১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

  • Update Time : ০৯:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।শহরের অদুরে রহমতবাগ এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। অতি সম্প্রতি সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়টি স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

ছাতক উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর এলাকায় গণপুর্ত বিভাগের একটি ভবনে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এ ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, সাব-রেজিষ্ট্রার বসার মতো ভালো এজলাস নেই। দলিলাদি অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিনেও সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। এতে করে এই ভবনের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।

ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের ভবনে রয়েছে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-অনুষ্টানিক কার্যালয়, উপজেলা যুব উন্নয়ণ কর্মকর্তার কার্যালয়, পাশে রয়েছে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়,খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, সরকারি খাদ্য গুদাম ও সুর্যের হাসি ক্লিনিক।

সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে ২ টি মার্কেট। চা- নাস্তার দোকান,ভাতের হোটেল,কম্পিউটার, ফটোস্ট্যাড ও স্টেশনারি দোকান। সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস চললেই এসব দোকান-পাঠ চলে। অর্ধ শতাধিক পরিবারের রুটি-রোজির ব্যবস্থা এই সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসকে ঘিরেই।সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস স্থানান্তর হলেই এসব পরিবারের রুটি-রোজির পথ বন্ধ হয়ে পড়বে।

অন্যদিকে যেখানে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে সেখানে এই সব সুবিধা নেই। দলিল লিখকরা দলিল নিয়ে বাজারের কোথাও এসে কম্পিউটারে লিখে আবারো অফিসে যেতে হবে। সরকারি লেন-দেনের জন্য সোনালী ব্যাংকের শাখাও অনেক দূরে। সেখানের আবাসিক এলাকায় এতকিছু করাও সম্ভব নয়। কোন পাবলিক শৌচাগার ও এখানে নেই। শহরের নীচু এলাকা এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। কাজেই শহরের মধ্যে বা উপজেলা পরিষদ এলাকায় যেকোনো ভাড়া বাড়িতে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর প্রয়োজন।

ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে শতাধিক দলিল লিখক তালিকাভুক্ত থাকলেও ৫৫ জন দলিল লিখক রেগুলার আছেন। দলিল রেজিষ্ট্রারির ঝামেলা ও এখানে বেশি। বর্তমান সাব-রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা ছাতকে সপ্তাহে রবিবার ও সোমবার ২ দিন অফিস করেন। সপ্তাহে ৫ দিন অফিস করার কথা থাকলেও তিনি অফিস করেন ২ দিন। ফলে এখানে প্রচুর ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

কার্যালয়টি শহরের অদুরে স্থানান্তরের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কার্যালয়ের নিবন্ধিত ১৫-২০ জন দলিল লিখক জানান, নতুন স্থানে তারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।সেখানে লক্ষ- লক্ষ টাকার লেনদেন হবে এখানে নেই কোন নিরাপত্তার বলয়। ভবনের অবস্থা নাজুক, বন্যা সহ বিভিন্ন অজুহাতে কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে কিন্তু যেখানে কার্যালয় স্থানান্তর হবে সেখানেইতো বন্যার পানি প্রথমেই প্রবেশ করে। তাদের দাবি শুধু মাত্র সাব-রেজিষ্ট্রারের নিজের সুবিধার কারণেই ওই এলাকায় কার্যালয় স্থানান্তর করতে যাচ্ছেন। এখানে জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। এখানে কমিশন বানিজ্যের একটি বিষয় রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

ব্যবসায়ি রেদোয়ান আহমদ জানান,পুরাতন ভবন থেকে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে এতে কারো আপত্তি নেই। কিন্তু সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়কে ঘিরে এখানে অনেক দোকান পাঠ গড়ে উঠেছে। তাদের আয়- রোজগার দোকান থেকেই। তারা এখন যাবে কোথায় এদিকটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় এলাকার ব্যবসায়ি মতিউর রহমান, আব্দুস শহিদ, আরজ আলী, আকাব্বর মিয়া,আক্কাছ আলী, বাদশাহ মিয়া জানান,সব দোকান-পাঠ হচ্ছে সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস সংশ্লিষ্ট। যেখানে অফিস যাবে সেখানেতো এমন ব্যবস্থা নেই। আরেক ব্যবসায়ি নজির আহমদ জানান, অফিস চলে গেলে অবস্থা বুঝে করণীয় নির্ধারণ করবো।

ছাতকের সাব-রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার সাথে এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারি আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, কার্যালয়ের জন্য শহরে কয়েকটি বাড়ি দেখা হয়েছে। তবে এব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জেলা রেজিষ্ট্রার মফিদুল ইসলাম এ ব্যাপারে জানান,যে ভবনটিতে ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয় ওই ভবনের অবস্থা ভালো নয়। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সরকারি মুল্যবান ডকুমেন্ট। কাজেই দ্রুত কার্যালয়টি স্থানান্তরের প্রয়োজন। কার্যালয় কোথায় স্থানান্তর করা হবে এ বিষয়ে স্থানীয় সাব-রেজিষ্ট্রারের মতামতকে প্রধান্য দেয়া হবে। ইতিমধ্যে একটি স্থান চয়েস করা হয়েছে এবং মালিকের সাথে আলোচনা চলছে।

এব্যাপারে রেজিষ্ট্রেশন পরিদর্শক (সিলেট বিভাগ)
মোস্তাক আহমদ জানান, অচিরেই সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন হবে। সাময়িক সময়ের জন্য ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে। পৌরসভার রহমতবাগ এলাকার একটি বাড়িতে কার্যালয় স্থানান্তরিত হবে। এখানে দলিল লিখক সহ আগত লোকজনের সকল সুবিধা বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মহা পরিদর্শক নিবন্ধন (আই জি আর) শহীদুল ইসলাম ঝিনুক জানান, ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য অফিস ভাড়া নেয়া হবে। এ ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে। স্থানীয় সাব -রেজিষ্ট্রার এবং জিআর সহ কর্মকর্তাদের মতামত নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

Update Time : ০৯:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।শহরের অদুরে রহমতবাগ এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। অতি সম্প্রতি সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়টি স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

ছাতক উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর এলাকায় গণপুর্ত বিভাগের একটি ভবনে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এ ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, সাব-রেজিষ্ট্রার বসার মতো ভালো এজলাস নেই। দলিলাদি অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিনেও সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। এতে করে এই ভবনের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।

ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের ভবনে রয়েছে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-অনুষ্টানিক কার্যালয়, উপজেলা যুব উন্নয়ণ কর্মকর্তার কার্যালয়, পাশে রয়েছে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়,খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, সরকারি খাদ্য গুদাম ও সুর্যের হাসি ক্লিনিক।

সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে ২ টি মার্কেট। চা- নাস্তার দোকান,ভাতের হোটেল,কম্পিউটার, ফটোস্ট্যাড ও স্টেশনারি দোকান। সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস চললেই এসব দোকান-পাঠ চলে। অর্ধ শতাধিক পরিবারের রুটি-রোজির ব্যবস্থা এই সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসকে ঘিরেই।সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস স্থানান্তর হলেই এসব পরিবারের রুটি-রোজির পথ বন্ধ হয়ে পড়বে।

অন্যদিকে যেখানে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে সেখানে এই সব সুবিধা নেই। দলিল লিখকরা দলিল নিয়ে বাজারের কোথাও এসে কম্পিউটারে লিখে আবারো অফিসে যেতে হবে। সরকারি লেন-দেনের জন্য সোনালী ব্যাংকের শাখাও অনেক দূরে। সেখানের আবাসিক এলাকায় এতকিছু করাও সম্ভব নয়। কোন পাবলিক শৌচাগার ও এখানে নেই। শহরের নীচু এলাকা এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। কাজেই শহরের মধ্যে বা উপজেলা পরিষদ এলাকায় যেকোনো ভাড়া বাড়িতে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর প্রয়োজন।

ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে শতাধিক দলিল লিখক তালিকাভুক্ত থাকলেও ৫৫ জন দলিল লিখক রেগুলার আছেন। দলিল রেজিষ্ট্রারির ঝামেলা ও এখানে বেশি। বর্তমান সাব-রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা ছাতকে সপ্তাহে রবিবার ও সোমবার ২ দিন অফিস করেন। সপ্তাহে ৫ দিন অফিস করার কথা থাকলেও তিনি অফিস করেন ২ দিন। ফলে এখানে প্রচুর ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

কার্যালয়টি শহরের অদুরে স্থানান্তরের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কার্যালয়ের নিবন্ধিত ১৫-২০ জন দলিল লিখক জানান, নতুন স্থানে তারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।সেখানে লক্ষ- লক্ষ টাকার লেনদেন হবে এখানে নেই কোন নিরাপত্তার বলয়। ভবনের অবস্থা নাজুক, বন্যা সহ বিভিন্ন অজুহাতে কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে কিন্তু যেখানে কার্যালয় স্থানান্তর হবে সেখানেইতো বন্যার পানি প্রথমেই প্রবেশ করে। তাদের দাবি শুধু মাত্র সাব-রেজিষ্ট্রারের নিজের সুবিধার কারণেই ওই এলাকায় কার্যালয় স্থানান্তর করতে যাচ্ছেন। এখানে জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। এখানে কমিশন বানিজ্যের একটি বিষয় রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

ব্যবসায়ি রেদোয়ান আহমদ জানান,পুরাতন ভবন থেকে সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে এতে কারো আপত্তি নেই। কিন্তু সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়কে ঘিরে এখানে অনেক দোকান পাঠ গড়ে উঠেছে। তাদের আয়- রোজগার দোকান থেকেই। তারা এখন যাবে কোথায় এদিকটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় এলাকার ব্যবসায়ি মতিউর রহমান, আব্দুস শহিদ, আরজ আলী, আকাব্বর মিয়া,আক্কাছ আলী, বাদশাহ মিয়া জানান,সব দোকান-পাঠ হচ্ছে সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস সংশ্লিষ্ট। যেখানে অফিস যাবে সেখানেতো এমন ব্যবস্থা নেই। আরেক ব্যবসায়ি নজির আহমদ জানান, অফিস চলে গেলে অবস্থা বুঝে করণীয় নির্ধারণ করবো।

ছাতকের সাব-রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার সাথে এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারি আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, কার্যালয়ের জন্য শহরে কয়েকটি বাড়ি দেখা হয়েছে। তবে এব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জেলা রেজিষ্ট্রার মফিদুল ইসলাম এ ব্যাপারে জানান,যে ভবনটিতে ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয় ওই ভবনের অবস্থা ভালো নয়। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সরকারি মুল্যবান ডকুমেন্ট। কাজেই দ্রুত কার্যালয়টি স্থানান্তরের প্রয়োজন। কার্যালয় কোথায় স্থানান্তর করা হবে এ বিষয়ে স্থানীয় সাব-রেজিষ্ট্রারের মতামতকে প্রধান্য দেয়া হবে। ইতিমধ্যে একটি স্থান চয়েস করা হয়েছে এবং মালিকের সাথে আলোচনা চলছে।

এব্যাপারে রেজিষ্ট্রেশন পরিদর্শক (সিলেট বিভাগ)
মোস্তাক আহমদ জানান, অচিরেই সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন হবে। সাময়িক সময়ের জন্য ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তর করা হচ্ছে। পৌরসভার রহমতবাগ এলাকার একটি বাড়িতে কার্যালয় স্থানান্তরিত হবে। এখানে দলিল লিখক সহ আগত লোকজনের সকল সুবিধা বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মহা পরিদর্শক নিবন্ধন (আই জি আর) শহীদুল ইসলাম ঝিনুক জানান, ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য অফিস ভাড়া নেয়া হবে। এ ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে। স্থানীয় সাব -রেজিষ্ট্রার এবং জিআর সহ কর্মকর্তাদের মতামত নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ