০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়বাংলা নয় ধন্যবাদ বলে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগকে বার্তা দিলেন রেজাউল করিম শামীম

  • Update Time : ১০:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অনুষ্ঠিত
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে সুস্পষ্ট বার্তা দিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার লাইব্রেরীতে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,“আমাদের জেলা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আয়্যুব বখত জগলুল, এডভোকেট শফিকুল আলম,বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর
রহমান, ধর্মপাশার আলমগীর কবির পরলোক গমন করেছেন, সহ সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, আমাদের সভাপতির ছেলেসহ বেশ কয়েকজন লন্ডন আমেরিকায় বসবাস করছেন
তাদেরকে ব্যাতিরেকে এবং আমি ও নুরুল হুদা মুকুটসহ অনেককেই জরুরি সভায়জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নিমন্ত্রণ করেন নাই।উদ্দেশ্যেমূলকভাবে সেইদিন সভা ডাকা হয়েছে। সেই সভায় অব্যাহতির কোনসিদ্বান্ত নেয়া হয় নাই। শুধুমাত্র নুরুল হুদা মুকুট মহোদয়কে মনোনয়নপ্রত্যাহারের অনুরোধ জানানোর একটি সিদ্বান্ত গৃহিত হয়েছে। আপনারা যারাসাংবাদিক বিবেক,আপনারা জানেন, এখন পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে যে সকল জেলা
পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা হচ্ছে কোন জেলায় এখন পর্যন্ত কোন জেলা। পর্যায়ের কোন নেতাকে  অব্যাহতি প্রদানের সিদ্বান্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ গ্রহন করে নাই। তারপরেও তাড়াহুড়া করে আমাদের এই জেলা পরিষদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য মূলত এই সিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে। তবে আপনারা একটা জিনিস জেনে রাখবেন জনাব নুরুল হুদা মুকুটসহ আমরা যারা মুকুটের সমর্থনে আছি দলের পদ থাকুক বা নাই থাকুক আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজীবন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে যাবো। আরেকটি কথা আমরা
বলতে চাই বিজয় আমাদের অবশ্যম্ভাবী। আমরা কেন্দ্রকে একটা বার্তা দিতে চাই যে কেন্দ্র বারবার ভূল তথ্যের ভিত্তিতে জনাব নুরুল হুদা মুকুটকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে তারা ভূল করেছেন। এই বার্তাটা আগামী ১৭ই অক্টোবরের নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে কেন্দ্রকে আমরা এই
বার্তাটা দিতে চাই। ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে”। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোটর সাইকেল প্রতীকে জেলা পরিষদ
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু শঙ্কর চন্দ্র দাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আব্দুল করিম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এড. আজাদুল ইসলাম রতন, বন বিষয়ক সম্পাদক
জাহাঙ্গীর চৌধুরী, মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শীতেষ তালুকদার মঞ্জু,তাহিরপুর উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক অমল কান্তি কর, দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশারফ হোসন, সদস্য এড কল্লোল তালুকদার চপল,জেলা যুবলীগের
সিনিয়র সদস্য সবুজ কান্তি দাস ও যথীন্দ্র মোহন তালুকদার প্রমুখ।
উল্লেখ্য আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা হলেও রেজাউল করিম শামীমের বিরুদ্ধে দলের প্রত্যেকটি কর্মকান্ডে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণার অভিযোগ রয়েছে। গতসংসদ নির্বাচন,জেলা পরিষদ নির্বাচন,দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিদ্রোহ করেন তিনি। এসকল নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় জামালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ৮/১/২০১৯ইং তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ হাসিনা এমপির কাছে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করে। ঐ সুপারিশপত্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন,৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিপক্ষে বিদ্রোহ করার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদের সাথে মোটর সাইকেল প্রতীকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন তিনি। পরবর্তীতে জামালগঞ্জ উপজেলার উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ইকবাল আল আজাদ এর বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোটর সাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল হক আফিন্দির পক্ষে অবস্থান নিলেও তার প্রার্থী নির্বাচনে পরাজিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী সায়েম পাটানের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হক এর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে শোকজ করলে তিনি নি:শর্ত ক্ষমাপ্রার্থী হন কেন্দ্রের কাছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকবেন বলে নি:শর্ত ক্ষমাপ্রার্থী হলেও বিদ্রোহের সেই নায়ক রেজাউল করিম শামীম আবারও বিদ্রোহে লিপ্ত হয়েছেন। এদিকে দলীয় শ্লোগান জয়বাংলা নয় ধন্যবাদ বলে সাংবাদিকদের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রকে বার্তা দিলেন রেজাউল করিম শামীম এমন প্রশ্ন রেখে সিলেট মহানগর কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুকন বলেন,রেজাউল করিম শামীমের ভাগ্যে নৌকার পক্ষে কাজ করা কখনও সম্ভব হয়নি। তিনি প্রায় সময়ই বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে এবং নৌকা মার্কার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলের মন্ত্রী এমপিদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সভায় বিষোদগার ও বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার লাইব্রেরীতে তার দেয়া বক্তব্যে তিনি বুঝিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের চাইতেও তিনি বড়বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান। কারণ তিনি যে বার্তাটি দিয়েছেন সেই বার্তায় সুস্পষ্টভাবে আওয়ামীলীগের কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় কমিটি কথাটি উল্লেখ রয়েছে। আর এই কেন্দ্রের নেত্রীই হচ্ছেন দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি। আমরা আশা করি জননেত্রী শেখ হাসিনা তার দেয়া বক্তব্য ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রচারিত বার্তাটি আমলে নেবেন। এদিকে রেজাউল করিম শামীমের সমর্থকরা বলছেন, নেত্রী  একাধিক প্রার্থীর মধ্যে দলীয় যেকোন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতেই পারেন। এজন্য আমাদের নেত্রীর প্রতি কোন ধরনের অশ্রদ্ধা পোষনের প্রশ্নই আসেনা। কিন্তু রেজাউল করিম শামীম মাঠের নেতা তার বক্তব্য যে সঠিক তা আগামী ১৭ই অক্টোবরের নির্বাচনে মোটর সাইকেলের বিজয়ে প্রমাণিত হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জয়বাংলা নয় ধন্যবাদ বলে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগকে বার্তা দিলেন রেজাউল করিম শামীম

Update Time : ১০:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অনুষ্ঠিত
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে সুস্পষ্ট বার্তা দিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার লাইব্রেরীতে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,“আমাদের জেলা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আয়্যুব বখত জগলুল, এডভোকেট শফিকুল আলম,বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর
রহমান, ধর্মপাশার আলমগীর কবির পরলোক গমন করেছেন, সহ সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, আমাদের সভাপতির ছেলেসহ বেশ কয়েকজন লন্ডন আমেরিকায় বসবাস করছেন
তাদেরকে ব্যাতিরেকে এবং আমি ও নুরুল হুদা মুকুটসহ অনেককেই জরুরি সভায়জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নিমন্ত্রণ করেন নাই।উদ্দেশ্যেমূলকভাবে সেইদিন সভা ডাকা হয়েছে। সেই সভায় অব্যাহতির কোনসিদ্বান্ত নেয়া হয় নাই। শুধুমাত্র নুরুল হুদা মুকুট মহোদয়কে মনোনয়নপ্রত্যাহারের অনুরোধ জানানোর একটি সিদ্বান্ত গৃহিত হয়েছে। আপনারা যারাসাংবাদিক বিবেক,আপনারা জানেন, এখন পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে যে সকল জেলা
পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা হচ্ছে কোন জেলায় এখন পর্যন্ত কোন জেলা। পর্যায়ের কোন নেতাকে  অব্যাহতি প্রদানের সিদ্বান্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ গ্রহন করে নাই। তারপরেও তাড়াহুড়া করে আমাদের এই জেলা পরিষদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য মূলত এই সিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে। তবে আপনারা একটা জিনিস জেনে রাখবেন জনাব নুরুল হুদা মুকুটসহ আমরা যারা মুকুটের সমর্থনে আছি দলের পদ থাকুক বা নাই থাকুক আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজীবন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে যাবো। আরেকটি কথা আমরা
বলতে চাই বিজয় আমাদের অবশ্যম্ভাবী। আমরা কেন্দ্রকে একটা বার্তা দিতে চাই যে কেন্দ্র বারবার ভূল তথ্যের ভিত্তিতে জনাব নুরুল হুদা মুকুটকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে তারা ভূল করেছেন। এই বার্তাটা আগামী ১৭ই অক্টোবরের নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে কেন্দ্রকে আমরা এই
বার্তাটা দিতে চাই। ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে”। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোটর সাইকেল প্রতীকে জেলা পরিষদ
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু শঙ্কর চন্দ্র দাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আব্দুল করিম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এড. আজাদুল ইসলাম রতন, বন বিষয়ক সম্পাদক
জাহাঙ্গীর চৌধুরী, মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শীতেষ তালুকদার মঞ্জু,তাহিরপুর উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক অমল কান্তি কর, দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশারফ হোসন, সদস্য এড কল্লোল তালুকদার চপল,জেলা যুবলীগের
সিনিয়র সদস্য সবুজ কান্তি দাস ও যথীন্দ্র মোহন তালুকদার প্রমুখ।
উল্লেখ্য আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা হলেও রেজাউল করিম শামীমের বিরুদ্ধে দলের প্রত্যেকটি কর্মকান্ডে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণার অভিযোগ রয়েছে। গতসংসদ নির্বাচন,জেলা পরিষদ নির্বাচন,দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিদ্রোহ করেন তিনি। এসকল নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় জামালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ৮/১/২০১৯ইং তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ হাসিনা এমপির কাছে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করে। ঐ সুপারিশপত্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন,৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিপক্ষে বিদ্রোহ করার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আল আজাদের সাথে মোটর সাইকেল প্রতীকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন তিনি। পরবর্তীতে জামালগঞ্জ উপজেলার উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ইকবাল আল আজাদ এর বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোটর সাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল হক আফিন্দির পক্ষে অবস্থান নিলেও তার প্রার্থী নির্বাচনে পরাজিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী সায়েম পাটানের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হক এর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে শোকজ করলে তিনি নি:শর্ত ক্ষমাপ্রার্থী হন কেন্দ্রের কাছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকবেন বলে নি:শর্ত ক্ষমাপ্রার্থী হলেও বিদ্রোহের সেই নায়ক রেজাউল করিম শামীম আবারও বিদ্রোহে লিপ্ত হয়েছেন। এদিকে দলীয় শ্লোগান জয়বাংলা নয় ধন্যবাদ বলে সাংবাদিকদের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রকে বার্তা দিলেন রেজাউল করিম শামীম এমন প্রশ্ন রেখে সিলেট মহানগর কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুকন বলেন,রেজাউল করিম শামীমের ভাগ্যে নৌকার পক্ষে কাজ করা কখনও সম্ভব হয়নি। তিনি প্রায় সময়ই বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে এবং নৌকা মার্কার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলের মন্ত্রী এমপিদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সভায় বিষোদগার ও বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার লাইব্রেরীতে তার দেয়া বক্তব্যে তিনি বুঝিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের চাইতেও তিনি বড়বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান। কারণ তিনি যে বার্তাটি দিয়েছেন সেই বার্তায় সুস্পষ্টভাবে আওয়ামীলীগের কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় কমিটি কথাটি উল্লেখ রয়েছে। আর এই কেন্দ্রের নেত্রীই হচ্ছেন দলীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি। আমরা আশা করি জননেত্রী শেখ হাসিনা তার দেয়া বক্তব্য ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রচারিত বার্তাটি আমলে নেবেন। এদিকে রেজাউল করিম শামীমের সমর্থকরা বলছেন, নেত্রী  একাধিক প্রার্থীর মধ্যে দলীয় যেকোন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতেই পারেন। এজন্য আমাদের নেত্রীর প্রতি কোন ধরনের অশ্রদ্ধা পোষনের প্রশ্নই আসেনা। কিন্তু রেজাউল করিম শামীম মাঠের নেতা তার বক্তব্য যে সঠিক তা আগামী ১৭ই অক্টোবরের নির্বাচনে মোটর সাইকেলের বিজয়ে প্রমাণিত হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ