১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে ভুমিহীন পরিবারের বাজার ভিট দখলে মরিয়া স্কুল শিক্ষক গোলাম নবি

  • Update Time : ০৪:৩১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে এক প্রতিবেশীর রোষানলে পড়েছেন ভুমিহীন পরিবারের আনছার আলী। এ পরিবারে একটি বাজার ভিট দখল করতে মরিয়া গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম নবি।আনছার আলী উপজেলার গোবিন্দনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা গোলাম নবি।

গোবিন্দগঞ্জ আনছার আলীর দখলীয় একটি দোকান ভিট দখল করতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক গোলাম নবি। এ ব্যাপারে ছাতক থানায় আনছার আলীর একটি জিডি (নং ১০৯, তাং ০৩.১১.১৯ ইং) রয়েছে। সিঙ্গূয়া মৌজার ১৫৬ দাগের সরকারি ১ শতক ভুমিতে আনছার আলীর দোকান ঘর। তিনি জেলা প্রশাসক থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে সরকারি খাজনাদি পরিশোধ করেই দোকানদারী (ব্যবসা) পরিচালনা করছেন। এ নিয়ে গোলাম নবি তার সাথে দেন-দরবারে লিপ্ত। গত ৬ জুলাই সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আনছার আলীকে ভুমির মালিকানা বুঝিয়ে দেন।

তার দখলীয় ও বুঝিয়ে দেয়া ভুমিতে ৮ জুলাই পুরো অংশে দোকান কোঠা নির্মাণ করতে প্রস্তুতি নিলে শিক্ষক গোলাম নবি ও ভোররাতে এখানে জোর পুর্বক ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এবং আনছার আলীর দোকান ঘর ও মালামাল ভাংচুর করে।এতে দু”পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হবার পর সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল গোলাম নবি”র ঘর উঠিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু গোলাম নবি এ বিষয়ে কর্ণপাত করেননি।

আনছার আলী জানান,গোলাম নবি প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাকে বার-বার প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
তাকে এবং তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করছেন।

শিক্ষক কর্তৃক সরকারি ভুমি জোর দখলের বিষয়ে আনছার আলীর স্ত্রী মোছাঃ শিপা বেগম গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ১৬ জুলাই তিনি এ অভিযোগ দেন।অভিযোগের কপি সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার সহ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে।

মোছাঃ শিপা বেগম বেগম জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক ভুমিহীন পরিবারের সহায়-সম্পদ কেড়ে নেয়ার পক্রিয়ার বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছেন তিনি। এজন্য তার পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, গোবিন্দগঞ্জ বাজারে শিক্ষক গোলাম নবি ও আনছার আলীর মধ্যে দোকান ভিট নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
সরকারি ভুমি নিয়ে তাদের মধ্যে এ বিরোধ।এখানে আমার কিছু করার নেই। বিষয় সরকারি ভাবেই নিষ্পত্তি প্রয়োজন।

সহকারি কমিশনার ভুমি ইসলাম উদ্দিন জানান, দু’জনই দোকান ভিট বন্দোবস্ত পাওয়ার আবেদন করেছেন। অল্প ভুমি প্রায় ৮ ফুট করে দু” জনকেই দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে ভুমিহীন পরিবারের বাজার ভিট দখলে মরিয়া স্কুল শিক্ষক গোলাম নবি

Update Time : ০৪:৩১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে এক প্রতিবেশীর রোষানলে পড়েছেন ভুমিহীন পরিবারের আনছার আলী। এ পরিবারে একটি বাজার ভিট দখল করতে মরিয়া গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম নবি।আনছার আলী উপজেলার গোবিন্দনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা গোলাম নবি।

গোবিন্দগঞ্জ আনছার আলীর দখলীয় একটি দোকান ভিট দখল করতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক গোলাম নবি। এ ব্যাপারে ছাতক থানায় আনছার আলীর একটি জিডি (নং ১০৯, তাং ০৩.১১.১৯ ইং) রয়েছে। সিঙ্গূয়া মৌজার ১৫৬ দাগের সরকারি ১ শতক ভুমিতে আনছার আলীর দোকান ঘর। তিনি জেলা প্রশাসক থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে সরকারি খাজনাদি পরিশোধ করেই দোকানদারী (ব্যবসা) পরিচালনা করছেন। এ নিয়ে গোলাম নবি তার সাথে দেন-দরবারে লিপ্ত। গত ৬ জুলাই সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আনছার আলীকে ভুমির মালিকানা বুঝিয়ে দেন।

তার দখলীয় ও বুঝিয়ে দেয়া ভুমিতে ৮ জুলাই পুরো অংশে দোকান কোঠা নির্মাণ করতে প্রস্তুতি নিলে শিক্ষক গোলাম নবি ও ভোররাতে এখানে জোর পুর্বক ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এবং আনছার আলীর দোকান ঘর ও মালামাল ভাংচুর করে।এতে দু”পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হবার পর সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল গোলাম নবি”র ঘর উঠিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু গোলাম নবি এ বিষয়ে কর্ণপাত করেননি।

আনছার আলী জানান,গোলাম নবি প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাকে বার-বার প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
তাকে এবং তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করছেন।

শিক্ষক কর্তৃক সরকারি ভুমি জোর দখলের বিষয়ে আনছার আলীর স্ত্রী মোছাঃ শিপা বেগম গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ১৬ জুলাই তিনি এ অভিযোগ দেন।অভিযোগের কপি সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার সহ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে।

মোছাঃ শিপা বেগম বেগম জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক ভুমিহীন পরিবারের সহায়-সম্পদ কেড়ে নেয়ার পক্রিয়ার বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছেন তিনি। এজন্য তার পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে জানান, গোবিন্দগঞ্জ বাজারে শিক্ষক গোলাম নবি ও আনছার আলীর মধ্যে দোকান ভিট নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
সরকারি ভুমি নিয়ে তাদের মধ্যে এ বিরোধ।এখানে আমার কিছু করার নেই। বিষয় সরকারি ভাবেই নিষ্পত্তি প্রয়োজন।

সহকারি কমিশনার ভুমি ইসলাম উদ্দিন জানান, দু’জনই দোকান ভিট বন্দোবস্ত পাওয়ার আবেদন করেছেন। অল্প ভুমি প্রায় ৮ ফুট করে দু” জনকেই দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ