অনলাইন জুয়া বন্ধে হচ্ছে নতুন আইন
- Update Time : ০৩:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
বাজি বা পণকে জুয়া হিসেবে গণ্য করে খসড়ায় বলা হয়েছে, যেকোনো খেলা বা কোনো বিষয়ের ফল সম্পর্কে আগে থেকে অভিমত জ্ঞাপন করে প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য বা প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্থ, পণ্য বা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর বাজি ধরলে, তা অপরাধ হয়েছে গণ্য হবে। এ জন্য তিন বছর জেল, ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। কেউ বাজিকর হিসেবে কাজ করলে দুই বছর কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। পাতানো খেলার জন্য তিন বছর জেল, ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং স্পট ফিক্সিং করলে দুই বছরের জেল, ২ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিক বিদেশে বসে এই অধ্যাদেশের অধীনে অপরাধ করেন, তিনি অপরাধটি বাংলাদেশে করেছেন ধরে নিয়ে তাঁকে সাজা দেওয়া হবে। কোনো বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো ডিভাইস বা অনলাইনের সাহায্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই অধ্যাদেশের অধীনে অপরাধ করলে তাঁকেও সাজা দেওয়া হবে।
এই অধ্যাদেশের অধীনে কেউ একই অপরাধ পুনরায় করলে এই অধ্যাদেশে সর্বোচ্চ যে দণ্ড রয়েছে তার দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেওয়া যাবে। এই অধ্যাদেশের অপরাধের সাজা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ার ওপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ না হওয়ায় এ বিষয়ে জননিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা নাম-পরিচয় প্রকাশ করে মন্তব্য করতে রাজি হননি। একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জুয়া খেলার ধরনও পাল্টেছে। ফলে অনলাইন ও অফলাইনে জুয়া খেলা নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন আইন করে সেখানে জেল-জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি পাস হলে যেকোনো পরিসরে জুয়া খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সহজ হবে।





























