ছাতকে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ১২ সদস্যের
- Update Time : ০৩:০১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ নেতা আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ইউনিয়ন পরিষদের ১২জন সদস্য-সদস্যা এ অনাস্থার অভিযোগ তুলেছেন। অনিয়ম-দূর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে তার একক সিদ্ধান্তে কাজ না করেই টিআর, কাবিখা, রাজস্ব, এডিপি, কাবিটার টাকা ও চাল উঠিয়ে নেওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা বরাবরে ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন, উপজেলা সাবেক দূর্নীতিবাজ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুব রহমান, ইউপি সাবেক সচিব জীতেন দাস ও যুবলীগ নেতা শিব্বির আহমদকে অভিযুক্ত করে পরিষদের ৯ সদস্য ও ৩ সদস্যারা লিখিত এ অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক, ভাতগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে, ভাতগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন গেল ১৫ বছরে শূন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন। এ আসনের আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের মাধ্যমে বে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক থেকে তিনি বনে যান ইউপি চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে কাজ না করে সরকারী একাধিক প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করেছেন। গেল ১৯ মার্চ রাতে নাশকতা মামলায় থানা পুলিশের হাতে তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ করেন।
কয়েক বছরের ব্যবধানে শূন্য থেকে তাঁর কোটিপতি হওয়ার প্রধান উৎস ছিল আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ ক্ষমতার আমল ও স্থানীয় সাবেক এমপি মানিকের কৃপা। অভিযোগ রয়েছে, ভূয়া প্রকল্প, থানায় দালালী, জমি দখল ও বেচা-কেনার মাধ্যমে ওই ইউপি চেয়ারম্যান গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর লুটপাট চালিয়ে কিনেছেন ভাতগাঁও মৌজায় প্রায় ৩০ একর জমি। সিলেটের আখলিয়া এলাকায় রয়েছে তার আলিশান বাসা। ৩০-৩৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেলেকে পাঠিয়েছেন যুক্তরাজ্যে।
অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত পূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























