংলার মতো ভারতীয় চ্যানেলগুলো বাংলাদেশের পারিবারিক বন্ধনকে ধ্বংস করছে।

    শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন মামুনুর রশীদ।

    সংবাদ সম্মেলনে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বাংলায় ডাবিংকৃত বিদেশি অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশে অবৈধভাবে কর্মরত বিদেশি শিল্পী-কলাকুশলীদের নিষিদ্ধেরও দাবি জানানো হয়।

    মামুনুর রশীদ বলেন, ‘দেশের বেসরকারি চ্যানেলে বাংলায় ডাবিংকৃত বিদেশি সিরিয়াল অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে। আমরা বিদেশি অনুষ্ঠানের কথা বলেছি। বিদেশি অনুষ্ঠানও বন্ধ করতে হবে।’

    ‘আপনারা জানেন যে, স্টার প্লাস, জি বাংলা, এগুলো একেবারে ২৪ ঘণ্টার চ্যানেল হিসেবে আমাদের দেশে চলছে এবং আমাদের পারিবারিক বন্ধনকে গত ২০ বছর ধরে ধ্বংস করছে। আমরা আশা করি, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, বিদেশি চ্যানেল ও অনুষ্ঠানের কারণে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে মহামারী শুরু হয়েছে। বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিজ্ঞাপন বন্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোর অসম ডাউন লিংক ফি কমানোর জন্য সরকারের যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনটির নেতারা।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • অপসংস্কৃতি প্রতিরোধে যুব সমাজের ভুমিকা অপরিসিম- অধ্যক্ষ মঈনুল ইসলাম পারভেজ

    অপসংস্কৃতি প্রতিরোধে যুব সমাজের ভুমিকা অপরিসিম- অধ্যক্ষ মঈনুল ইসলাম পারভেজ

    বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ বলেছেন মহান বিজয় দিবস আমাদের বাঙালী জাতির ইতিহাসে একিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, দীর্ঘ নয় মাস যুদ্বের পর লাখো প্রানের আত্নদানে আমারা পেয়েছি আমাদের লাল সবুজের পতাকা, যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি তাদের আত্নার মাগফিরাত কামনায় কোনো অপসংস্কৃতির লালন না করে সুস্ত সংস্কৃতি চর্চা করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে, আর এ জন্য যুব সমাজকে গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল ১৬ডিসেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়ন শাখা কতৃক আয়োজিত আলোচনা সভা ও গজল সন্ধায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, রসুলগঞ্জ সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শামসুল হক এর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন তালামীযের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম এর পরিচালনায় মন মাতানো ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন কবি মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুল, সাইদুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশিদ মামুন,আবু সায়েদ সায়েম আবুল আহসান ইয়াছিন,হাফিজ জামান,আবু সুমেল,নূরুল আমন, সভা উদ্ভোধন করেন পাটলী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান সিরাজুল হক,
    ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি বজলুর রহমান হাবীব এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহিবুর রহমান আখতার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তালামীযের সাবেক সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আবুল ফজল মুহাম্মদ ত্বাহা,
    সুনামগঞ্জ জেলা তালামীযের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আলী মুহাম্মদ ইউসুফ জগন্নাথপুর পৌর আল ইসলাহর সভাপতি মাওলানা নুরুল হক, উপজেলা আল ইসলাহর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শওকত আলী আজাদ, রসুলগঞ্জ সিনিয়র মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি হাজী জমশেদ মিয়া তালুকদার, চন্দন মিয়া সৈয়দুন্নেসা কলেজের সভাপতি হাজী শফিকুল আলম,
    জগন্নাথপুর পুর্ব উপজেলা তালামীযের সভাপতি আব্দুল গনী সোহাগ, সহ সভাপতি আনোয়ার আলম তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ছালেহ আহমদ ছালিক, পাটলী ইউনিয়ন আল ইসলাহর সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি ইসলাম উদ্দীন জসীম।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আবুবকর সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফজলুল হক, রসুলগঞ্জ মাদ্রাসার শিক্ষক আবু শাকের, ছাতক দক্ষিন উপজেলা তালামীযের সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ সায়েম হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনা ইয়াসিন , জগন্নাথপুর পূর্ব উপজেলা তালামীযের অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব খালেদ মিয়া
    ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব মতিন মিয়া ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব এখলাছ মিয়া, সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার, সাংবাদিক জুবায়ের আহমদ আনহার,প্রবাসী রাশিদ আলী,হাফিজুর, পাটলী ইউনিয়ন তালামীযের সহ সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ,ফয়জুর রহমান সহ-সাধারন হাফিজ জুবায়ের আহমেদ, সালমান আহমদ, আব্দুল মাজেদ, আব্দুল বাক্বী হামজা, সেজু কোরেশী, হাফিজ লুকমান আহমদ, মোহাম্মদ আলী, আব্দুশ সাহাদ,হারুনুর রশিদ,মাসেদ মিয়া, জাকারিয়া, সাইফুর রহমান, রাফু মিয়া,মিজু আহমদ, আহমদ আলী, রবিউল ইসলাম,সাইদুর রহমান,সফর আলী,নুমান,জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান

    জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার :: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কামান্ডার  প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা পৌর শহরের ইকড়ছই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব’র পরিবারের পক্ষ থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কামান্ডার আব্দুল কাইয়ূমের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রবের ছেলে শাহ কামাল হোসেন, শাহ জামাল হোসেন, শাহ আফজাল হোসেন ও শাহ আকমল হোসেন। এ সময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলয়াছ আলী, মো. ফারুক মিয়া, নির্মল দাস, রঞ্জিত দাস, আব্দুল হাফিজ, আছলম উল্লাহ, কবিন্দ্র দাস, নরিন্দ্র দাস, আছাব মিয়া, দিদেশ দাস, বিধূ ভূষণ দাস, আব্দুল মতিন, নিশিকান্ত গোপ, গউছ আলী, গোপেশ দাস, নিখিল দাস, ধীরেন্দ্র দাস, কৌশিক দাস, নশই দাস, শৈলেন্দ্র দাস, শ্রীকৃষ্ণ সরকার, যুগেশ দাস, পরেশ দাস, যাদব দাস, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমা- ও শ্রমিক নেতা আজিজ মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.শাহজাহান মিয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বিভিন্ন সংগঠন

    বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বিভিন্ন সংগঠন

    স্টাফ রিপোর্টার :: মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মবলিদান দেয়া বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে জগন্নাথপুর শহীদ মিনারে ঢল নেমেছিল জনতার।

    পুষ্পার্ঘ হাতে সারিবদ্ধভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন প্রশাসন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।
    বিজয় দিবসের প্রথম প্রহর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়।

    উপজেলা পরিষদ, ‍উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা,

    থানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলী।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, যুবদল, ছাত্র, জাতীয় পার্টি।

    এছাড়াও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, জগন্নাথপুর সামাজিক ঐক্য রিষদ, উদীচি, খেলাঘর, উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতি, নবীনলীগ, বিদ্যুৎ অফিসসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধানিবেদন শেষে শহীদের স্মরনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন ও উপেজলা নির্বাহী অফিসার মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ধীরেন্দ্র সূত্রধর ও শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • ১৬ ডিসেম্বর : হে বিজয় তোমাকে খুজি- ফুজায়েল আহমাদ নাজমুল

    ১৬ ডিসেম্বর : হে বিজয় তোমাকে খুজি- ফুজায়েল আহমাদ নাজমুল

    ডিসেম্বর বিজয়ের মাস। বাঙ্গালী জাতির কাছে এ মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অন্য মাসগুলোর চেয়েও অনেক বেশি। দেশে বিদেশে যেখানেই বাঙ্গালীরা রয়েছেন সেখানেই এ মাসের ১৬ তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। এ দিবসকে আমরা কেউ ভুলতে দেই না। কারণ এ দিবসের পেছনে রয়েছে জীবন্ত একটি ইতিহাস। এ ইতিহাস আমাদের প্রেরণা দেয়। উজ্জীবিত করে।
    দীর্ঘ ন’টি মাস যুদ্ধের পর পাকিস্তানি সৈন্যরা আমাদের মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে এ মহান দিবসেই আত্মসমর্পণ করেছিলো। আমরা সেই ঐতিহাসিক দিনেই পৃথিবীর মানুষের কাছে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলাম। লাল সবুজের দেশ বাংলাদেশ দুনিয়ার মানচিত্রেও আপন জায়গাটুকু করে নিয়েছিলো। আজ আমরা সেই লাল সবুজের দেশেরই নাগরিক। জাতি হিসেবে আমরা স্বাধীন। আজ আমাদের একটি পতাকা আছে। একটি মনোগ্রাম আছে। একটি মানচিত্র আছে। বিশ্বের মানচিত্রে আমরা সগৌরবে বিদ্যমান।

    অসংখ্য জীবন, অঢেল রক্ত এবং আরো বহুবিধ ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের বিজয়। আর ইহা একক কোনো দল বা কোন গোষ্ঠীর দ্বারা অর্জন হয়নি। সব মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও লড়াইয়ের পটভূমিতেই দেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের সূর্যের উদয় ঘটেছিল তা ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। আজ স্বাধীনতা ও বিজয়ের চার দশক পেরিয়ে গেছে। দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রয়োজন আজ একটু হিসাব নিকাশের। প্রয়োজন আত্ম জিজ্ঞাসার। আমরা কি কারণে যুদ্ধ করেছিলাম পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে? দীর্ঘ চার দশকে কি পেয়েছি? স্বাধীনতার প্রাপ্তিটুকু কি পুর্নাঙ্গভাবে অর্জন করতে পেরেছি? বিজয়ের প্রকৃত স্বাধ সব শ্রেণী, সব পেশার মানুষ কি ভোগ করতে পেরেছে? শুধুমাত্র একটি মনোগ্রাম আর লাল সবুজের পতাকার জন্য দেশের মানুষগুলো কি রক্ত দিয়েছিল? প্রাণ দিয়েছিলো?

    বছরে একবার ১৬ই ডিসেম্বর ও ২৬শে মার্চকে আলিঙ্গন করি। এ আলিঙ্গনে বিজয়কে খুজি। স্বাধীনতাকে খুজি। মুক্তিকে খুজি। কিন্তু বিজয় মুক্তি ও স্বাধীনতাকে সংখ্যালঘুদের ঠিকানায় দেখতে পাই। অবস্থা বুঝে মনে হয় বিজয় তাদের জন্যই হয়েছিলো। স্বাধীনতা এসেছিল তাদের কপাল খুলে দেয়ার জন্য। শুধুমাত্র এই সংখ্যালঘুদের কপাল খুলে দেয়ার জন্য তো ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ অস্ত্রহাতে পাকিস্তানি শত্রুবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশটাকে স্বাধীন করেনি। যুদ্ধটা মূলত ছিল শোষকের সঙ্গে শোষিতের্। অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের্। জুলুমের বিরুদ্ধে মজলুমের্। এ যুদ্ধ কেবল পাঞ্জাবি বিতাড়নের জন্য তো ছিলনা। এ যুদ্ধ ছিল শোষণহীন ইনসাফপূর্ণ একটি সত্য ও সুন্দর সমাজ গড়ার। জুলুম থেকে মানবতার মুক্তির।

    কিন্তু মানবতার মুক্তি কই? সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কই? মিডিয়ার স্বাধীনতা কই? মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা কই? একজন লেখকের লেখার স্বাধীনতা কই? অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে সভা-সমাবেশ করার অধিকার কই? প্রতিদিন নারীরা নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, নারীদের ইজ্জত আব্রুর নিরাপত্তা কই? দেশের কোনো না কোনো স্থানে প্রতিদিন মানুষ খুন হচ্ছে। গুম হচ্ছে। ধর্ষিত হচ্ছে। অপহরণ হচ্ছে। সীমান্তে ভারতীয় বি এস এফ কর্তৃক আমার দেশের মানুষ প্রায়ই হত্যার শিকার হচ্ছে। ঘর থেকে নিরাপরাধ মানুষদের মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় অপরাধীরা বিনা সাজায় জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছে। আইন,আদালত, প্রশাসন সহ সবকিছু দলীয়করন করা হচ্ছে। এসব কি ছিলো বিজয়ের অঙ্গিকার? এসব পাওয়ার জন্য কি দেশকে স্বাধীন করা হয়েছিলো?

    আমরা এমন এক জাতি স্বাধীনতার চার দশক পরেও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটাতে পারিনি। মুক্তিযুদ্ধাদের সঠিক একটি তালিকা প্রনয়ণ করতে পারিনি। প্রতিহিংসার রাজনীতির খপ্পরে পড়ে কখনো মুক্তিযুদ্ধাকে রাজাকার আর রাজাকারকে মুক্তিযুদ্ধার সার্টিফিকেট দিয়ে প্রশ্নবৃদ্ধ করে তুলেছি স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসকে।

    ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে বারবার কিন্তু সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শাসনের নামে জনগনকে শোষণ করা হয়েছে এবং বর্তমানেও হচ্ছে। জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন না হলেও রাতারাতি ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে আমাদের তথাকথিত রাজনীতিবিদদের। আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন একে একে অনেকেই। যার একতলা বিল্ডিং ছিল তার হয়েছে পাচতলা। আর যার পাচতলা ছিল তার হয়েছে দশতলা। তারা পরিবার নিয়ে থাকছেন রাজধানীর গুলশানে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার জন্য দেশে নয়, বিদেশে করেছেন ঠিকানা। অনেকেই কিনেছেন বিদেশে আলীশান বাড়ী। আজ তারাই দেশের প্রথম শ্রেনীর নাগরিক। দেশের সেরা মানুষের তালিকায় তাদের নাম। তাদের জন্য রয়েছে রাষ্ট্রের সব সুযোগ সুবিদা। তাদের জীবনে কোন সমস্যা, কোন বাধা, কোন কষ্ট আছে বলে মনে হয় না। রাজকীয় জীবনযাপন যেন তাদের। ক্ষমতাবান বলেই আইন, আদালত সবই তাদের ইশারায় চলে। যারা তাদের সুনজরে পড়েছেন তারাই চাকরী পান, টেন্ডার পান, ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হন।

    দুঃখজনক হলেও সত্য, গ্রামের সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন নেই। যেন মনে হয় কপালপোড়া জাতি। হাজারও স্বপ্ন নিয়ে যুগ যুগ পার করছে কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরেনি তাদের। দারিদ্র এই মানুষগুলোর সময়ের ডায়েরি থেকে বছরের পর বছর কেটে যায় মাটির ঘরে ইট লাগাতে পারেনা। পয়সা খরছ করতে পারেনা বলেই সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারে না। গ্রামের স্কুল পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়ে যায় তাদের সন্তানদের ছাত্রজীবন। যৌতুক দিতে পারেনা বিধায় যুবতী মেয়ের বিয়ের ব্যবস্তা করতে পারে না। ছেলের বিয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু হাউজিং সমস্যার কারণে ছেলেকে বিয়ে করাতে পারে না। কেউ এমনও আছেন যে কোন মতে ছেলে মেয়েকে শিক্ষিত করে তুলেছেন কিন্তু ঘুষের টাকা রেডি করতে ব্যর্থ হওয়ায় চাকুরী হচ্ছে না। এরকম গ্রামে-গঞ্জে লাখ লাখ মানুষ রয়েছেন যারা নিজেদের ভাগ্যের চাকা ঘুরানোর জন্য দিনরাত চেষ্টা করছেন, সুন্দর ও সফল একটি জীবনের জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন কিন্তু জীবনের স্বাধ ও স্বপ্ন সবই কল্পনার ডায়রিতে রয়ে যাচ্ছে বাস্তব জীবনে আলোর মুখ দেখছে না।

    আমাদের সমাজে বিশাল আরো একটি জনগোষ্ঠী রয়েছে যারা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে খুবই অবহেলিত। তাদের ভিটেমাটি পর্যন্ত নেই। ট্রেন স্টেশন আর ফুটপাতে তাদের বসবাসের ঠিকানা। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার অভাবে সমাজে তাদের অবস্থান সর্বনিম্নে। তাদের করুণ এ অসহায়ত্ব রাষ্ট্রের অভিভাবকদের চোখে পড়ে না। তাদের আহাজারী রাজনীতিবীদদের কানে পৌছে না। ঐসকল অসহায় বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে রাষ্ট্রের অভিভাবকদের উপর কি কোন দায়ীত্ব নেই? দেশ তো স্বাধীন করা হয়নি একশ্রেণীর মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। এদেশ স্বাধীন করা হয়েছিল সব শ্রেণী ও পেশার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। মুক্তির জন্য। বিজয়ের জন্য। কিন্তু আজ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মুক্তি নেই। বিজয় নেই।

    বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস আসলেই রাজনীতিবীদদের দেশপ্রেম, জাতিপ্রেম বেড়ে যেতে দেখা যায়। রাতের আধারে শহীদ মিনারে ফুল আর লাল সবুজের পতাকা নিয়ে রাজপথে তাদের দৌড়ঝাপ চোখে পড়ে। বক্তব্য আর বিবৃতির মধ্যে স্বাধীনতা আর বিজয়ের সুন্দর সুন্দর গান ফুঠে উঠে। কিন্তু যখন দেশের কোনো না কোনো স্থানে প্রতিদিন মানুষ খুন, গুম, ধর্ষণ, অপহরণের সংবাদ কানে আসে, সীমান্তে ভারতীয় বি এস এফ কর্তৃক ফেলানী হত্যার সংবাদ শুনি, নিরাপরাধ মানুষের কারাগারে বন্দীর সংবাদ শুনতে পাই, অপরাধীরা বিনা সাজায় জেল থেকে মুক্তির সংবাদ শুনি, ফাসির আসামী রাজনৈতিক সুপারিশে খালাস পাওয়ার খবর শুনতে পাই তখন তাদের দেশপ্রেম দেখানোকে প্রতারণা ও ভাওতাবাজী বলে মনে হয়। ধিক্কার জানাতে হয় তাদের তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচীকে।

    তথাকথিত এসব রাজনীতিবিদরা সমাজে এককভাবে রাজনীতির ঠিকাদার হয়ে থাকতে চায়। সুশীলদের যেমন রাজনীতিতে দেখতে নারাজ, তেমনি ইসলামী রাজনীতিকে গতিশীল ও উদীয়মান শক্তি হিসাবে ছেড়ে দিতেও রাজী নয়। তাদের মধ্যে একধরনের ভয় মারাত্মক কাজ করে যে, ইসলামী রাজনীতি তাদের ওপর চেপে বসে কি না। তারা ভালো করে জানে যে, ইসলামী রাজনীতিবীদরা সমাজের নেতৃত্বে চলে আসলে তাদের অনেক পথ বন্ধ হয়ে যাবে। শাসনের নামে জনগনকে আর শোষণ করতে পারবে না। দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাত করতে পারবে না। পাহাড় পরিমান সম্পদের মালিক হতে পারবে না। আইন আদালতকে তাদের হুকুমে চালাতে পারবে না। এজন্য তারা মিথ্যাচার, বিদ্রুপাত্মক সমালোচোনা, সন্দেহ সৃষ্টি, মানুষের পথ রোধ করা ইত্যাদির মাধ্যমে ইসলামী রাজনীতির পথকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে আছে প্রতিনিয়ত।

    বাঙালি জাতি আজ আর বোকা নয়। চার দশক তাদের শাসন দেখেছে। সেই পাকিস্তানিদের মতো তারাও জনগনকে শাসনের নামে শোষণ করছে রীতিমতো। স্বাধীনতার কোনো সুফল ভোগ করতে পারেনি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ। ১৯৭১ সালে বিজয় অর্জিত হলেও তা কাগজে, কলমে, বক্তৃতায় আর বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ রয়েছে। একটি সুস্থ রাজনীতির সুফল ভোগ করার জন্য জাতি আজ উদগ্রীব হয়ে আছে। শোষিত, বঞ্চিত মানবতা আজ মুক্তি চায়। পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা চায়। প্রকৃত বিজয় চায়।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা ১৩ জানুয়ারি টঙ্গীতে শুরু হবে

    বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা ১৩ জানুয়ারি টঙ্গীতে শুরু হবে

    আগামী বছরের ১৩ জানুয়ারি থেকে টঙ্গীতে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এটি চলবে।

    এরপর ৪ দিন বিরতি দিয়ে ২০ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটবে।

    বুধবার গাজীপুর জেলা প্রশাসকের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা র‌্যাব-পুলিশের ৫ স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।

    ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের চিকিৎসাসেবায় ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। মুসল্লিদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিমে তুরাগ নদীর ওপর ৭টি পন্টুন ব্রিজ তৈরি করবে সেনাবাহিনী।

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ
  • রোহিঙ্গাদেরকে লতিফিয়া সুন্নী সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও কাপড় প্রদান

    রোহিঙ্গাদেরকে লতিফিয়া সুন্নী সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও কাপড় প্রদান

    বাংলাদেশে অবস্তানরত রোহিঙ্গার অসহায় মুসলিমদের জন্য জগন্নাথপুর লতিফিয়া সুন্নী সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের পক্ষ থেকে অার্থিক নগদ অর্থ ও কাপড় মাওলানা হাবিবুর রহমান ও মাওলানা আলী আহমদের হাতে তুলে দিচ্ছেন, সংগঠনের সেক্রেটারি শেখ মোঃ আব্দুল কাদির।

    বাংলাদেশে অবস্তানরত রোহিঙ্গার অসহায় মুসলমানদের জন্য যার যার অবস্তান থেকে অার্থিক সহায়তায় সকলকে এগিয়ে অাসার অনুরুধ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ