আজ, , ২৫শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদ শিরোনাম :





ইংল্যান্ড থেকে ছাতকে একটি পত্র পৌঁছতে সময় পার হয়েছে একমাস ২২ দিন

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে একটি পত্র হাতে পেতে সময় পার হয়েছে এক মাস ২২ দিন। এতে ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়েছে গ্রাহক সোলেমান মিয়াকে। সোলেমান মিয়া জানান, গত ৩০ জানুয়ারি ইংল্যান্ড থেকে তার এক আত্মীয় তোতা মিয়া কিছু কাগজাত ডকুমেন্ট পুরে তাকে একটি পত্র দেন। পুর্ব লন্ডনের ক্যানরি ওয়ারফ এলাকার একটি পোষ্ট অফিস থেকে এই পত্রটি প্রেরণ করা হয়।পত্রের প্রাপক ছাতক পৌর শহরের বাগবাড়ি মহল্লার সোলেমান মিয়া।

পত্র ছাড়ার ১৫ দিন পরও পত্রটি না আসায় তিনি ছাতক পোষ্ট অফিসে বার-বার যোগাযোগ করে এর কোন সন্ধান পাননি। এদিকে পত্র প্রেরক ইংল্যান্ডের পোষ্ট অফিসে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয় পত্রটি ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ঢাকায় পৌঁছেছে। কিন্তু বার-বার সোলেমান মিয়া ছাতক পোষ্ট অফিসে যোগাযোগ করেই যাচ্ছেন। আর তাকে বলে দেয়া হচ্ছে তার নামে কোন পত্র আসেনি।
এরপর পাঠানো এই পত্রটির আশা প্রায় বাদ দিয়েই ২০ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের একই পোষ্ট অফিস থেকে আরো একটি পত্র সোলেমান মিয়ার নামে পাঠান তোতা মিয়া।এই পত্রটিও নির্ধারিত সময়ে হাতে না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন সোলেমান মিয়া। ছাতক এবং সিলেটের পোষ্ট অফিসে যোগাযোগ করতে থাকেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ২১ মার্চ ইংল্যান্ডের পোষ্ট অফিসে যোগাযোগ করে তার প্রেরিত ২ টি পত্র ফেরত চান তোতা মিয়া। এতে হুলস্থুল পড়ে যায় দেশে- বিদেশে। সোলেমান মিয়া ও ২১ মার্চ পত্র প্রাপ্তির জন্য ছাতক পোষ্ট অফিসে শেষ বারের মতো যোগাযোগ করেন।পোষ্ট মাষ্টার রফিক মিয়া ও পত্র ডেলিভারিম্যানরা এ দু’টি পত্রের বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে তারা জানান, ২২ মার্চ একটি স্পেশাল ডাক আসবে এর মধ্যে পত্র দু’টি থাকতে পারে। ২২ মার্চ দুপুরে সোলেমান মিয়া ছাতক পোষ্ট অফিস থেকে দু’টি পত্রই ডেলিভারি নিয়েছেন। তবে পত্রে তারিখ দেয়া ২১ মার্চ। কোন ভুল ঠিকানায় পৌঁছে গিয়ে সময় ও পার হয়নি। প্রশ্ন হচ্ছে একমাস ২২ দিন আগের পত্র ও এর ২০ দিন পরের পত্র কিভাবে একই সাথে পাওয়া গেলো ও পত্রের উপরের কাগজটিতে কেন ২১ মার্চ লিখা এবং তার এতোদিনের (সোলেমান মিয়ার) হয়রানি ও ক্ষয়-ক্ষতি কে দেবে।

এখানে ডাক বিভাগের লুকোচুরি ও চরম দুর্নীতি হয়েছে জানিয়ে সোলেমান মিয়া এর সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ