কারাগারে নবীগঞ্জের বহুরূপী প্রতারক মনি
- Update Time : ০১:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: আদালতে জামিন পাননি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার আসামি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের বহরূপী নারী ফরজুন আক্তার মনি (৪০)। জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার সকালে সিলেটের সাইবার আদালতের বিচারক আবুল কাশেম সরকার তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এরআগে ১০ সেপ্টেম্বর ফরজুন আক্তার মনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। কথিত ফরজুন আক্তার মনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে বিভিন্ন সময় নানা ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাংবাদিক জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মানহানী করে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নানা অপপ্রচার ও অনেক প্রতারণার অভিযোগে সাংবাদিক এম এ আহমদ আজাদের মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন মনি। জামিনে এসে ফের নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন মনি নামের এই প্রতারক নারী। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় হাইকোটের জামিনে এসে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে ফেসবুকে পোষ্ট ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেন তিনি।সেই সঙ্গে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে নানা রকম কটূক্তি করেন। বিতর্কিত এই মনি নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউপির কায়স্থগ্রামের জহুর উদ্দিনের মেয়ে।
২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুলিশ শহরতলীর জে.কে উচ্চ বিদ্যালয় পয়েন্ট থেকে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোচিত নারী মনিকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ২টি এনআইডি কার্ড, বেশ কিছু ভূয়া আইডি কার্ড, ৩টি মোবাইল ফোন,৫টি সিম কার্ড, একটি কলম ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও তার মোবাইলে লগইন করা একাধিক ভূয়া ফেসবুক আইডি এবং শতাধিক পর্নো ভিডিও উদ্ধার করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই সমীরণ দাশ। তাকে গ্রেফতারের পর নবীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী মো. শাহনওয়াজ মিলাদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিমের উপস্থিতিতে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম বহুরূপী ফারজানা আক্তার ফরজুন ওরফে মনির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব উপস্থাপন করলে, মনির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সর্ব সম্মতিতে সিন্ধান্ত গৃহিত হয় এবং প্রতারক মনি কর্তৃক নবীগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকের মাধ্যমে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য নিন্দা প্রস্তাব গৃহিত হয়। ওই সময় এক জনপ্রতিনিধি প্রশ্ন তুলেন মনি নারী না পুরুষ? এরপর তার লিঙ্গ পরীক্ষা করার জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।



















