০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে ফাঁসাতে গিয়ে বিয়ের ১৫ দিন পর আত্মগোপন!

  • Update Time : ০২:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: দেড় বছর আগে স্থানীয় এক নারীকে বিয়ে করেন আব্দুল ছত্তার ওরফে মাসুক (২৮)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরি গ্রামের বাসিন্দা। বিয়ের ১৫ দিন পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। তারপর আত্মগোপনে চলে যান মাসুক। এ ঘটনার পর ছেলের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন মাসুকের মা আয়েশা খাতুন। কিন্তু ঘটনা ভিন্ন। পুরো ঘটনাটি সাজানো। যে কারণে ফেঁসেছেন মাসুক। তাকে আটক করে আদালতে তুলেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আল মামুন শিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি মাসুককে অপহরণ করা হয়েছে অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন তার মা আয়েশা খাতুন। মামলায় মাসুকের শ্বশুর ও স্ত্রী সুলতানা বেগমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে আদেশ দেন।

পরে পিবিআই হবিগঞ্জের একটি দল সোমবার (৮ মে) নরসিংদীর মাধবদী থেকে মাসুককে উদ্ধার করে। এরপর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৪৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মো. আল মামুন শিকদার বলেন, বিয়ের পর ঝগড়া হলে সুলতানা বেগম ভরণপোষণ ও দেনমোহরের টাকা চেয়ে মামুনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। এরপরই তিনি ও তার মাকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটক সাজানোর পরিকল্পনা করেন মাসুক।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্ত্রীকে ফাঁসাতে গিয়ে বিয়ের ১৫ দিন পর আত্মগোপন!

Update Time : ০২:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট :: দেড় বছর আগে স্থানীয় এক নারীকে বিয়ে করেন আব্দুল ছত্তার ওরফে মাসুক (২৮)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরি গ্রামের বাসিন্দা। বিয়ের ১৫ দিন পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। তারপর আত্মগোপনে চলে যান মাসুক। এ ঘটনার পর ছেলের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন মাসুকের মা আয়েশা খাতুন। কিন্তু ঘটনা ভিন্ন। পুরো ঘটনাটি সাজানো। যে কারণে ফেঁসেছেন মাসুক। তাকে আটক করে আদালতে তুলেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আল মামুন শিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি মাসুককে অপহরণ করা হয়েছে অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন তার মা আয়েশা খাতুন। মামলায় মাসুকের শ্বশুর ও স্ত্রী সুলতানা বেগমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে আদেশ দেন।

পরে পিবিআই হবিগঞ্জের একটি দল সোমবার (৮ মে) নরসিংদীর মাধবদী থেকে মাসুককে উদ্ধার করে। এরপর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৪৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মো. আল মামুন শিকদার বলেন, বিয়ের পর ঝগড়া হলে সুলতানা বেগম ভরণপোষণ ও দেনমোহরের টাকা চেয়ে মামুনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। এরপরই তিনি ও তার মাকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটক সাজানোর পরিকল্পনা করেন মাসুক।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ