জগন্নাথপুরের যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি নেতা এম এ মালেক খানের জন্মদিন পালন
- Update Time : ০৮:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারি ২০২৪
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর- শান্তিগঞ্জ) আসন থেকে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বঙ্গবীর ওসমানী গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খানের ৭৪ তম জন্মদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়েছে।
সোমবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়স্থ ওসমানী জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবীর ওসমানী গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খানের ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শোকরানা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় এবং কেক কেটে ৭৪ তম জন্মদিন পালন করেন অতিথিবৃন্দ।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ূ কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি জসিম উদ্দীন, প্রধান মুয়াজ্জিন মাওলানা জুবায়ের আহমদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবীর ওসমানী গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাসচিব ও ওসমানী জাদুঘরের সহাকরী কীপার মোঃ জিয়ারত হোসেন খান, শিক্ষিকা রুনা সুলতানা, কবি ও লেখক শিপারা বেগম শিপা, মোঃ নুরুল আমীন, আফতাব উদ্দিন বাচ্ছু, মোঃ রাজন মিয়া, পিসি মোঃ ইউনুস মিয়া, মোঃ আক্তার, মোঃ ইসরাহুল, মোঃ আব্দুল কাদির, মোঃ সিদ্দিক আলী, মোঃ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি নেতা এম এ মালেক খানের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের আটঘর গ্রামে। তিনি ছাত্র জীবন থেকে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। বিএনপি নেতা এম এ মালেক খান বেগম খালেদা জিয়ার পরিক্ষিত মাঠের একজন ত্যাগী নেতা। তিনি বৃহত্তর সিলেট ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ছিলেন।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি নেতা এম এ মালেক খানের দীর্ঘদিনের দাবি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জবাসীর ঘরে ঘরে গ্যাস পৌছিয়ে দেওয়া। এক সময় তিনি এই দাবি নিয়ে লিফলেট ও পোষ্টার বিতরণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে তিনি বক্তব্যে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের ঘরে ঘরে গ্যাস পৌছিয়ে দেওয়ার দাবি তুলে আলোচিত হন। এর পর থেকে সবার কাছে “এম এ মালেক খান” একটি আলোচিত নাম।
বিএনপির দলীয় অনেক নেতাকর্মীরা জানান, এম এ মালেক খানকে বিএনপি হাই কমান্ডের নির্দেশে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ -৩ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হয়েছিল, পরবর্তীতে ২০ দলীয় জোটের কারণে পুনরায় হাই কমান্ডের নির্দেশে এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীকে ছাড় দেয়া হয়েছে।



















