১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লায়েক মিয়া হত্যা মামলায় নিরপরাধদের জড়ানো ও স্থানীয় এমপি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাতকে আওয়ামীলীগের সংবাদ সন্মেলন

  • Update Time : ০৬:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে মন্ডলীভোগ এলাকার লায়েক মিয়া হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে আওয়ামীলীগ ও স্বেচ্ছা সেবকলীগের নেতাকর্মী সহ নিরপরাধ লোকদের মামলায় জড়ানো এবং তৎপরবর্তী ছাতকে এক মানববন্ধন করে মুহিবুর রহমান মানিক এমপিকে জড়িয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগনের মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ছাতক শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সন্মেলন করেছে ছাতক-দোয়ারাবাজার উপজেলা ও ছাতক পৌর আওয়ামীলীগ,অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাতক পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনু। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ২৮ মার্চ রাতে তারাবি নামাজ চলাকালে শহরের গণেশপুর খেয়াঘাটে এক প্রতিপক্ষের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আহত হন মন্ডলীভোগ এলাকার লায়েক মিয়া। ওই রাতেই তিনি হাসপাতালে মারা যান। মসজিদের কমিটি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে তার উপর হামলা হয়েছে বলে নিহতের মা,স্বজন,পুলিশের বক্তব্য সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবরও প্রচারিত হয়। স্থানীয় প্রশাসন সহ এলাকাবাসি এ ঘটনার মোটিভ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রয়েছেন।
কিন্তু ঘটনার ৩ দিন পর মুহিবুর রহমান মানিক এমপি’র ভাতিজা ইশতিয়াক রহমান তানভীর, ছাতক পৌর সভার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে টানা ৫ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক সাদমান মাহমুদ সানি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আলা উদ্দিন,আব্দুল মতিনসহ কতিপয় নিরপরাধ ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন লায়েক মিয়ার ভাই আজিজুল ইসলাম।
কোথায়-কখন এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে যারা এর কিছুই জানেন না এবং একাধিকজন ঘটনার সময়ে এলাকার বাহিরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন তাদেরকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এতে হতবাক হয়েছেন এলাকার লোকজন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সন্মেলনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ লোকদের মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয় ছাতকের একটি পরিবার তাদের ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে বার- বার এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে।তাদের জানা দরকার মানিক এখানে উড়ে এসে জুড়ে বসেন নি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুহিবুর রহমান মানিকের হাতে ৭ বার নৌকার মনোনয়ন তুলে দিয়েছেন। আর ছাতক- দোয়ারাবাজার আসনে ৪ বার এমপি ও ছাতকে একবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। লায়েক মিয়া হত্যা নিয়ে মুহিবুর রহমান মানিক এমপি’র ভাব মুর্তি কলুষিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত প্রতিপক্ষ একটি মহল।

রাজাকার পরিবারের ওই মহল,ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ, আওয়ামীলীগকর্মী, ফারুক মিয়া ও ঠেলা চালক সাহাব উদ্দিন হত্যা নিয়েও লাশের রাজনীতি করেছে।
বর্তমানে লায়েক হত্যা নিয়েও তারা আগের ন্যায় লাশের রাজনীতিতে নেমেছে। তারা এসব ষড়যন্ত্র করে অতীতে মুহিবুর রহমান মানিকের কিছুই করতে পারানি,এখনও কিছু করতে পারবেনা। তারা দেশ ও এলাকবাসীর কাছে সুবিধাভোগী ও ষড়যন্ত্রকারি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছে। সংবাদ সন্মেলনে বলা হয়েছে ষড়যন্ত্রকারিদের সকল অন্যায়-অপপ্রচার আগামীতে রুখে দেয়া হবে।

সংবাদ সন্মেলন আরো বক্তব্য রাখেন, ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান,দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস বীর প্রতিক, বর্তমান চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভীর আশিরাফি চৌধুরী বাবু,ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ,দোয়ারাবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল খালিক, ছাতক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত লাহিন, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ প্রমুখ।
সংবাদ সন্মেলন ছাতক-দোয়ারাবাজার উপজেলা ও ছাতক পৌর আওয়ামীলীগ,অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

লায়েক মিয়া হত্যা মামলায় নিরপরাধদের জড়ানো ও স্থানীয় এমপি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাতকে আওয়ামীলীগের সংবাদ সন্মেলন

Update Time : ০৬:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে মন্ডলীভোগ এলাকার লায়েক মিয়া হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে আওয়ামীলীগ ও স্বেচ্ছা সেবকলীগের নেতাকর্মী সহ নিরপরাধ লোকদের মামলায় জড়ানো এবং তৎপরবর্তী ছাতকে এক মানববন্ধন করে মুহিবুর রহমান মানিক এমপিকে জড়িয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগনের মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ছাতক শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সন্মেলন করেছে ছাতক-দোয়ারাবাজার উপজেলা ও ছাতক পৌর আওয়ামীলীগ,অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাতক পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনু। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ২৮ মার্চ রাতে তারাবি নামাজ চলাকালে শহরের গণেশপুর খেয়াঘাটে এক প্রতিপক্ষের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আহত হন মন্ডলীভোগ এলাকার লায়েক মিয়া। ওই রাতেই তিনি হাসপাতালে মারা যান। মসজিদের কমিটি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে তার উপর হামলা হয়েছে বলে নিহতের মা,স্বজন,পুলিশের বক্তব্য সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবরও প্রচারিত হয়। স্থানীয় প্রশাসন সহ এলাকাবাসি এ ঘটনার মোটিভ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রয়েছেন।
কিন্তু ঘটনার ৩ দিন পর মুহিবুর রহমান মানিক এমপি’র ভাতিজা ইশতিয়াক রহমান তানভীর, ছাতক পৌর সভার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে টানা ৫ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক সাদমান মাহমুদ সানি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আলা উদ্দিন,আব্দুল মতিনসহ কতিপয় নিরপরাধ ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন লায়েক মিয়ার ভাই আজিজুল ইসলাম।
কোথায়-কখন এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে যারা এর কিছুই জানেন না এবং একাধিকজন ঘটনার সময়ে এলাকার বাহিরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন তাদেরকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এতে হতবাক হয়েছেন এলাকার লোকজন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সন্মেলনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ লোকদের মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয় ছাতকের একটি পরিবার তাদের ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে বার- বার এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে।তাদের জানা দরকার মানিক এখানে উড়ে এসে জুড়ে বসেন নি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুহিবুর রহমান মানিকের হাতে ৭ বার নৌকার মনোনয়ন তুলে দিয়েছেন। আর ছাতক- দোয়ারাবাজার আসনে ৪ বার এমপি ও ছাতকে একবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। লায়েক মিয়া হত্যা নিয়ে মুহিবুর রহমান মানিক এমপি’র ভাব মুর্তি কলুষিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত প্রতিপক্ষ একটি মহল।

রাজাকার পরিবারের ওই মহল,ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ, আওয়ামীলীগকর্মী, ফারুক মিয়া ও ঠেলা চালক সাহাব উদ্দিন হত্যা নিয়েও লাশের রাজনীতি করেছে।
বর্তমানে লায়েক হত্যা নিয়েও তারা আগের ন্যায় লাশের রাজনীতিতে নেমেছে। তারা এসব ষড়যন্ত্র করে অতীতে মুহিবুর রহমান মানিকের কিছুই করতে পারানি,এখনও কিছু করতে পারবেনা। তারা দেশ ও এলাকবাসীর কাছে সুবিধাভোগী ও ষড়যন্ত্রকারি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছে। সংবাদ সন্মেলনে বলা হয়েছে ষড়যন্ত্রকারিদের সকল অন্যায়-অপপ্রচার আগামীতে রুখে দেয়া হবে।

সংবাদ সন্মেলন আরো বক্তব্য রাখেন, ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান,দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস বীর প্রতিক, বর্তমান চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভীর আশিরাফি চৌধুরী বাবু,ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ,দোয়ারাবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল খালিক, ছাতক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত লাহিন, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ প্রমুখ।
সংবাদ সন্মেলন ছাতক-দোয়ারাবাজার উপজেলা ও ছাতক পৌর আওয়ামীলীগ,অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ