০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

  • Update Time : ০৩:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আরিফুল ইসলাম আরিফের (৩০) বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকার প্রভাবশালীরা ধর্ষণের বিষয়টি আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শনিবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ওই ইউপি মেম্বারসহ দুজনকে আসামি করে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। শেরপুর সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল অভিযোগের ভিত্তিতে জানান, মেম্বার আরিফুল ইসলাম আরিফ ওই একই এলাকার ফকিরপাড়া গ্রামের ফছির উদ্দিনের ছেলে চান মিয়ার (৪২) সহায়তায় নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ডেকে এক বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওসি জানান, ভিকটিম পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। রোববার ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভিকটিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

Update Time : ০৩:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আরিফুল ইসলাম আরিফের (৩০) বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকার প্রভাবশালীরা ধর্ষণের বিষয়টি আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শনিবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ওই ইউপি মেম্বারসহ দুজনকে আসামি করে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। শেরপুর সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল অভিযোগের ভিত্তিতে জানান, মেম্বার আরিফুল ইসলাম আরিফ ওই একই এলাকার ফকিরপাড়া গ্রামের ফছির উদ্দিনের ছেলে চান মিয়ার (৪২) সহায়তায় নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ডেকে এক বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওসি জানান, ভিকটিম পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। রোববার ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভিকটিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ