০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০২৬ সালে রোজা শুরু হতে পারে যেদিন থেকে

  • Update Time : ০৮:৫৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: রমজান মাস মুসলমানদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। কেননার পবিত্র ও মহিমান্বিত এ মাসটির অনেক তাৎপর্য ও ফজিলত রয়েছে। তাই রমজানের জন্য অপেক্ষা করেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। এবার জানা গেছে, ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। সোমবার (১৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। গালফ নিউজ জানায়, জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী- ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। আরব বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে এর আগের সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা চাঁদ দেখা সাপেক্ষে দেওয়া হবে। আরবি মাস শাবানের ২৯তম দিন রমজানের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। প্রত্যেক দেশের চাঁদ দেখা কর্তৃপক্ষ অথবা ধর্মবিষয়ক সংস্থা রমজান মাস শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে থাকে। চন্দ্রচক্র অনুসরণ করে মূলত ইসলামিক ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়। এ কারণে প্রতিটি মাসই নতুন অর্ধচন্দ্র দেখে শুরু ও শেষ হয়। যেহেতু চন্দ্র মাসগুলো সৌর মাসের চেয়ে ছোট, তাই ইংরেজি বর্ষপঞ্জিকায় প্রতিবছর আরবি মাসগুলো ১০ থেকে ১১ দিন পিছিয়ে যায়। এ জন্য শীত, বর্ষা, গ্রীষ্ম, হেমন্ত বা বসন্ত— সব ঋতুতেই পবিত্র রমজানের ছোঁয়া পাওয়ার সুযোগ পান রোজাদাররা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

২০২৬ সালে রোজা শুরু হতে পারে যেদিন থেকে

Update Time : ০৮:৫৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: রমজান মাস মুসলমানদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। কেননার পবিত্র ও মহিমান্বিত এ মাসটির অনেক তাৎপর্য ও ফজিলত রয়েছে। তাই রমজানের জন্য অপেক্ষা করেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। এবার জানা গেছে, ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। সোমবার (১৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। গালফ নিউজ জানায়, জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী- ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। আরব বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে এর আগের সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা চাঁদ দেখা সাপেক্ষে দেওয়া হবে। আরবি মাস শাবানের ২৯তম দিন রমজানের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। প্রত্যেক দেশের চাঁদ দেখা কর্তৃপক্ষ অথবা ধর্মবিষয়ক সংস্থা রমজান মাস শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে থাকে। চন্দ্রচক্র অনুসরণ করে মূলত ইসলামিক ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়। এ কারণে প্রতিটি মাসই নতুন অর্ধচন্দ্র দেখে শুরু ও শেষ হয়। যেহেতু চন্দ্র মাসগুলো সৌর মাসের চেয়ে ছোট, তাই ইংরেজি বর্ষপঞ্জিকায় প্রতিবছর আরবি মাসগুলো ১০ থেকে ১১ দিন পিছিয়ে যায়। এ জন্য শীত, বর্ষা, গ্রীষ্ম, হেমন্ত বা বসন্ত— সব ঋতুতেই পবিত্র রমজানের ছোঁয়া পাওয়ার সুযোগ পান রোজাদাররা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ