০৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার বাংলাদেশীদের ভিসা সহজ করতে চায় ভারত

  • Update Time : ০৩:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
  • / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়, যার প্রভাব পড়ে ভিসা প্রক্রিয়ায়। বিশেষ করে মেডিকেল ভিসার সংখ্যা অনেক কমে যায়। ২০২৩ সালে যেখানে ভারত ২০ লাখের বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছিল, যার অধিকাংশই ছিল চিকিৎসার উদ্দেশ্যে, সেখানে আগস্টের পর থেকে প্রতিদিন মাত্র এক হাজারেরও কম মেডিকেল ভিসা ইস্যু করা হচ্ছিল। এতে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তবে সম্প্রতি এই সমস্যা সমাধানে একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।

 

মেডিকেল ভিসার নতুন প্রক্রিয়া: আগে মেডিকেল ভিসার জন্য অনলাইনে স্লট নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু সার্ভারের ত্রুটি এবং পর্যাপ্ত স্লট না থাকায় অনেক রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। দালালদের দৌরাত্ম্যও বেড়ে গিয়েছিল। এখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দূতাবাস একটি বিকল্প ব্যবস্থা চালু করেছে।

নতুন এই পদ্ধতিতে, কোনো আবেদনকারী যদি অনলাইনে স্লট নিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি তার আবেদনপত্র এবং চিকিৎসার সমস্ত কাগজপত্র সরাসরি ভারতীয় দূতাবাসের গেট নং-১ এ জমা দিতে পারবেন। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবে। যদি আবেদনটি জরুরি মনে করা হয়, তবে দূতাবাস থেকে আবেদনকারীকে ফোন করে সরাসরি ভিসা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

পরবর্তী ধাপ: দূতাবাসের নির্ধারিত তারিখে আবেদনকারীকে যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারে মূল আবেদনপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এরপর ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বাকি কাজ সম্পন্ন হবে। কোনো কারণে সমস্যা হলে সরাসরি ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।

এই নতুন উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য চিকিৎসা ভিসা পাওয়া সহজ হবে বলে আশা করা যায়, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নেও সহায়ক হবে। এই সুবিধার মাধ্যমে দালালদের ওপর নির্ভরতাও কমবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

এবার বাংলাদেশীদের ভিসা সহজ করতে চায় ভারত

Update Time : ০৩:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়, যার প্রভাব পড়ে ভিসা প্রক্রিয়ায়। বিশেষ করে মেডিকেল ভিসার সংখ্যা অনেক কমে যায়। ২০২৩ সালে যেখানে ভারত ২০ লাখের বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছিল, যার অধিকাংশই ছিল চিকিৎসার উদ্দেশ্যে, সেখানে আগস্টের পর থেকে প্রতিদিন মাত্র এক হাজারেরও কম মেডিকেল ভিসা ইস্যু করা হচ্ছিল। এতে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তবে সম্প্রতি এই সমস্যা সমাধানে একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।

 

মেডিকেল ভিসার নতুন প্রক্রিয়া: আগে মেডিকেল ভিসার জন্য অনলাইনে স্লট নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু সার্ভারের ত্রুটি এবং পর্যাপ্ত স্লট না থাকায় অনেক রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। দালালদের দৌরাত্ম্যও বেড়ে গিয়েছিল। এখন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দূতাবাস একটি বিকল্প ব্যবস্থা চালু করেছে।

নতুন এই পদ্ধতিতে, কোনো আবেদনকারী যদি অনলাইনে স্লট নিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি তার আবেদনপত্র এবং চিকিৎসার সমস্ত কাগজপত্র সরাসরি ভারতীয় দূতাবাসের গেট নং-১ এ জমা দিতে পারবেন। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবে। যদি আবেদনটি জরুরি মনে করা হয়, তবে দূতাবাস থেকে আবেদনকারীকে ফোন করে সরাসরি ভিসা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

পরবর্তী ধাপ: দূতাবাসের নির্ধারিত তারিখে আবেদনকারীকে যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারে মূল আবেদনপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এরপর ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বাকি কাজ সম্পন্ন হবে। কোনো কারণে সমস্যা হলে সরাসরি ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।

এই নতুন উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য চিকিৎসা ভিসা পাওয়া সহজ হবে বলে আশা করা যায়, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নেও সহায়ক হবে। এই সুবিধার মাধ্যমে দালালদের ওপর নির্ভরতাও কমবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ