আজ, , ২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদ শিরোনাম :
«» জগন্নাথপুরে ছাত্রলীগ থেকে যারা পদত্যাগ করলেন «» শান্তিগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল রাজপথ, ঘন্টাব্যাপী সড়ক যোগাযোগ বন্ধ «» ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজার প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করলেন পরিষদের ১১ মেম্বার «» সুনামগঞ্জে কোটা সংস্কারের সমর্থনে বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১ «» সিলেটে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত «» জগন্নাথপুরে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার «» ছাত্রলীগ- পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে নিহত- ৫, আহত কয়েকশ «» সিলেটে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা ওসমানী মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের «» শান্তিগঞ্জে ব্যবসায়ীর ওপর দুর্বৃত্তের হামলা, টাকা-মোবাইল লুট «» ফেসবুকে নিজের লাশের ব্যাপারে যা বলেছিলেন আবু সাঈদ





ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা, আটক ৩

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্কুল কমিটির নির্বাচনের দ্বন্দ্বে সুমন হালদার (৪৫) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের আলহাজ্ব ওয়াহেদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় কাউসার হাওলাদার (৪৫), মো. শেখেনুল হাওলাদার(৪৮), নূর হোসেন হাওলাদার (৪০)কে আটক করেছে পুলিশ। নিহত এইচ এম সুমন হালদার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাঁচগাও ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। পাঁচগাও গ্রামের প্রয়াত পিয়ার হোসেন হালদারের ছেলে। তিনি ২০২৩ সালের মার্চে পাঁচগাও ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্রকরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।

জানা যায়, গত সোমবার পাঁচগাও ওয়াহেদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন হয়েছে। এ নির্বাচনে দেওয়ান মনিরুজ্জামান এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলেনুর রহমান অংশ নেন। নির্বাচনে তিনি ৯ ভোটে বিজয় লাভ করেন। মিলেনুর ২ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। তার সমর্থক ছিলেন নূর মোহাম্মদ, নূর আহমেদ দুই ভাই।

 

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন পরাজিত প্রার্থী ও তার সমর্থকরা। তারা এ পরাজয়ের জন্য চেয়ারম্যান সুমন হালদারকে দোষারোপ করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের মাঠে তাক গালিগালাজ করেন পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা। এ সময় চেয়ারম্যান সুমনের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে স্কুল মাঠে ফেলে দেয় নুর মোহাম্মদরা। সেখানেই প্রকাশ্যে বুকে গুলি করে পালিয়ে যায় নুর মোহাম্মদ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গিবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে যান।
টঙ্গিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. প্রণয় মান্না জানা, দুপুর পৌনে দুইটার দিকে সুমন হালদারকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকের ডান পাশে নিচে একটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোল্লা মো. সোয়েব আলী বলেন, স্কুল কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে স্কুল আঙিনায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনার পর বিকেল পৌনে চারটার দিকে নিহত সুমন হালদারের লাশ সুরতহাল শুরু করে। সে সময় নিহতের স্বজনরা সুমন হালদার জীবিত আছে এমন দাবি করে। পরে পুলিশ সুমনের নিথর দেহ দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের দিকে নিয়ে গেলে সেখানেও ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ